• ই-পেপার

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার

চোটে মাঠের বাইরে ছিটকে গেলেন কোহলি

ক্রীড়া ডেস্ক
চোটে মাঠের বাইরে ছিটকে গেলেন কোহলি
ফাইল ছবি : রয়টার্স

ভারতের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আপাতত দেখা যাচ্ছে না বিরাট কোহলিকে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ছিটকে গিয়েছেন কোহলি। কয়েক দিন আগেই দ্বিতীয় বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কোহলি। ফাইনালে হয়েছেন ম্যাচের সেরা। কিন্তু আফগানিস্তান সিরিজে খেলতে পারবেন না তিনি।

১৩ থেকে ২০ জুন আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ খেলবে ভারত। সেখানেই দেখা যাবে না কোহলিকে। আইপিএল খেলতে গিয়ে কোহলির হ্যামস্ট্রিংয়ের লেগেছে, না এক দিনের সিরিজের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তিনি চোট পেয়েছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।

আইপিএলে ভাল ফর্মে ছিলেন কোহলি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.২৫ গড় ও ১৬৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ৬৭৫ রান করেছেন তিনি। ফাইনালে ম্যাচ জেতানো ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। সেই ফর্ম আফগানিস্তান সিরিজেও ধরে রাখতে চাইছিলেন তিনি। কিন্তু আপাতত খেলতে পারবেন না ভারতীয় ব্যাটার। 

এদিকে, আফগানিস্তান সিরিজের দলে থাকলেও রোহিত শর্মা ও হার্দিক পান্ডিয়াকে বেঙ্গালুরুতে বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে (সেন্টার অফ এক্সেলেন্স) যেতে হবে। সেখান থেকে ছাড়পত্র পেলে তবেই খেলতে পারবেন তারা। ফলে তাদের খেলা নিয়েও সংশয় রয়েছে। চোটের তালিকায় এ বার জুড়ল কোহলির নাম।

টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর আপাতত শুধু এক দিনের ক্রিকেট খেলেন কোহলি। তার লক্ষ্য ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ জিতে অবসর নেওয়া। তবে তার জন্য ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলতে হবে তাকে। ২০২৫ সালে দুর্দান্ত মৌসুম কেটেছে তার। ১৩ ম্যাচে ৬৫১ রান করেছেন তিনি। তিনটি শতরান ও চারটি অর্ধশতরান করেছেন। 

২০২৬ সালেও ফর্ম ধরে রেখেছেন কোহলি। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে ২৪০ রান করেছেন। একটি শতরান ও একটি অর্ধশতরান করেছেন তিনি। আপাতত কোহলির পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে তা ঘোষণা করেনি ভারতীয় বোর্ড। এর পর ১৪ থেকে ১৯ জুলাই ইংল্যান্ডের মাটিতে তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে ভারত। সেখানেও কোহলিকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

নির্বাচনে জিতলে হালান্ডকে রিয়ালে আনবেন রিকেলমে

ক্রীড়া ডেস্ক
নির্বাচনে জিতলে হালান্ডকে রিয়ালে আনবেন রিকেলমে
নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হালান্ড। ছবি : রয়টার্স

রিয়াল মাদ্রিদের আসন্ন সভাপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে বড়সড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছেন সভাপতি পদপ্রার্থী এনরিকে রিকেলমে।

স্প্যানিশ টেলিভিশন অনুষ্ঠান এল হরমিগুয়েরোতে অংশ নিয়ে রিকেলমে ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে তার প্রধান লক্ষ্য হবে ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হালান্ডকে রিয়াল মাদ্রিদে নিয়ে আসা।

আরো পড়ুন
মেসিহীন আর্জেন্টিনার একাদশে খেলবেন কারা

মেসিহীন আর্জেন্টিনার একাদশে খেলবেন কারা

 

শুধু হালান্ডই নন, স্পেন ও ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার রদ্রিকেও দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার।

রিকেলমে বলেন, ‘আমি যদি রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি হই, তাহলে হালান্ড এবং রদ্রি হবে আমার তারকা সাইনিং।’

রিয়ালের ভবিষ্যৎ প্রকল্পে এই দুই খেলোয়াড়কে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন তিনি। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে বিবেচিত হালান্ডকে নিয়ে বিভিন্ন ক্লাবের আগ্রহ রয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আরো একটি গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে বর্তমান সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ নির্বাচনে জয়ী হলে পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনহোকে আবারও রিয়ালের দায়িত্বে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরো পড়ুন
হেক্সা জিতে ব্রাজিলকে গর্বিত করতে চান থিয়াগো

হেক্সা জিতে ব্রাজিলকে গর্বিত করতে চান থিয়াগো

 

এমনকি মরিনহো নাকি ইতোমধ্যে এমন কয়েকজন খেলোয়াড়ের তালিকাও তৈরি করেছেন, যাদের তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখছেন না।

তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে হলে আগে শেষ হতে হবে রিয়াল মাদ্রিদের বহুল আলোচিত সভাপতি নির্বাচন।

আর্দা-ইলদিজের যাদুতে ‘ডার্ক হর্স’ তকমা ঝেড়ে ফেলতে চায় তুরস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্দা-ইলদিজের যাদুতে ‘ডার্ক হর্স’ তকমা ঝেড়ে ফেলতে চায় তুরস্ক

দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচেছে। ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে তৃতীয় হয়েছিল যে দলটি, সেই তুরস্ক দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে আবারও বিশ্বমঞ্চে। রোমানিয়া ও কসোভোকে প্লে-অফে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনের বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে তারা।

ফুটবলপাড়ায় প্রতি বড় টুর্নামেন্টেই তুরস্কের গায়ে সেঁটে দেওয়া হয় ‘ডার্ক হর্স’ তকমা। তবে ইতালিয়ান কোচ ভিনসেনজো মন্তেল্লার অধীনে এবার তারা স্রেফ কালো ঘোড়া হয়ে থাকতে রাজি নয়। কারণ, তুর্কি ডাগআউটে এবার আছেন এমন দুই ‘তরুণ সিংহ’, যারা একাই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চুরমার করে দিতে পারেন। তারা আর কেউ নন—আর্দা গুলের এবং কেনান ইলদিজ। 

দুজনেরই বয়স ২১ বছর। ২০২৪ ইউরোতে টিনএজার হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পেছনে ভূমিকা রাখলেও, এবারের ক্লাব মৌসুমে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই দুই তারকা।

রিয়াল মাদ্রিদে প্রথম মৌসুমে বেঞ্চে বসে ধৈর্য ধরতে হয়েছিল গুলেরকে। তবে ২০২৫-২৬ মৌসুমে এসে তার সেই ধৈর্যের ফল মিলেছে হাতেনাতে। গত মৌসুমে যেখানে মাত্র ১৮ ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন, সেখানে এবার রিয়ালের হয়ে ৪০টি ম্যাচে স্টার্টার হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিনি। মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে (জানুয়ারিতে) কোচ চাবি আলোনসো রিয়াল ছাড়লেও, নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনেও নিজের জায়গা ধরে রাখেন গুলের।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই মৌসুমে ৫১ ম্যাচে ২০টি গোল কন্ট্রিবিউশন (৬ গোল ও ১৪ অ্যাসিস্ট) করেছেন এই তুর্কি সেনসেশন। শুধু তাই নয়, গুলের দেখিয়েছেন দূরপাল্লার শটেও তিনি কতটা নিখুঁত। মার্চে এলচের বিপক্ষে মাঝমাঠের দূর থেকে অবিশ্বাস্য এক গোল করার পর, এপ্রিলে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে গোল করেন তিনি। পরে সেই ম্যাচেই কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ারকে পরাস্ত করে এক দারুণ ফ্রি-কিক গোলও করেন তিনি।

লা লিগায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সমান সর্বোচ্চ ৭০টি সুযোগ তৈরি করেছেন গুলের, আর ৯টি অ্যাসিস্ট নিয়ে তিনিই দলের সেরা জোগানদাতা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ডিফেন্সিভ লাইন ভেঙে পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে জোশুয়া কিমিচ (২২) ও লামিন ইয়ামালের (১৭) পরেই ছিল গুলেরের অবস্থান (১৬টি পাস)। তার বাঁ পায়ের জাদুতে এবার বুঁদ হতে পারে বিশ্বকাপ।

এদিকে তুরিনোর ‘তুর্কি স্টার’ কেনান ইলদিজ। নামের অর্থ ‘তারকা’, আর মাঠেও ঠিক তারকার মতোই দ্যুতি ছড়াচ্ছেন জুভেন্টাসের কেনান ইলদিজ। গুলের যেখানে বাঁ পায়ে অতিমাত্রায় নির্ভরশীল, ইলদিজ সেখানে দুই পায়েই সমান পারদর্শী।

২০২৫-২৬ মৌসুমে জুভেন্টাসের হয়ে সব মিলিয়ে ২০টি গোল কন্ট্রিবিউশন (১১ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট) করেছেন তিনি। ইতালিয়ান সিরি-আ’র প্রথম ১৫ ম্যাচে ৫ গোল করে জুভেন্টাসের হয়ে ইতিহাস গড়েছেন, যা গত ৫০ বছরে ক্লাবটির হয়ে ২১ বছর বয়সের আগে করতে পেরেছিলেন কেবল ইলদিজের শৈশবের নায়ক আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো। 

এছাড়া প্রথম বিদেশি অনুর্ধ্ব-২১ খেলোয়াড় হিসেবে জুভেন্টাসের হয়ে এক মৌসুমে দুই অঙ্কের ঘরের গোল ছোঁয়ার অনন্য রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

ড্রিবলিং আর ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে ইলদিজ কতটা ভয়ঙ্কর, তা নিয়ে কোচ মন্তেল্লা বলেন, ‘ওকে মাঠ থেকে তোলাই যায় না। ও সবার আগে অনুশীলনে আসে। ওয়ান-অন-ওয়ানে ও বিধ্বংসী, প্রতিপক্ষ ওর থেকে বল কাড়তেই পারে না।’

ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগের মধ্যে মাইকেল অলিসের (৭৯) পর ইলদিজই সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছেন (৭৬টি)। উইং ধরে তার গতি এবং ড্রিবলিং (৭৮টি সফল ড্রিবল) প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন হতে বাধ্য।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও এই দুই তরুণের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। ওপেন প্লে থেকে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১২টি সুযোগ তৈরি করেছেন ইলদিজ, আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯টি করেছেন গুলের। বাছাইপর্বে ইলদিজের পা থেকে এসেছে ৩টি গোল, আর গুলেরের ৪টি অ্যাসিস্ট ছিল দলের যৌথ সর্বোচ্চ।

তুরস্ক দলে হয়তো এই মুহূর্তে বিশ্বমানের কোনো স্ট্রাইকার বা ‘নাম্বার নাইন’ নেই। তবে মন্তেল্লার ৪-৩-৩ ফর্মেশনে দুই উইঙ্গে যখন আরদা গুলের এবং কেনান ইলদিজ থাকবেন, তখন স্ট্রাইকার পজিশনে যেই খেলুন না কেন, বলের জোগান নিয়ে ভাবতেই হবে না।

যদিও ইলদিজের সাম্প্রতিক ইনজুরি ও উত্তর মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে না খেলা কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে, তবে কোচ মন্তেল্লা আশাবাদী বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই এই তারকাকে পাওয়া যাবে। গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে এবং স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। শক্তির বিচারে এই গ্রুপ থেকে নক-আউট পর্বে যাওয়া তুরস্কের জন্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়। 

সব রেকর্ড ভেঙে রোনালদোসহ ‘৭ বুড়ো’ খেলবেন বিশ্বকাপে

ক্রীড়া ডেস্ক
সব রেকর্ড ভেঙে রোনালদোসহ ‘৭ বুড়ো’ খেলবেন বিশ্বকাপে
ছবি : রয়টার্স

‘বয়স তো কেবলই একটি সংখ্যা’—পুরোনো প্রবাদটিকেই যেন আরো একবার সত্য প্রমাণ করতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাবে একঝাঁক বুড়ো হাড়ের ভেলকি। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। 

মাঠের লড়াইয়ে গতির ঝড় তুলতে যেখানে তরুণদের প্রাধান্য, সেখানে অভিজ্ঞতার ডালি সাজিয়ে এবারের বিশ্বমঞ্চ কাঁপাতে আসছেন ৪০ বা তার বেশি বয়সী সাতজন ‘চিরতরুণ’ ফুটবলার। মজার বিষয়, বিশ্বকাপ শুরুর পর সব আসর মিলিয়ে ৪০ বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের সংখ্যাই ছিল মাত্র ৮।

এই তালিকায় সবচেয়ে বড় আকর্ষণ পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সে এসে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলার অনন্য এক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন সিআর-সেভেন। তবে তিনি নন, এবারের আসরের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ফুটবলার হতে যাচ্ছেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন। ৪৩ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকই হতে যাচ্ছেন ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্কটল্যান্ডের পোস্ট সামলানোর মূল ভরসা তিনিই।

এরপরই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মহাতারকার বয়স ৪১ হলেও ধার কমেনি এতটুকু। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে বুটজোড়া পরা নিশ্চিত করেছেন এই ফরোয়ার্ড।

এদিকে লুকা মদরিচের বয়স ৪০ হলেও ক্রোয়াট মাঝমাঠের আসল ইঞ্জিন এখনো তিনিই। আগের দুই বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে ও সেমিফাইনালে তোলা এই জাদুকর আরো একবার শেষ সুযোগ লুফে নিতে মরিয়া।

আধুনিক ফুটবলের ‘সুইপার-কিপার’ খ্যাত জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার। এই ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক আরো একটি বিশ্বকাপ অভিযানে দলের জাল অক্ষত রাখার দায়িত্ব পেয়েছেন।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ৪০ বছর বয়সী তারকা এডিন জেকো দলের আক্রমণভাগের প্রধান সেনাপতি। নিজের চওড়া কাঁধে ভর করে দেশের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দেবেন এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার।

বিশ্বকাপ এলেই যেন অতিমানব হয়ে ওঠেন মেক্সিকোর ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়া। স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ডাক পেয়ে ইতিহাস ছুঁতে যাচ্ছেন ওচোয়া।

নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দের অন্যতম বড় ভরসা ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোঝিনহা। 

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার | কালের কণ্ঠ