• ই-পেপার

তিন বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া ডাকআউটে দাঁড়ানো কোচ দালিচের পদত্যাগ

মেসিকে দুই রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে দুই রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস
ছবি : রয়টার্স

৩৯ বছরে পা দিয়েও ফুটবলে জাদু দেখাচ্ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার দুর্দান্ত খেলায় একপ্রকার উড়ে যাচ্ছে প্রতিপক্ষরা। সেই সাথে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন এই মেহাতারকা। এবার ফুটবলের রাজপুত্রকে আরো দুই রেকর্ডের স্বীকৃতি দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

বুধবার (৮ জুলাই) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করে সেই কৃতিত্বের কথা জানিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে জানিয়েছে, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলে সরাসরি অবদান রাখা ফুটবলার মেসি। গোল এবং অ্যাসিস্ট মিলিয়ে এই মুহূর্তে সর্ব্বোচ্চের তালিকায় শীর্ষে মেসি। 

এছাড়াও বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে গোল করা খেলোয়াড়ও তিনি। অর্থাৎ এই দুই নতুন কৃতিত্ব মেসির নামের সাথে জুড়ে দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

গিনেস কর্তৃপক্ষের তরফে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত মোট ২১ গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি। যা এক টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সাথে একটানা ৯ বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে আরেক বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিও।

প্রসঙ্গত, এমনিতেই এবারের বিশ্বকাপে সকলকে ছাপিয়ে এগিয়ে রয়েছেন লিও। প্রথম থেকে গতকাল অর্থাৎ মিশরের ম্যাচ পর্যন্ত প্রত্যেকটি ম্যাচে গোল করেছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা, গোটা ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি নিজেই। বর্তমানে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের বিশ্বকাপে গোলের সংখ্যা ২১। যদিও সেই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ রয়েছে এমবাপের হাতে। বর্তমানে ১৯ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আসন দখল করেছেন তিনি।

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ বিতর্কে জল ঢেলে দিলেন ফিফার প্রধান রেফারি

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ বিতর্কে জল ঢেলে দিলেন ফিফার প্রধান রেফারি
ফিফার প্রধান রেফারি পিয়েরলুইজি কোলিনা। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত কামব্যাকে ম্যাচ জয় ছাপিয়া আলোচনায় রেফারিং বিতর্ক। ম্যাচ  ফিক্সিংসহ রেফারিদের দায়িত্ব পালনে উঠেছে পক্ষপাতিত্বের মত গুরুতর অভিযোগ। আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ নিয়ে উঠা বিতর্কে কড়া বিবৃতি দিলেন ফিফার প্রধান রেফারি পিয়েরলুইজি কোলিনা। সব বিতর্কে জল ঢেলে স্পষ্ট জানালেন,  ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনও জায়গা ফুটবলে নেই।

ইনসাইড ফিফা ডট কমে দেওয়া পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনা ও মিসর ম্যাচের সবগুলো সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছেন দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই রেফারি। প্রতিটি ঘটনা পর্যালোচনা করে তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচে রেফারি কোনো ভুল করেননি।

বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিশিয়ালদের সততা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না। এমনটা হলে রেফারি ও তাঁদের পরিবারের প্রতি হুমকি আসার আশঙ্কা তৈরি হয়। এটা একেবারেই অনুচিত বলে যোগ করেন তিনি।

একইসঙ্গে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোর হস্তক্ষেপ তত্ত্বও খারিজ করেছেন তিনি। ইতালীয় কিংবদন্তির জোরালো দাবি, ‌ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত হয় না। খোদ ফিফা প্রেসিডেন্টও প্রভাব খাটান না। তিনি সবসময় আমাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন।'

টুর্নামেন্ট চলাকালীন নির্দিষ্ট কোনও ঘটনা নিয়ে সাধারণত মুখ খোলে না ফিফা। তবে মিসর-ম্যাচের বিতর্ক জমেছে গোটা ফুটবল বিশ্ব। বাধ্য হয়েই নিয়ম ব্যাখ্যার পথে হেঁটেছেন কোলিনা।

মূলত গোল হওয়ার আগে আক্রমণের সময় বল দখলের পর্ব নিয়ে বিস্তর বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এই বিষয়ে ফিফার প্রধান রেফারির মন্তব্য, ‌‘প্রতিটি গোল হওয়ার পর ভিএআর গোটা আক্রমণ পর্বটি খতিয়ে দেখে। গোল হওয়ার আগে বিল্ড-আপের সময় যদি কোনও ফাউল হয় এবং তার প্রভাব পড়ে, তবে ভিএআর অন-ফিল্ড রেফারিকে তা রিভিউয়ের নির্দেশ দেয়!’

প্রসঙ্গত, গোলের ঠিক কতক্ষণ আগে বা কত দূরে ফাউল হয়েছে, নিয়মে তার কোনও নির্দিষ্ট সময় বা দূরত্বের সীমা বাঁধা নেই।

মোস্তফা জিকোর একটি কাঙ্ক্ষিত গোল বাতিল করেছিল ভিএআর। সেই প্রসঙ্গ টেনে ফিফার প্রধান রেফারির স্পষ্ট ব্যাখ্যা, ‘মিশরের ১৯ নম্বর জার্সিধারী মারোয়ান আতিয়া পরিষ্কারভাবে আর্জেন্তিনার ৬ নম্বর লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পা মাড়িয়ে দেয়। আমাদের মতে ফাউল ফাউলই।’

মাঠে রেফারি যদি সেই ফাউল দেখতে না পান, ভিএআর অনায়াসে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ফাউলটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ মনে হলেও নিয়ম অনুযায়ী তা এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এই যুক্তিতে বাতিল হয় মিশরের গোল। রেফারি একদম নিয়ম মেনে সঠিক বাঁশি বাজান বলে জানান তিনি।

ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে পেনাল্টি পাননি মোহাম্মদ সালাহ। এই নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ দেখিয়েছে ফারাও শিবির। কিন্তু কোলিনার চোখে এই সিদ্ধান্তটিও একশো শতাংশ নির্ভুল। বিল্ড-আপে ফাউল না হলে ভিএআর রেফারিকে সেই মতোই পরামর্শ দেয় উল্লেখ করে কোলিনা বলেন, ‘বিপক্ষের কারো পায়ে মানে ফাউল। কিন্তু ডিফেন্ডার যদি আগে বল স্পর্শ করেন এবং তারপর ফুটবলের স্বাভাবিক নিয়মে শারীরিক সংস্পর্শ হয়, তবে তা ফাউল নয়।’

সালাহ এবং হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে ঠিক এটাই ঘটেছিল। রেফারি এবং ভিএআর একে ফুটবলের স্বাভাবিক শারীরিক লড়াই হিসেবে বিবেচনা করেছে।  সিদ্ধান্তে কিছুটা ‘ব্যক্তিনিষ্ঠতা’ থাকতে পারে। কিন্তু টুর্নামেন্ট জুড়ে নিয়মের এই সমতায় ফিফা পুরোপুরি সন্তুষ্ট বলে যোগ করেন ফিফার এই প্রধান রেফারি।

সিরিজ বাঁচাতে ২৪৮ রান করতে হবে বাংলাদেশকে

ক্রীড়া ডেস্ক
সিরিজ বাঁচাতে ২৪৮ রান করতে হবে বাংলাদেশকে
ইনিংসের প্রথম ওভারে উইকেট নেওয়ার পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন তাসকিনের (ক্যাপ ছাড়া)। ছবি : ক্রিকইনফো

সিরিজ বাঁচাতে হলে আজ জিততেই হবে বাংলাদেশকে। এমন বাঁচা-মরার ম্যাচে ২৪৮ রানের লক্ষ্য পেয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। 

হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভার শেষে ২৪৭ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বেন কারান। 

ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন কারান। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেছেন ১১১ রানের। অপরাজিত ইনিংসটিতে কোনো ছক্কা না হাঁকালেও ৯ চার মারেন বাঁহাতি ওপেনার।

ইনিংসের প্রথম ওভারে ওপেনিং সঙ্গী ব্রায়ান বেনেট আউট হলেও জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন কারান। ওভারের ৫ বলে বেনেটকে শূন্য রানে বোল্ড করে তাসকিন আহমেদ। সেই রেশ শেষ না হতেই নিজের ফিরতি ওভারের শেষ বলে ইনোসেন্ট কাইকেও ফেরান বাংলাদেশি পেসার।

তাসকিনের জোড়া উইকেটের উদযাপনে পরে যোগ দেন নাহিদ রানা ও মিরাজ। দুজনে একটি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের স্কোরবোর্ড করেন ৪ উইকেটে ৬৬ রান। সেখান থেকে স্বাগতিকদের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেন সিকান্দার রাজা ও কারান। দুজনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়েন।

ব্যক্তিগত ৩৩ রানে রাজাকে ফেরান অধিনায়ক মিরাজ। দ্রুতই নতুন ব্যাটার ক্লাইভ মাদান্দেকে (৪) আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। তবে সতীর্থ ব্র্যাড ইভান্সকে সঙ্গী করে কারান ঠিকই চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেন।

তাতে জিম্বাবুয়ের সবচেয় বড় জুটিও গড়েন ইভান্স-কারান। সপ্তম উইকেটে ৯৯ রানের অপরাজিত জুটি গড়েন তারা। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ৮৩ রান যোগ করে জিম্বাবুয়ে।

শুরু থেকে কারান অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করলেও বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন ইভান্স। আটে নেমে ১৫২.৬৩ গড়ে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। ইনিংসটি সাজিয়েছেন ২ চারের বিপরীতে ৫ ছক্কায়। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন-মিরাজ।

এর আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জয়ের দারুণ সুযোগ পেয়েও ২৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ১৪১ রান করলে ১১৬ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের জমজমাট লড়াইয়ে ৪ ফুটবলার

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের জমজমাট লড়াইয়ে ৪ ফুটবলার
ছবি : স্কাইস্পোর্টস

৪৮ দলের বর্ধিত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে জমে উঠেছে। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আরলিং হালান্ড এবং হ্যারি কেইন সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যথাক্রমে শীর্ষস্থানে রয়েছেন গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে। তৈরি হয়েছে এক অভূতপূর্ব ও রোমাঞ্চকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা। 

টুর্নামেন্টের শেষে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে এই বহু আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। যদি দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তখন গোলে কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছে বিবেচনায় নিয়ে পুরস্কারটি দেওয়া হয়। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়া

এরপরও যদি নিষ্পত্তি না হয় তখন মোট খেলার সময় বিবেচনা করা হবে এবং যিনি কম মিনিট খেলেছেন, তাঁকে প্রথম হিসেবে গণ্য করা হয়।

৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ মিসরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ গোল পান। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। তিনি ৫ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন, এর মাঝে একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে।

গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটজয়ী কিলিয়ান এমবাপ্পে ৭ গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট নিয়ে মেসির ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন। যদি গোলসংখ্যা সমান হয়, তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বেশি অ্যাসিস্ট করার কারণে এমবাপ্পেই এই মুহূর্তে টাইব্রেকারে এগিয়ে থাকবেন।

নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেই আরলিং হালান্ড নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে টেনে তুলেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে তিনি একাই জোড়া গোল করেন। এতে ৫ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ৭। এমবাপ্পের গোল সংখ্যা সমান হওয়ায় অ্যাসিস্ট বিবেচনায় পিছিয়ে রয়েছেন এই ম্যানসিটির তারকা। 

২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ী হ্যারি কেইন মেক্সিকোর বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ৬-এ নিয়ে গেছেন। এতে তার একটি  অ্যাসিস্টও রয়েছে। তিনি এই তালিকায় চতুর্থ নম্বরে আছেন। ইংল্যান্ডের এই অধিনায়ক যেকোনো মুহূর্তে বাকিদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখেন।

দল বর্ধিত এই বিশ্বকাপে ফাইনালিস্ট হলে ৮ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। যা এই গোলমেশিনদের জন্য এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (জাস্ট ফন্টেইনের ১৩ গোল) ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ফক্স স্পোর্টসের বেটিং অডস অনুযায়ী, তালিকায় এই মুহূর্তে মেসি (+১২০) এবং এমবাপে (+১৪০) সবচেয়ে ফেভারিট হিসেবে রয়েছেন।