• ই-পেপার

রংপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পণ্যসামগ্রী দিয়ে দোকানিকে সহায়তা

নবজাতকের আগমন উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা উপহার

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নবজাতকের আগমন উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা উপহার
ছবি: কালের কণ্ঠ

নবজাতকের আগমন উপলক্ষে পরিবারকে গাছের চারা উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখা। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে নবজাতকের পরিবারের হাতে এসব চারা তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের উত্তর শিবপুর তেলিপাড়া গ্রামের মো. মিনহাজুল ইসলাম মিঠু ও মোছা. জান্নাতুন মাওয়া মিম দম্পতির ঘরে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। দিনাজপুর সদরের ডে-নাইট হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুটি তাদের প্রথম সন্তান।

নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী শাখার সদস্যরা ওই পরিবারের বাড়িতে গিয়ে পাঁচটি গাছের চারা উপহার দেন। চারাগুলোর মধ্যে ছিল নিম, মেহগনি, আম, কাঁঠাল ও লেবু গাছ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের ফুলবাড়ী প্রতিনিধি আনোয়ার সাদাত মন্ডল, ইউপি সদস্য ছাইদুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন, প্রচার সম্পাদক হাসানুর, মোস্তাকিম, সদস্য সোহানুর রহমান সোহাগ, জিসানুর রহমান জীবন, রাসেল, রিপন ও কৃষ্ণ রায়।

আনোয়ার সাদাত মন্ডল বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য, যার প্রধান উৎস গাছ। গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, খাদ্য, ওষুধ, কাঠসহ নানা প্রয়োজন পূরণ করে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবনের জন্য বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, নবজাতকের জন্মের সঙ্গে গাছের চারা উপহার দেওয়ার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিশুর সঙ্গে গাছও বেড়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে তা পরিবেশ ও পরিবারের জন্য মূল্যবান সম্পদে পরিণত হবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি সোহেল রানা বলেন, প্রতিটি নবজাতকের নামে গাছের চারা উপহার দেওয়ার উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশুর সঙ্গে গাছও বেড়ে উঠবে এবং একসময় তা পরিবারের জন্য সম্পদে পরিণত হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন বলেন, শিশুর জন্ম যেমন পরিবারের জন্য আনন্দের, তেমনি গাছের চারা রোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও প্রকৃতির জন্য আশার প্রতীক। আমরা চাই প্রতিটি শিশুর জন্ম একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে থাকুক।

ইউপি সদস্য ছাইদুর রহমান বলেন, এমন একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

এ সময় নবজাতকের দাদা মো. আইনুল ও দাদি মোছা. মুক্তারা বেগম বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, উপহার পাওয়া চারাগুলো যত্নসহকারে রোপণ ও পরিচর্যা করবেন, যাতে সন্তানের সঙ্গে গাছগুলোও বড় হয়ে ভবিষ্যতে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়।

গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে বসুন্ধরা শুভসংঘের ‘অনুভবে বর্ষা’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সে বসুন্ধরা শুভসংঘের ‘অনুভবে বর্ষা’
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাইরে টুপটাপ বৃষ্টি, আকাশজুড়ে ধূসর মেঘের আনাগোনা। বর্ষার স্নিগ্ধ আবহে গান, কবিতা, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণে মুখর হয়ে উঠল গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স। বসুন্ধরা শুভসংঘের কলেজ শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘অনুভবে বর্ষা’।

বুধবার (২২ জুলাই) কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গের মাধ্যমে বর্ষার সৌন্দর্য ও অনুভূতি তুলে ধরা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স শাখার সভাপতি মুসলেমিনা সুলতানার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাবণ্য মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগীত, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণাসহ বিভিন্ন পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে লাবণ্য মল্লিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বর্ষার দিনে’ আবৃত্তি করেন। এরপর শঞ্চিতা সেতু পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’। তাঁর পরিবেশনায় বর্ষার আবেগ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

আবৃত্তি পর্বে রুদাবা আনসারী পরিবেশন করেন ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’। এরপর লামিয়া সানজিদা পরিবেশন করেন ‘যাও বলো তারে, মেঘের ওপারে’ এবং আফিয়া সাড়া খান পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার গান ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে’।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘বর্ষার স্মৃতিচারণ’ পর্ব। এতে সভাপতি মুসলেমিনা সুলতানা বর্ষাকে ঘিরে তাঁর জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত সদস্যরাও নিজেদের অনুভূতি ভাগাভাগি করেন।

পরে লাবণ্য মল্লিক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’ আবৃত্তি করেন। নারী জাগরণ, সাহস ও আত্মমর্যাদার বার্তা বহনকারী এ পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে ‘পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে’ এবং ‘এই মেঘলা দিনে একলা’ গান পরিবেশন করেন। সমবেত সংগীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বর্ষাকে ঘিরে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে লামিয়া সানজিদা, নাঈমা ইসলাম, তানিয়া তানজি, লামিয়া রওশন, জাকিয়া সুলতানা, নুরে জান্নাত, রাজমিন সুলতানা, সালমা হোসেন ইমু, আফনান নাবিলা, শাহানাজ পারভীন, সায়েবা সিদ্দিকী, মাহাবুবা মিতা, ফাহমিদা আঞ্জুম উনাইসা, আফিয়া সাড়া খান, বিপাশা বিথী, রুকাইয়া নাজাত, আফরিন নাহার নিঝু, শিমা রাণী সাহা, রুদাবা আনসারী, শঞ্চিতা সেতুসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা জানান, সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা, সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতেও সংগঠনটি কাজ করছে। ‘অনুভবে বর্ষা’ তারই ধারাবাহিক আয়োজন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গাজীপুরে তরুণদের নিয়ে আলোচনাসভা

অনলাইন ডেস্ক
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গাজীপুরে তরুণদের নিয়ে আলোচনাসভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ‘সমাজসেবায় তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গাজীপুরের রাজদিঘীর পাড়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সংগঠনের সদস্য, স্থানীয় তরুণ-তরুণী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।

আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. ইমরান হোসেন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘তরুণরাই একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্ভাবনা। একটি মানবিক, সচেতন ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে প্রত্যেক তরুণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখার ইভেন্ট সম্পাদক আরিফুল ইসলাম রাকিব বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে কাজ করার মধ্য দিয়েই একজন তরুণ প্রকৃত নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে পারে। শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক রুবেল হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা কিংবা যেকোনো মানবিক সংকটে তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুর্যোগ মোকাবেলা, ত্রাণ বিতরণ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আলোচনাসভায় অংশগ্রহণকারীরা সমাজসেবার বিভিন্ন দিক, তরুণদের দায়িত্ববোধ, স্বেচ্ছাসেবার গুরুত্ব এবং সামাজিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, তরুণদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং স্বেচ্ছাসেবার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতামূলক আলোচনা ও কার্যক্রমের বিকল্প নেই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গাজীপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক তানজিনা আক্তার জেরিন, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল বিপ্লব, ইভেন্ট সম্পাদক আরিফুল ইসলাম রাকিব, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক রুবেল হোসেন, কার্যকরী সদস্য আনিকা তাবাসসুম, সিয়াম, আসলাম শিকদার রিফাত, মিথিলা, ইমা, সুমাইয়া, বিথী, রিমাসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

সভায় বক্তারা সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের আরা বেশি সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন, দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচনাসভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, মানবিক সহায়তা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ছবি : কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ সাভার উপজেলা শাখার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সাভার শিশু একাডেমি স্কুলের অধ্যক্ষ ও বসুন্ধরা শুভসংঘ সাভার উপজেলা শাখার সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান।

উপজেলা শাখা সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম পিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাভার বাজার রোড ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ওবায়দুর রহমান অভি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শোয়েব খান, সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেখা আক্তার, বসুন্ধরা শুভসংঘ সাভার উপজেলা শাখার উপদেষ্টা অমর চাঁদ মণ্ডল, সাভার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম, সমাজসেবক মো. উজ্জ্বল হাসান জীবন, সহকারী শিক্ষক খালেদ মজুমদার, ব্যবসায়ী মো. আব্দুল মোতালেব, মো. সেলিম হোসেন এবং মো. বাহাদুর মিয়া।

এ ছাড়া বসুন্ধরা শুভসংঘ সাভার উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মো. ফয়সাল আহমেদ স্বাধীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন ও মো. জিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফারজানা মিতু, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ারুল হক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হায়দার আলী রেজা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. লিয়াকত আলী সরকার, ইভেন্ট বিষয়ক সম্পাদক শাকিরুন নেছা মীম, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তারিন আক্তার, সদস্য ফারহানা আহমেদ ফিজা ও মো. শেখ জুলহাসসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু ওষুধ বা ফগার মেশিনের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা ও কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে এডিস মশার প্রজনন রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ পরিবার ও প্রতিবেশীদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।

পরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। এ সময় জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ, মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।