• ই-পেপার

বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের

হজ শেষে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৫

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৫

পবিত্র হজ পালন শেষে মোট ৬২টি ফিরতি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২৫ হাজার ৩৭৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এছাড়া এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৪ জন এবং মদিনায় ১১ জন ইন্তেকাল করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হজ-পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম পুরোদমে চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৫০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২২ হাজার ৮৭৭ জন রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ৭ হাজার ৮৯৬ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ৯ হাজার ৭৩০ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে দেশে পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে সৌদি আরব ছেড়েছেন আরো ৫১ জন হজযাত্রী।

হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে।

আরো পড়ুন
দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

 

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি হজযাত্রীর জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা শুরু হয় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট যায় ২১ মে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে অবস্থানরত হাজিদের চিকিৎসা ও সেবাদান কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে ৫৫ হাজার ২৮৬টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ১০০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

হজ বুলেটিনে জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ২৫১ জন হজযাত্রী। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন হাজি ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হজ মিশন, বিমান সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন শেষ ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

নতুন নির্দেশনা

দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

অনলাইন ডেস্ক
দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

রাজধানী ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তুলতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দিনের বেলায় দুই শিফটে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত করে ময়লা ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বুধবার (৩ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখা থেকে এক জরুরি চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ঢাকা মহানগরী নিশ্চিত করার জন্য মহানগরীর যাবতীয় ময়লা ও বর্জ্য যথাসময়ে অপসারণ করা দরকার। ঢাকা মহানগরীতে দিনের বেলায় সাধারণত জনসাধারণের ব্যাপক সমাগম ঘটে। তাই অধিকতর পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দিনের বেলায় দুই শিফটে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগপূর্বক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।

এমতাবস্থায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকল্পে ময়লা ও বর্জ্য অপসারণসহ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে দিনের বেলায় দুই শিফটে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

এ নির্দেশনার অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে স্থানীয় সরকার বিভাগের সরকারের যুগ্মসচিব (নগর উন্নয়ন অনুবিভাগ), স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর একান্ত সচিব, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় নির্বাচন

আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায় ইসি

অনলাইন ডেস্ক
আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায় ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে ঘোষণা করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার আইন-বিধি সংস্কার করা হবে। সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে হতে পারে স্থানীয় সরকারের অন্তত একটি নির্বাচন।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বৈঠক হয়। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অগাস্ট থেকে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করা এবং যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

কয়েক ধাপে হলেও কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে শুরু হবে তা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা, ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করলেও এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশন এখনো কোনো স্থানীয় সরকারের ভোট করেনি। এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচন করবে এ কমিশন।

সংস্কার কাজ গুছিয়ে কোন নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে বসবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই যথাসময়ে ভোট শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে অগাস্টে আমাদের তফসিল করতে হবে। সাধারণত এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা দিতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যে আইন-বিধি সংস্কার, নির্বাচনি সরঞ্জামের মজুদ, চাহিদাসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো মাস তিনেকের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরে সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ নিয়ে কি করা যায় আলোচনা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘কোন নির্বাচন আগে হবে তা নির্ভর করছে (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে। অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত ভোটের উপযুক্ত সময়; এরমধ্যে বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। যেহেতু স্থানীয় সরকারের সব স্তরে করতে হবে; বর্ষার সময়টা দেখে তফসিল করতে হবে আমাদের।’

সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন রুখে দিল বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তে বিএসএফের ১০ পুশইন রুখে দিল বিজিবি
বিজিবির সৌজন্যে

দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ১০টি পৃথক অবৈধ ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেন। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। এদিকে মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রায় ৩০-৩৫ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তের নিকট অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ জন ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১  ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ জন মুসলিম নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। বিজিবি সেখানে কঠোর অবস্থান ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ হরিপুর সীমান্তের বিপরীতে ৮৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কাকরমনি ক্যাম্পের টহলদল ২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বিজিবির সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি।

পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ জন ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তের বিপরীতে ভারতের মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানার চন্দনপার্ক নামক স্থানে ভারতীয় পুলিশ কর্তৃক স্থাপিত একটি হোল্ডিং সেন্টারে আটক ২২ জনকে পুশইনের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের তথ্য পাওয়া যায়। বিজিবি সেখানে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়ে।

এছাড়া নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ কচুগড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের মহাদেব থানার বলিশী গীতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫-২০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে একত্রিত করে রাখা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সীমান্তের একটি অংশে প্রাকৃতিক কারণে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় ওই এলাকা দিয়ে পুশইনের সম্ভাবনা বিবেচনায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।