• ই-পেপার

নতুন নির্দেশনা

দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ। ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ অফিসের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ঈদযাত্রা

১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জনের মৃত্যু

ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৮৩৭ জন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২২ জন

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরো পড়ুন
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

 

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। এ সময়ে শুধু ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হয়েছে। নিহত হয়েছেন ১২৪ জন। দুর্ঘটনায় ৩৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন। এ সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় ৫০৭ যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে বাস ৭৯, ট্রাক ৬১, কাভার্ডভ্যান ১১, পিকআপ ২৪, ট্রলি ৫, লরি ২, ড্রাম ট্রাক ৭, ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ১, গ্যাসবাহী লরি ১, মাইক্রোবাস ৫, প্রাইভেটকার ১১, অ্যাম্বুলেন্স ৪, পাজেরো জিপ ২, মোটরসাইকেল ১৫৭, থ্রি-হুইলার ৯৩ (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ১৮ (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র), প্যাডেল রিকশা-বাইসাইকেল ১২ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ১৪টি। 

হজ শেষে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৫

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ বাংলাদেশি যাত্রী, মারা গেছেন ৪৫

পবিত্র হজ পালন শেষে মোট ৬২টি ফিরতি ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২৫ হাজার ৩৭৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এছাড়া এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৯ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৪ জন এবং মদিনায় ১১ জন ইন্তেকাল করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হজ-পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম পুরোদমে চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরো পড়ুন
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হজ বুলেটিনের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৫০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২২ হাজার ৮৭৭ জন রয়েছেন।

এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ৭ হাজার ৮৯৬ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ৯ হাজার ৭৩০ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজিকে দেশে পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে সৌদি আরব ছেড়েছেন আরো ৫১ জন হজযাত্রী।

হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে।

আরো পড়ুন
দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

দিনে দুবার বর্জ্য অপসারণ করবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন

 

বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি হজযাত্রীর জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা শুরু হয় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট যায় ২১ মে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে অবস্থানরত হাজিদের চিকিৎসা ও সেবাদান কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে ৫৫ হাজার ২৮৬টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ১০০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

হজ বুলেটিনে জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ২৫১ জন হজযাত্রী। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন হাজি ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হজ মিশন, বিমান সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন শেষ ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

স্থানীয় নির্বাচন

আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায় ইসি

অনলাইন ডেস্ক
আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায় ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে ঘোষণা করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার আইন-বিধি সংস্কার করা হবে। সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে হতে পারে স্থানীয় সরকারের অন্তত একটি নির্বাচন।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বৈঠক হয়। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অগাস্ট থেকে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করা এবং যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

কয়েক ধাপে হলেও কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে শুরু হবে তা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা, ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করলেও এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশন এখনো কোনো স্থানীয় সরকারের ভোট করেনি। এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচন করবে এ কমিশন।

সংস্কার কাজ গুছিয়ে কোন নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে বসবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই যথাসময়ে ভোট শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে অগাস্টে আমাদের তফসিল করতে হবে। সাধারণত এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা দিতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যে আইন-বিধি সংস্কার, নির্বাচনি সরঞ্জামের মজুদ, চাহিদাসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো মাস তিনেকের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরে সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ নিয়ে কি করা যায় আলোচনা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘কোন নির্বাচন আগে হবে তা নির্ভর করছে (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে। অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত ভোটের উপযুক্ত সময়; এরমধ্যে বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। যেহেতু স্থানীয় সরকারের সব স্তরে করতে হবে; বর্ষার সময়টা দেখে তফসিল করতে হবে আমাদের।’