সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। এসব প্রযুক্তির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও সহজলভ্য হচ্ছে স্মার্টফোন। যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও বিনোদনের জন্য এখন সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। কিন্তু এই স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে শিশুদের ওপর। বর্তমানে প্রায়ই দেখা যায়, শিশুদের খাওয়ানোর সময় কিংবা ঘুম পাড়ানোর সময় কিংবা শান্ত রাখার জন্য তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্মার্টফোন। ফলে শিশুরা অল্প বয়সেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। তারা বাইরে খেলাধুলা, বইপড়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা করার পরিবর্তে সারাক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে। এতে তাদের শারীরিক বিকাশ ব্যাহত হয় এবং মানসিক দক্ষতা কমে যায়। অনেক সময় ভাষা শেখা, মনোযোগ বৃদ্ধি এবং সৃজনশীলতা বিকাশেও বাধা সৃষ্টি হয়। তাই আমাদের উচিত স্মার্টফোন ব্যবহারে সচেতন হওয়া। শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনে মোবাইল না দিয়ে তাদের খেলাধুলা, বইপড়া এবং সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করা।
শেখ সুলতানা মীম
ইডেন মহিলা কলেজ




