• ই-পেপার

ছাত্রদের রাজনৈতিক দলের জন্য যেসব প্রতীক আলোচনায়

সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী : রিজভী

দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরন্তর চেষ্টাকে কেউ যেন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সেদিকে দেশবাসীকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে এখনো ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে একটি গোষ্ঠী। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের রথ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখরভাবে পালনের স্বার্থে তাদের পাশে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনকল্যাণে নেওয়া সরকারের যেকোনো কর্মসূচি যথাযথ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদও দেন প্রধানমন্ত্রীর এ রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন এলাকার শপিং মল-মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন এলাকার শপিং মল-মার্কেট বন্ধ

প্রতিদিন রাজধানীর মানুষকে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে যেতে হয়। তবে নির্দিষ্ট দিনে অনেক এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকে, যা আগে থেকে জানা না থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর কোন কোন এলাকার শপিং মল ও মার্কেট বন্ধ।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপারমার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, ফরচুন শপিং মল, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।

মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা ও রমনা শিশু পার্ক।

‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির প্রয়োজন হলে সেই রাজনৈতিক দলের অবস্থান ভেবে দেখতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক
‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির প্রয়োজন হলে সেই রাজনৈতিক দলের অবস্থান ভেবে দেখতে হবে’
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যদি জনগণের কাছে যাওয়ার সময় ভয় পায় এবং তাকে পুলিশ প্রটেকশন বা আর্মি প্রটেকশনের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক অবস্থানটা একটু ভেবে দেখতে হবে। সম্প্রতি বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

মোকছেদুল ইসলাম বলেন, সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পথযাত্রায় ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছিল—এটা আমি সমর্থন করি না। কোনো রাজনৈতিক দল তার কর্মসূচি পালন করার সময় অন্য রাজনৈতিক দল বাধা দিক এটা আমি মোটেও সমর্থন করি না। এখান থেকে আসলে এনসিপিরও শিক্ষা নেওয়া উচিত যে অন্য রাজনৈতিক দলও যখন তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চাইবে, সেখানেও তাদের বাধা দেওয়া উচিত না। 

তিনি বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তারা গতবার যখন টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিল, সেখানে তারা মুজিববাদ মুর্দাবাদ, মুজিববাদ মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিল—এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে তাদেরকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য যদি কোনো রাজনৈতিক দলকে ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে পালিয়ে আসতে হয় কিংবা আর্মির প্রয়োজন হয় বা পুলিশের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতাটা কতটুকু তাদের নিজেরই ভেবে দেখা দরকার। 

তিনি বলেন, রাজনীতিতে আমাদের দেশে গুজব একটা বড় জিনিস। সব জায়গাতে গুজব দিয়েই আমরা রাজনীতি করি। আমরা চাঁদে কারোর মুখ দেখি বা আমরা বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দিয়েই জনগণকে প্রতারিত করি। এই মুহূর্তে ফেসবুকে বা বিভিন্ন লোকজনের মুখে শুনতেছি, ওখানে আসলে যে বা যারা এইটি (ককটেল) ফুটিয়েছে তারা তাদের কর্মী ছিল, এনসিপির কর্মী ছিল। এখন যদি এনসিপি সত্যি সত্যি এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটিয়ে নিজের জন্য প্রটেকশন হিসেবে আর্মি বা পুলিশ চায়, এটা তাদের ওই প্রতারণারই একটা নকশা ছাড়া কিছু না।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন থানা এলাকায় রাতভর এই অভিযান চালানো হয়।

তেজগাঁও বিভাগ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শিল্পাঞ্চল ও হাতিরঝিল থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া আদাবর থানা পুলিশ ১১ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ৯ জন, হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৯ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ৫ জন এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রদের রাজনৈতিক দলের জন্য যেসব প্রতীক আলোচনায় | কালের কণ্ঠ