• ই-পেপার

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, কে কোন পদ পেলেন

যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম নয়ন

অনলাইন ডেস্ক
যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম নয়ন
রবিউল ইসলাম নয়ন। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। বুধবার (৩ জুন) আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন এই কমিটিতে রবিউল ইসলাম নয়ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রবিউল ইসলাম নয়ন মাঠপর্যায়ের একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন। তৃণমূল স্তর থেকে ছাত্রদলের রাজনীতি করে উঠে এসে তিনি যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতার ত্যাগ, লড়াই, সংগ্রাম ও দলের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তার হাতে নতুন দায়িত্ব তুলে দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মামলা, গ্রেপ্তার, জেল-জুলুম ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন সময়ে মাঠে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে তিনি আলোচনায় ছিলেন।

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, স্লোগান ও সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মধ্যে নিজের অবস্থান আরো শক্তিশালী করেন। দলের চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন নেতাদের একজন হিসেবে রবিউল ইসলাম নয়নের নাম বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে। নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়াকে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।

নতুন দায়িত্ব পেয়ে রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি কেন্দ্রীয় যুবদলকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
১৫১ সদস্যবিশিষ্ট যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল, সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ, সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী, সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান, সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু, সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান, সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম, সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল, সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার, সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন, সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল, সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য),  সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু, সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে), সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা।

আরো পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

 

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)।

সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ, সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন, সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান, সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি, সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল, সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন, সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ, সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ, সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম, সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ, সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক, সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না, সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা, সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন, প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার, সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন, সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন।

আরো পড়ুন
আদালতে সোহেল-স্বপ্না, যুক্তিতর্ক শুরু

আদালতে সোহেল-স্বপ্না, যুক্তিতর্ক শুরু

 

আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু, সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু, ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ, সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার, সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী, সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স, মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল, সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া, সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ।

সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান, সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার, সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বস, সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ, সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু, সদস্য মাহমুদুল করিম সজল, সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন, সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন, সদস্য ফখরুল বিন খালেক।

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ
সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী। বর্ধিত দাম প্রত্যাহার এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আজ এ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তরে  ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে গেটে বিক্ষোভ হবে। বুধবার দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। এ ছাড়া 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের জুলুম উল্লেখ করে বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করা সাধারণ মানুষের ওপর এক বড় ধরনের জুলুম। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তার ওপর বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী।

দলটির সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিইআরসির আদেশ অনুযায়ী পাইকারিতে গড় দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সঞ্চালন চার্জও প্রায় ২৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

সরকারের এমন সিদ্ধান্ত ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’, ‘গণবিরোধী’ ও ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ  জামায়াতে ইসলামী।
 

পদত্যাগের তিন দিন পর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পদত্যাগের তিন দিন পর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন
দীপেন দেওয়ান।

পাহাড়ের মানুষকে শান্ত, ধৈর্য ধারণ, আইনশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায়ের আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থেকে সদ্য পদত্যাগ করা দীপেন দেওয়ান। একইসঙ্গে তিনি কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও পাহাড়ে সম্প্রীতি সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।

পদত্যাগের তৃতীয় দিন বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টায় দীপেন দেওয়ান তার নিজের ব্যবহৃত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই বার্তা দেন। বার্তাটি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছেও পৌঁছে দেন তার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) আল-আমিন।

কালের কণ্ঠ পাঠকদের জন্য সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হল-

বার্তায় দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‌‘সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে আমার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি গভীরভাবে অবগত রয়েছি।’

‘আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল পাহাড়ি, বাঙালি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি যে, আপনারা শান্ত থাকুন, ধৈর্য ধারণ করুন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন। কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সবার। পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকল জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা।’

মন্ত্রিত্ব ত্যাগের পর নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‘আমি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি যে, আমার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার আদর্শ, দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা। আমি দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি।’

‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আমার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা। আমি জীবনের অবশিষ্ট সময়ও এই প্রিয় দল, এর আদর্শ এবং দেশের জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে যেতে চাই। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট রাখবো। এই দল আমি কখনো ত্যাগ করবো না।’

তিনি লিখেছেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; ব্যক্তি নয়, জনগণের কল্যাণই সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগণের কাছে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিভেদ নয়, প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু সংঘাত নয়।’

‘পরিশেষে বলতে চাই—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আমি পূর্ণ আস্থাশীল, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে চাই। আমি আবারও দীপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করছি—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আমার শেষ ঠিকানা।’