• ই-পেপার

শিল্পকলায় রুনা লায়লার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান আজ

আন্দোলনে পুলিশের ভ্যান থামিয়ে ভাইরাল হওয়া কে এই মডেল?

বিনোদন ডেস্ক
আন্দোলনে পুলিশের ভ্যান থামিয়ে ভাইরাল হওয়া কে এই মডেল?
সংগৃহীত ছবি

ভারতের নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মুম্বাইয়েও রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। আর সেই আন্দোলনের মাঝেই পুলিশের ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ২৭ বছর বয়সী অভিনেত্রী ও মডেল রিয়া আহির।

মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্ক এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই ভ্যানটির সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন রিয়া। 

তিনি দাবি জানান, আটক শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। মুহূর্তেই সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এক রাতের মধ্যেই রিয়া পরিণত হন আলোচিত এক মুখে।

Just women leading from the front. More power to you Rhiya Ahir. This is  truly one of the defining image from the protests

দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী সেই রাতের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে রিয়া বলেন, ‘সে রাতে আমি একটানা জেগে ছিলাম। এক মুহূর্তের জন্যও ঘুমাইনি। ২৩শে জুলাই ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আমি জেগে ছিলাম।’

রিয়ার দাবি, পুলিশের কাছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আটক করার কোনো বৈধ নির্দেশ ছিল না। 

তিনি বলেন, ‘আমি যখন পুলিশকে জিজ্ঞেস করলাম যে ভ্যানে থাকা ওই বাচ্চাদের আটক করার কোনো নির্দেশ তার কাছে আছে কি না, তিনি ইতস্তত করছিলেন। তখনই আমি বুঝলাম যে আমাকে কিছু একটা করতে হবে। আটক হওয়া এক প্রতিবাদকারী মেয়ের হাত ধরে ভ্যানটির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াটা বিপজ্জনক ছিল। তাই আমি সহজাত প্রবৃত্তিতেই ভ্যানটির সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।’

রিয়ার এই পদক্ষেপের পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আশপাশে থাকা আরও অনেক তরুণ-তরুণী তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান। তারা একসঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন।

Who is Rhiya Ahir? Model goes viral blocking Mumbai police van

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে রিয়া জানান, সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি শিবাজী পার্কের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন দেখতে পান, আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষার্থীকে একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মনে হয়েছিল, অকারণেই তাদের আটক করা হচ্ছে। তাই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই তিনি ভ্যানটির সামনে গিয়ে দাঁড়ান।

পুলিশের ভ্যান থামিয়ে দেওয়ার সেই ছবি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। আকস্মিক এই পরিচিতি প্রসঙ্গে রিয়া বলেন, তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এক ফৌজি পরিবার থেকে এসেছি। আমার বাবা সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন এবং তিনি এই প্রতিবাদে আমার অংশগ্রহণকে পুরোপুরি সমর্থন করেন। আমাদের তরুণদের সাথে যা ঘটছে, তার সাথে তিনি একমত নন।’

প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে রিয়া বলেন, ‘আমি কেবল আমার মতামত জানাতে ও আমার অধিকার প্রয়োগ করতে চেয়েছিলাম, এবং সারাদেশে চলমান এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হতে চেয়েছিলাম—শুধু দিল্লি বা মুম্বাইয়ে নয়, সর্বত্র। আমি যা করেছি, তা করতে আমাকে যা অনুপ্রাণিত করেছিল, তা হলো এই উপলব্ধি যে পুলিশ যা করছিল তা বেআইনি এবং তা সহ্য করা উচিত নয়।’

Rhiya Ahir: The 27 YO Who Stopped A Mumbai Police Van - Rediff.com

নিজেকে আন্দোলনের নায়ক হিসেবে দেখতে নারাজ রিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি কল্পনাতেও ভাবিনি যে আমাকে এমন একজন হিসেবে চিত্রিত করা হবে যিনি একটি পুরো আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী। এই পুরো অভিজ্ঞতা আমাকে সম্মানিত ও বিনয়ী করেছে। মানুষ আমাকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে তুলনা করছে, এবং এটা আমি মেনে নিতে পারি না। তাঁরা বুকে গুলি খেয়েছিলেন। আমি কোনো স্বাধীনতা সংগ্রামী নই। কিন্তু আমি সেদিন শহীদ হতে প্রস্তুত ছিলাম। এমনকি যদি তারা আমাকে গাড়ি চাপা দিত, তাহলেও আমি খুশি হতাম। ভগত সিং যেমন বলেন, সমাজে যা কিছু ঘটছে তা যদি আপনাকে ক্রুদ্ধ না করে, তবে আপনি ভারতীয় নন।’

ঘটনার পর নিজের ইনস্টাগ্রামেও ভাইরাল হওয়া ছবিটি শেয়ার করেন রিয়া।

রিয়া আহির পেশায় অভিনেত্রী, মডেল, উপস্থাপক ও উদ্যোক্তা। বিনোদন অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে সরব থাকার জন্যও তিনি পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা। অনলাইনে রিয়া আহির নামে পরিচিত হলেও তাঁর পারিবারিক নাম রিয়া যাদব। তিনি যাদব পরিবারের চার ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয়। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। 

সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আলোচিত সিনেমা

বিনোদন প্রতিবেদক
সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আলোচিত সিনেমা
সংগৃহীত ছবি

দেশের সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নতুন চমক নিয়ে এসেছে স্টার সিনেপ্লেক্স। আজ (২৪ জুলাই) থেকে পর্দায় একযোগে মুক্তি পেয়েছে চারটি ভিন্ন ঘরানার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র। হরর, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, অ্যানিমেশন এবং থ্রিডি কনসার্ট ফিল্ম—সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার আয়োজন করেছে দেশের অন্যতম মাল্টিপ্লেক্স চেইনটি।

মুক্তিপ্রাপ্ত চারটি সিনেমা হলো—‘এভিল ডেড বার্ন’, ‘প্যাসেঞ্জার’, ‘টাইম হোপার্স : দ্য সিল্ক রোড’ এবং ‘বিলি আইলিশ-হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট : দ্য ট্যুর’।

বিশ্বখ্যাত ‘এভিল ডেড’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তি ‘এভিল ডেড বার্ন’ পরিচালনা করেছেন সেবাস্তিয়ান ভানিচেক। স্যাম রাইমি ও রব ট্যাপার্ট প্রযোজিত এই অতিপ্রাকৃত হরর ছবিতে অভিনয় করেছেন সুহেইলা ইয়াকুব, হান্টার ডুহান ও লুসিয়ান বুকানন। স্বামীর মৃত্যুর পর এক তরুণীর নির্জন বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগোয় গল্প। তবে ‘বুক অব দ্য ডেড’-এর অভিশপ্ত শক্তি জেগে ওঠার পর পারিবারিক পুনর্মিলন ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।

সাইকোলজিক্যাল হররধর্মী ‘প্যাসেঞ্জার’ পরিচালনা করেছেন আন্দ্রে ওভ্রেডাল। জ্যাকব সিপিও, লু লোবেল ও মেলিসা লিও অভিনীত ছবির গল্পে দেখা যায়, ভ্যানে করে রোড ট্রিপে বের হওয়া এক দম্পতি পথিমধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হন। আহত এক ব্যক্তিকে সাহায্য করার পর থেকেই তাদের জীবনে নেমে আসে রহস্যময় আতঙ্ক। এক অদৃশ্য অতিপ্রাকৃত সত্তার মুখোমুখি হয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামই ছবির মূল আকর্ষণ।

পরিবার ও শিশু-কিশোর দর্শকদের জন্য রয়েছে অ্যানিমেটেড সায়েন্স ফিকশন ‘টাইম হোপার্স : দ্য সিল্ক রোড’। ২০৫০ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ছবিটিতে ‘আকলি একাডেমি’র চার মেধাবী শিক্ষার্থী টাইম-ট্রাভেলের মাধ্যমে চলে যায় ৮২৫ খ্রিস্টাব্দের বাগদাদে। সেখানে ইতিহাস ও বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ রক্ষায় তাদের এক রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

সংগীতপ্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ ‘বিলি আইলিশ-হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট : দ্য ট্যুর’। কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের থ্রিডি প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কনসার্ট ফিল্মে উঠে এসেছে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা বিলি আইলিশের ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট’ বিশ্বভ্রমণের ম্যানচেস্টার কনসার্ট। অত্যাধুনিক চিত্রগ্রহণ ও ডলবি সাউন্ড প্রযুক্তির সমন্বয়ে দর্শকদের জন্য এটি হতে পারে কনসার্টের এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা।

একযোগে চারটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র মুক্তির বিষয়ে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া বিভাগের প্রধান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের দর্শকদের একদম নতুন এবং আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই দিনে রোমাঞ্চ, ভয়, বিজ্ঞান এবং মিউজিকের এই রকম দুর্দান্ত কম্বিনেশন স্টার সিনেপ্লেক্সে আগে কখনো আসেনি। আমরা আশা করি দর্শক তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এক অবিশ্বাস্য সিনেম্যাটিক সপ্তাহ কাটাবেন।’

সাফল্যের শীর্ষে ‘দ্য ওডিসি’, নোলানের নতুন মাইলফলক

অনলাইন ডেস্ক
সাফল্যের শীর্ষে ‘দ্য ওডিসি’, নোলানের নতুন মাইলফলক

আমেরিকার দেশীয় বক্স অফিসে ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’-র দাপট অব্যাহত রয়েছে। মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মাথায় ছবিটি আয় করে নিয়েছে ১৮১.৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ের তুলনামূলক বিচারে ছবিটি নোলানের আগের ব্লকবাস্টার ‘ওপেনহাইমার’-কে প্রায় ৫৪ শতাংশ পেছনে ফেলে দিয়েছে

ছবিটি গত বুধবার (২২ জুলাই) আয় করেছে ১৮.০৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্য দিয়ে নোলানের ক্যারিয়ারে দেশীয় বক্স অফিসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের বুধবারের রেকর্ড গড়েছে ‘দ্য ওডিসি’। এর আগে ২০০৮ সালে ‘দ্য ডার্ক নাইট’ ১৮.৩ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১২ সালে ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’ ১৩.৭৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। ২০২৩ সালের অস্কারজয়ী ছবি ‘ওপেনহাইমার’ মুক্তির প্রথম ছয় দিনে আয় করেছিল ১১৭.৮ মিলিয়ন ডলার, যার শেষ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় মোট আয় দাঁড়ায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার। তবে ‘দ্য ওডিসি’ শুরু থেকেই সেই হিসাবকে পেছনে ফেলে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে।

হোমারের অমর মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত ইউনিভার্সাল পিকচার্সের এই ছবিটি দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে ৬১ থেকে ৭৪ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে বলে ধারণা করছেন বক্স অফিস বিশ্লেষকরা। যদি তা হয়, তবে ছবিটি নোলানের কালজয়ী সুপারহিরো ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য ডার্ক নাইট’ (৭৫.১ মিলিয়ন) কিংবা ‘ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর (৬২.১ মিলিয়ন) দ্বিতীয় সপ্তাহের আয়কেও পেছনে ফেলে দিতে পারে।

নতুন লুকে জনসমক্ষে জনি ডেপ, মুগ্ধ অনুরাগীরা

অনলাইন ডেস্ক
নতুন লুকে জনসমক্ষে জনি ডেপ, মুগ্ধ অনুরাগীরা

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো কমিক-কনে ভিন্ন রূপে ধরা দিয়ে ভক্তদের চমকে দিলেন হলিউড তারকা জনি ডেপ। প্যারামাউন্ট পিকচার্সের আসন্ন চলচ্চিত্র ‘এবেনেজার’-এ নিজের চরিত্র ‘এবেনেজার স্ক্রুজ’-এর পূর্ণাঙ্গ সাজে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে তিনি সেখানে সৃষ্টি করেন এক জাদুকরী পরিবেশ।

আগামী নভেম্বরে পেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে টি ওয়েস্ট পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘এবেনেজার’। সিনেমার প্রচারণার অংশ হিসেবে গ্যাস ল্যাম্প এলাকার ‘স্ক্রুজ অ্যান্ড মার্লি’ নামক একটি দোকানের সামনে দুপুর আড়াইটার দিকে হাজির হন জনি ডেপ। তবে ভক্তরা তাকে এক ঝলক দেখার জন্য দুপুর ১২টা থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করেছিলেন। ৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের চমৎকার বিকেলে ক্রিসমাস ক্যারল গায়কদের পারফর্ম্যান্সের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকায় বড়দিনের আমেজ তৈরি করা হয়। মেকআপ, কালো কোট আর টপ হ্যাট পরে হুবহু ‘স্ক্রুজ’ চরিত্রে রূপ নেন জনি ডেপ। ভিড়ের উদ্দেশ্যে চরিত্রের কর্কশ গলায় রসিকতা করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো কাজ নেই? মনে হচ্ছে প্রচুর অবসর সময় আছে!’

যদিও পুরো আয়োজনটি সারপ্রাইজ হিসেবে রাখা হয়েছিল, তবুও কিছু ভক্ত জনি ডেপের জনপ্রিয় চরিত্র ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ ও ‘ম্যাড হ্যাটার’-এর পোশাক (কসপ্লে) পরে সেখানে এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কিছু সময় হালকা ঠাট্টা-মশকরা ও স্কিটে মেতে ওঠেন ডেপ। প্রায় আধঘণ্টা ধরে নিজের দুর্দান্ত অভিনয়ে উপস্থিত সবাইকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন এই বিশ্বখ্যাত তারকা।