অপরাধ স্বীকার করে কি ভুলই করলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায় স্বীকার করায় এবার বড় শাস্তিই যে পেতে যাচ্ছেন তিনি।
আগামী ১৮ আগস্ট মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সেদিন অস্ট্রেলিয়ার আইন অনুযায়ী ওয়ার্নারের সর্বোচ্চ ৯ মাস জেল হতে পারে। সঙ্গে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারও গুনতে হতে পারে বাঁহাতি ওপেনারকে। এ ছাড়া কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞাও পেতে পারেন তিনি।
ওয়ার্নারের দোষ স্বীকারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তার আইনজীবী ববি হিল। গত মে মাসে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটারের পক্ষে আদালতে দোষ স্বীকার করা আইনজীবী বলেন, ‘ওয়ার্নার জানে সে যা করেছে তা ভুল ছিল। নিজের ভুল এবং বোকার মতো সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে সে। গাড়ি চালানোর বদলে তার অ্যাপ ক্যাবে আসা উচিত ছিল।’
গত এপ্রিলে সিডনিতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ ওঠে ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে। বন্ধুর বাড়িতে মদ্যপান করে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষার জন্য মারুব্রা থানায় নেওয়া হয়। সেখানেই ধরা পড়ে, রক্তে যতটা অ্যালকোহলের মাত্রা থাকার কথা তার চেয়ে দ্বিগুণ পাওয়া গেছে। এরপরেই নিজের অপরাধ স্বীকার করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
নিজের অপরাধ স্বীকার করার সাহস অবশ্য এবারই প্রথম দেখালেন না ওয়ার্নার। এর আগে ২০১৮ সালের কেপটাউন টেস্টের ‘স্যান্ডপেপার’ কেলেংকারির দোষ স্বীকার করেছিলেন তিনি। সেই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছর নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি। সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাও কেড়ে নেওয়া হয় তার। পরে অবশ্য সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তবে এবার বিগ ব্যাশের দল সিডনি থান্ডার পিএসএলের দল করাচি কিংসের নেতৃত্ব হারাতে পারেন ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিদায় বলা ওয়ার্নার।




