• ই-পেপার

১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে নিষেধাজ্ঞা আনছে ভিয়েতনাম

চালকবিহীন খনির যান বিদেশে বিক্রি বাড়াতে চায় চীনের সিডি

অনলাইন ডেস্ক
চালকবিহীন খনির যান বিদেশে বিক্রি বাড়াতে চায় চীনের সিডি
ছবিঃ রয়টার্স

চীনের স্বয়ংচালিত খনির যন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিডি চলতি বছর বিদেশে তাদের ব্যবসা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারেও নতুন চুক্তির চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

এক সাক্ষাৎকারে সিডির প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট হু বলেন, আগামী বছর প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশি বাজার থেকে আসবে বলে তারা আশা করছেন।

খনিশিল্পে শ্রমিকের প্রয়োজন কমানো, জ্বালানি খরচ হ্রাস এবং নিরাপত্তা বাড়াতে সিডি চালকবিহীন ট্রাক ও অন্যান্য স্বয়ংচালিত যন্ত্র তৈরি করছে। শুধু ট্রাক নয়, বিস্ফোরক বহন এবং ড্রিলিংয়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য রোবটও তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের কিছু ট্রাকে ইতিমধ্যে রোবোটিক বাহুও যুক্ত করা হয়েছে।

সিডি নিজে ট্রাক তৈরি করে না। তারা খনির মালিকদের কাছে সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি বিক্রি করে। আর ট্রাক ও অন্যান্য যন্ত্র তৈরি করে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।

২০২৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সিডির আয় গত বছর দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৮৮৪ কোটি ৮০ লাখ ইউয়ানে পৌঁছেছে।

বর্তমানে চালকবিহীন খনির ট্রাক ব্যবহারে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটির প্রায় ১০ শতাংশ খনির ট্রাক এখন চালক ছাড়াই চলাচল করে। সিডির প্রযুক্তিতে পরিচালিত ১ হাজার ৭০০টির বেশি যানবাহন বর্তমানে চীনের ৩০টি খনি ও পাথর উত্তোলন কেন্দ্রে কাজ করছে। একজন অপারেটর দূর থেকে প্রায় ১০০টি ট্রাক একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

এদিকে বিস্ফোরক বহনকারী রোবট চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এবং ড্রিলিং রোবট আগামী বছরের শুরুতে চালুর পরিকল্পনা করেছে সিডি। প্রথমে এগুলো চীনের শানসি ও ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের খনিতে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন অংশীদারও খুঁজছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্য প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল ওপেনএআইয়ের এআই

অনলাইন ডেস্ক
অন্য প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল ওপেনএআইয়ের এআই
ছবিঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এবার পরীক্ষামূলক একটি সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নের সময় ওপেনএআইয়ের দুটি উন্নত এআই মডেল অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশ করেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের সংবাদমাধ্যম দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্সপ্লয়েট জিম নামে একটি নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা পরীক্ষায় ওপেনএআইয়ের এআই মডেলগুলোকে বিভিন্ন সাইবার দুর্বলতা খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাস্তব পরিস্থিতিতে মডেলগুলো কিভাবে কাজ করে, তা দেখতে পরীক্ষার সময় কিছু নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছিল।

এ সময় দুটি এআই মডেল নিজ থেকেই ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেস–এর পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশ করে। সেখানে তারা চুরি হওয়া লগ ইন তথ্য ব্যবহার, অতিরিক্ত অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা এবং অজানা নিরাপত্তা ত্রুটি খুঁজে বের করার মতো বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে।

তবে হাগিং ফেস জানিয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত বিষয়টি শনাক্ত করে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে এআই মডেলগুলোর কার্যক্রম থামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়নি। প্ল্যাটফর্মের প্রকাশ্য এআই মডেল বা সফটওয়্যার সেবাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

ওপেনএআই জানিয়েছে, এটি ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত একটি গবেষণা ও নিরাপত্তা পরীক্ষা। ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী এআই মডেল বাস্তব পরিস্থিতিতে কিভাবে কাজ করতে পারে এবং কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তা বোঝার জন্যই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে আরো শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এআইকে নিরাপদ রাখতে কার্যকর নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার গুরুত্বও নতুন করে সামনে এসেছে।

চীনের দুই চিপ নির্মাতার দাপট, চাপে হুয়াওয়ে-অ্যাপলও

অনলাইন ডেস্ক
চীনের দুই চিপ নির্মাতার দাপট, চাপে হুয়াওয়ে-অ্যাপলও
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারণে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই সুযোগে চীনের দুই প্রতিষ্ঠান সিএক্সএমটি ও ওয়াইএমটিসি এখন শুধু চিপ সরবরাহই করছে না, বরং নিজেরাই দাম নির্ধারণ করছে। এমনকি চীনের প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়েকেও বেশি দামে চিপ কিনতে বাধ্য করেছে সিএক্সএমটি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিএক্সএমটি সম্প্রতি টিকটকের মালিক বাইটড্যান্সের সঙ্গে পাঁচ বছরের ৭০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের চুক্তি করেছে। এর আগে টেনসেন্টের সঙ্গেও ৩০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের আরেকটি চুক্তি করে প্রতিষ্ঠানটি।

একসময় সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল এই দুই প্রতিষ্ঠান এখন বিশ্বের বড় মেমোরি চিপ নির্মাতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। সিএক্সএমটি আগামী দিনে উৎপাদন আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রনকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

তবে তাদের অগ্রযাত্রায় বড় বাধা হতে পারে উন্নত চিপ তৈরির যন্ত্রপাতির ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা। বর্তমানে তারা ডাচ কোম্পানি এএসএমএলের কম উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্র ব্যবহার করছে, ফলে অত্যাধুনিক চিপ তৈরিতে এখনো দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে কয়েক বছর পিছিয়ে রয়েছে।

এআইয়ের চাহিদা বাড়ায় চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করছে ইন্টেল-এএমডি

অনলাইন ডেস্ক
এআইয়ের চাহিদা বাড়ায় চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করছে ইন্টেল-এএমডি
ছবি : রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে সার্ভার প্রসেসরের চাহিদা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুই শীর্ষ চিপ নির্মাতা ইন্টেল ও এএমডিচীনের গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি করছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এআই ডেটা সেন্টারের সংখ্যা বাড়ায় শুধু এনভিডিয়ার জিপিইউ নয়, সার্ভারে ব্যবহৃত সিপিইউয়ের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এসব সিপিইউ সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং ও এআই সেবা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন চুক্তিতে সাধারণত কত পরিমাণ চিপ কেনা হবে, তা আগে থেকেই নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে দাম আগেই ঠিক করা হচ্ছে না। বেশির ভাগ চুক্তির মেয়াদ এক বছর, যদিও কিছু গ্রাহকের সঙ্গে দুই বছর বা তার বেশি সময়ের চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে।

এআইচালিত চাহিদা বাড়ায় চীনে সার্ভার সিপিইউর দামও দ্রুত বাড়ছে। কিছু পণ্যের দাম এ বছর ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আবার কিছু সিপিইউর দাম মাসে ১০ শতাংশেরও বেশি বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে রয়টার্স জানায়, ইন্টেল ও এএমডি চীনের গ্রাহকদের সতর্ক করেছিল যে কিছু সার্ভার প্রসেসর পেতে ছয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সার্ভার সিপিইউর এই সংকট চীনের ক্লাউড সেবা ও ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের গতি কমিয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে তাদের খরচও বাড়বে।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্ভার বাজারগুলোর একটি হলো চীন। দেশটিতে দ্রুত ডেটা সেন্টার, এআই কম্পিউটিং ক্লাস্টার এবং জাতীয় কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তোলায় ইন্টেল ও এএমডির প্রসেসরের চাহিদা আরো বেড়ে চলেছে।