• ই-পেপার

হজ্ব করতে টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক : সৌদি আরব

ভারতে হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু
ছবি : এনডিটিভি

ভারতের বিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত চারজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মুজাফফরপুর জেলায় অবস্থিত প্রসাদ হাসপাতালের পঞ্চম তলার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৫৫ মিনিটে দমকল বিভাগ একটি জরুরি ফোন পায় এবং একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইসিইউ থেকে প্রায় ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মুজাফফরপুরের দমকল বিভাগের কর্মকর্তা রাম নিবাস পান্ডে বলেন, ‘আমরা আইসিইউ থেকে ১৫-২০ জন রোগীকে উদ্ধার করেছি, যাদের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনো নতুন তথ্য নেই।’

প্রাথমিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, শর্ট সার্কিটের কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মুজাফফরপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত কুমার সেন বলেন, ‘আইসিইউতে প্রায় ১৩ জন রোগী ছিলেন এবং আরো কয়েকজনকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। তদন্তের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গতকাল বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগরের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হওয়ার এক দিন পর এই ঘটনাটি ঘটল। হাউজ রানি এলাকার ‘ফ্লোরিশ স্টে’ বেড-অ্যান্ড-ব্রেকফাস্টে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন লাগে। আগুন লাগার সময় হোটেলে প্রায় ৪০ জন অতিথি ছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ঘুমিয়ে ছিলেন।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য মাত্র একটি পথ ছিল। জানালাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ ছিল এবং প্রধান দরজাটি সেন্সর দ্বারা চালিত ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর অতিথিদের বের হওয়ার উপায় খুব সীমিত ছিল।

মাত্র ১৩ দিনে যেভাবে শেষ মমতার ‘ফুলবাগান’

অনলাইন ডেস্ক
মাত্র ১৩ দিনে যেভাবে শেষ মমতার ‘ফুলবাগান’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নজিরবিহীন এক ঘটনায় মাত্র ১৩ দিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর ভেঙে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় কাঠামো। দলের সাবেক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কদের একটি অংশ আলাদা অবস্থান নেওয়ায় রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট প্রকাশ্যে আসে।

১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেন। প্রায় ২৮ বছর পর দলটি সবচেয়ে বড় সাংগঠনিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।

আরো পড়ুন
ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা: এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা: এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

 

ঘটনার সূত্রপাত গত ২২ মে দিল্লির বঙ্গভবনে। সেদিন সাবেক তৃণমূল নেতা ও বর্তমান বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সাক্ষাতের পর ঋতব্রত প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। তবে সংকটের বীজ বপন হয়েছিল আরো আগে।

৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দলীয় বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে অতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে দলের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। ১৯ মে কালীঘাটে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা এবং আরো কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে দলীয় সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।

আরো পড়ুন
ফুটবল ইতিহাসে প্রথম, স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন মেসি

ফুটবল ইতিহাসে প্রথম, স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন মেসি

 

এ সময় ফলতার জাহাঙ্গির খান ভোটের মাঠ ছাড়ার ঘোষণার পরেও কেন তাকে দল বহিষ্কার করছে না, সেই প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত এবং সন্দীপন। তৃণমূল তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে এ কথা সর্বজনবিদিত যে, জাহাঙ্গির অভিষেকের লোক। ফলে ঋতব্রতদের নিশানায় যে আসলে ছিল অভিষেক, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। সেই বৈঠকেই ঋতব্রত এবং সন্দীপনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সে দিন এক গাড়িতেই মমতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন তিন জন। পরে অবশ্য এই দু’জনের সঙ্গে আর এক বন্ধনীতে থাকেননি কুণাল (মতান্তরে রাখা হয়নি)। বরং ঋতব্রতদের বিরোধী হিসাবে আবির্ভূত হন বেলেঘাটার বিধায়ক।

২২ মে, শুক্রবার
গত এপ্রিল মাসে ঋতব্রতের রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়। তবে বিধানসভা ভোট-পরবর্তী কিছু প্রক্রিয়াগত কাজ— যেমন সাংসদের বাংলো খালি করা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ করা—সম্পন্ন করতে তিনি ২১ মে দিল্লি যান।

২২ মে দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের জন্য তিনি দিল্লির বঙ্গভবনে যান। সেখানেই তার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর একটি আকস্মিক সাক্ষাৎ হয়। সেই সাক্ষাতের পর ঋতব্রত রাজ্যে ‘নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি’র প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।

আরো পড়ুন
বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম

 

ঋতব্রতের দাবি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী তাকে জানিয়েছিলেন যে রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকগুলোতে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে আমি মনে করি, মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিমুখ ইতিবাচক ও সদর্থক। এটাই হওয়া উচিত।’

শুভেন্দুর সঙ্গে ঋতব্রতের এই সাক্ষাৎ এবং মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ সম্পর্কে তার ইতিবাচক মন্তব্য তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছিল।

২৫ মে, সোমবার
ওই দিন থেকেই তৃণমূলের অন্দরে সই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করে। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা, মুখ্যসচেতক কে হবেন, সেই প্রস্তাব সংক্রান্ত যে নথি দলের তরফে বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছে, তাতে কয়েক জন বিধায়কের সই নকল করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, পুরনো তারিখে সই করিয়ে নেওয়ারও। তার আগে অভিষেকের চিঠিকে খারিজ করে দিয়েছিলেন স্পিকার। ফলে আনুষ্ঠানিক ভাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়নি বিধানসভা।

আরো পড়ুন
বাসায় পৌঁছানোর পর যা বললেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

বাসায় পৌঁছানোর পর যা বললেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

 

২৭ মে, বুধবার
সই-জালের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দেন ঋতব্রত এবং সন্দীপন। তার ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এই পর্ব থেকেই পৃথক ব্লক তৈরির প্রস্তুতিও শুরু হয়ে যায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের মধ্যে। শুরু হয় ব্যাপক যোগাযোগ, ফোনালাপ এবং একাধিক গোপন বৈঠক, যা পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

২৮ মে, বৃহস্পতিবার
সই-কাণ্ডে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে রাজ্য সরকারের তদন্তকারী সংস্থা। যে ঘটনা তৃণমূল পরিষদীয়দলের অন্দরে তোলপাড় ফেলে দেয়।

৩০ মে, শনিবার
সোনারপুরে গিয়ে ‘আক্রান্ত’ হন অভিষেক। তাকে ঘিরে ধরে শারীরিক হেনন্থা করেন স্থানীয়রা। ছোড়া হয় ডিম, ঢিল। ছিঁড়ে যায় জামা, হাতের ফিটনেস ব্যান্ড। মাথায় হেলমেট পরা না-থাকলে আরো বড় কিছুও ঘটতে পারত। সেই ঘটনা নিয়ে সর্বভারতীয় স্তরের বিজেপি-বিরোধী নেতারা সরব হলেও তৃণমূলের হাতে গোনা জনপ্রতিনিধি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে প্রতিবাদ করেছিলেন। দল প্রতিবাদে নামার ডাক দিলেও মাঠে ময়দানে কাউকে সেভাবে দেখা যায়নি।

আরো পড়ুন
ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত

ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত

 

৩১ মে, রবিবার
২৮ মে থেকে যে ভাঙনের জয়গান শুরু হয়েছিল, তার প্রতিফলন দেখা যায় এই দিন মমতার বাড়িতে। ফের একবার জয়ী বিধায়কদের বৈঠকে ডেকেছিলেন তৃণমূলের সর্বময়নেত্রী। কিন্তু ৮০ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন সেখানে হাজির হন। ‘কোরাম’ না-হওয়ার কারণে বৈঠক বাতিল করে দিতে হয় তৃণমূলকে।

১ জুন, সোমবার
নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, সই জাল-কাণ্ডে ঋতব্রত এবং সন্দীপনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। ২৭ তারিখে যে তাঁরা চিঠি দিয়েছিলেন, তা চাপা ছিল। শুভেন্দু দু’জনের নাম বলে দিতেই পদক্ষেপ করে তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। তার পরে দেখা যায়, তারা মূল নিশানা করছেন ‘যুবরাজ’ অভিষেককে। সেই সূত্রেই বিদ্রোহী শিবিরের অন্দরে এই গোটা অভিযানের নামকরণ হয় ‘অপারেশন ক্রাউন প্রিন্স’।

আরো পড়ুন
নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পাচ্ছে ভারত

নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পাচ্ছে ভারত

 

২ জুন, মঙ্গলবার
তৃণমূলের দূত হয়ে দুই বিধায়ক কুণাল এবং অসীমা পাত্র বিধানসভায় গিয়ে ফের একটি চিঠি রেখে আসেন স্পিকারের সচিবালয়ে। অভিষেকের স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে ফের শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা, নয়না ও অসীমাকে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক করার দাবি জানানো হয়। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ভাবে কুণালদের চিঠি গ্রহণ করেনি স্পিকারের সচিবালয়। তারা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসেন। অন্য দিকে ঋতব্রতদের শিবিরে সমর্থন বাড়তে থাকে।

৩ জুন, বুধবার
সকাল ১০টা থেকে বিধানসভায় প্রবেশ করতে শুরু করেন তৃণমূল বিধায়কেরা। ৫৮ জনের স্বাক্ষরিত চিঠি স্পিকারের হাতে জমা দেন ঋতব্রত, সন্দীপনেরা। যেখানে ঋতব্রতকে বিরোধীদলনেতা হিসাবে মেনে নিয়েছেন বাকিরা। চার উপদলনেতার মধ্যে রয়েছেন জাভেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, সন্দীপন ও শিউলি সাহা। মুখ্যসচেতক করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। তার পরেই ঋতব্রত, সন্দীপনেরা চলে যান নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে। যেমনটা ঋতব্রত জানিয়েছিলেন ২২ মে। দিল্লির বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর। শুধু ঋতব্রতেরা নন। তাদের সঙ্গে না-থাকা নয়না, কুণাল, ববিরাও হাজির ছিলেন নবান্ন-বৈঠকে।

সূত্র: আনন্দবাজার

বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম
ফাইল ছবি : রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে কিছুটা স্বস্তির আভাস পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড ৬৭ সেন্ট (বা ০.৬৯%) কমে ৯৭.১৪ ডলারে নেমে এসেছে এবং ডব্লিউটিআই ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ৬২ সেন্ট (বা ০.৬৫%) কমে ৯৫.৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স বৃহস্পতিবারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা এবং হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাল্টা হামলার কারণে তেলের দাম প্রায় ২% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি চুক্তি সফল হওয়ায় সরবরাহ সংকট কেটে যাওয়ার আশায় দাম আবারও কমতে শুরু করেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ) জানিয়েছে, গত ২৯ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৮০ লাখ ব্যারেল কমে ৪৩ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা যেখানে মাত্র ৪০ লাখ ব্যারেল কমবে বলে আশা করেছিলেন, সেখানে মজুত দ্বিগুণ হ্রাস পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক সংস্থা ‘হাইতং ফিউচার্স’ এক নোটে জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত দ্রুত কমতে থাকায় এবং চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা বজায় থাকায় তেলের দাম আগামী দিনগুলোতে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা : এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক
ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা : এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বেকার্সফিল্ড শহরের একটি ব্যাংকে দীর্ঘ সময় ধরে জিম্মি পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এক ব্যক্তি এফবিআইয়ের অভিযানে নিহত হয়েছেন। বুধবার স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় জিম্মি থাকা সব ব্যক্তিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ড শহরে অবস্থিত বহুতল চেজ ব্যাংক ভবনের ভেতরে কয়েকজনকে জিম্মি করে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ওই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলটি লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার উত্তরে। প্রাথমিকভাবে বোমা হামলার হুমকির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছায়।

আরো পড়ুন
যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

 

পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মঙ্গলবার দুই জিম্মিকে মুক্ত করা হয়। পরে বুধবার অবশিষ্ট জিম্মিদেরও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বোমা হামলার হুমকি এবং কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিটি হল, পুলিশ সদর দপ্তর, আশপাশের কয়েকটি ভবন এবং একাধিক সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশের আলোচক দল টেলিফোনের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালায়। এ সময় বেকার্সফিল্ড পুলিশের সার্জেন্ট এরিক সেলেডন বলেন, জিম্মি সংকট নিরসনে ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পেল ভারত

নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পেল ভারত

 

তিনি জানান, সোয়াট টিম, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, কে-নাইন দল, গ্যাং ইউনিট, আলোচক দল এবং ড্রোন ইউনিটসহ সব বাহিনী ঘটনাস্থলে কাজ করছিল।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের বিশেষ জিম্মি উদ্ধারকারী দলও অভিযানে অংশ নেয়।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপ জিতিয়েও অধিনায়কত্ব হারালেন সূর্যকুমার

বিশ্বকাপ জিতিয়েও অধিনায়কত্ব হারালেন সূর্যকুমার

 

এদিকে চেজ ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের শাখা ভবনে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা অবগত ছিল এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছিল। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট শাখাটি খালি করা হয়েছিল।

ঘটনার বিষয়ে নজর রাখছিলেন বেকার্সফিল্ডের মেয়র ক্যারেন গো। তবে সন্দেহভাজনের পরিচয় ও ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র: বিবিসি

হজ্ব করতে টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক : সৌদি আরব | কালের কণ্ঠ