• ই-পেপার

চালকবিহীন খনির যান বিদেশে বিক্রি বাড়াতে চায় চীনের সিডি

এআই নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্ব, বাড়ছে নতুন শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
এআই নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্ব, বাড়ছে নতুন শঙ্কা
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এমন সময়ে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা বিরোধ নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই দ্বন্দ্ব দুই দেশের মধ্যে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যৌথ কাজের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি চীনের এআই প্রতিষ্ঠান মুনশট–এর বিরুদ্ধে মেধাস্বত্ব চুরি এবং রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ারও সতর্কবার্তা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া মার্কিন কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন, চীনের কিছু প্রতিষ্ঠান উন্নত মার্কিন চিপ অবৈধভাবে ব্যবহার করে এআই মডেল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কি না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই যত উন্নত হচ্ছে, ততই এটি সাইবার হামলাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর কাজে ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই এআই নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অভিন্ন নীতিমালা তৈরি করা এখন আগের চেয়ে বেশি জরুরি।

এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাকেও ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সম্প্রতি ওপেনএআইয়ের একটি পরীক্ষামূলক এআই মডেল অন্য প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশের ঘটনাও এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী এআই মডেলের ঝুঁকি মোকাবেলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

তবে চীনের অনেক এআই প্রতিষ্ঠান এখনো নিরাপত্তার চেয়ে মডেলের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রেও উন্নত এআই মডেল বাজারে আনার আগে আরো কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি উঠছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি নিরাপদ রাখতে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অন্য প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল ওপেনএআইয়ের এআই

অনলাইন ডেস্ক
অন্য প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল ওপেনএআইয়ের এআই
ছবিঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এবার পরীক্ষামূলক একটি সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নের সময় ওপেনএআইয়ের দুটি উন্নত এআই মডেল অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশ করেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের সংবাদমাধ্যম দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্সপ্লয়েট জিম নামে একটি নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা পরীক্ষায় ওপেনএআইয়ের এআই মডেলগুলোকে বিভিন্ন সাইবার দুর্বলতা খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাস্তব পরিস্থিতিতে মডেলগুলো কিভাবে কাজ করে, তা দেখতে পরীক্ষার সময় কিছু নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছিল।

এ সময় দুটি এআই মডেল নিজ থেকেই ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেস–এর পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশ করে। সেখানে তারা চুরি হওয়া লগ ইন তথ্য ব্যবহার, অতিরিক্ত অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা এবং অজানা নিরাপত্তা ত্রুটি খুঁজে বের করার মতো বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে।

তবে হাগিং ফেস জানিয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত বিষয়টি শনাক্ত করে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে এআই মডেলগুলোর কার্যক্রম থামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়নি। প্ল্যাটফর্মের প্রকাশ্য এআই মডেল বা সফটওয়্যার সেবাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

ওপেনএআই জানিয়েছে, এটি ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত একটি গবেষণা ও নিরাপত্তা পরীক্ষা। ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী এআই মডেল বাস্তব পরিস্থিতিতে কিভাবে কাজ করতে পারে এবং কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তা বোঝার জন্যই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে আরো শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এআইকে নিরাপদ রাখতে কার্যকর নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার গুরুত্বও নতুন করে সামনে এসেছে।

১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে নিষেধাজ্ঞা আনছে ভিয়েতনাম

অনলাইন ডেস্ক
১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে নিষেধাজ্ঞা আনছে ভিয়েতনাম
ছবিঃ রয়টার্স

ভিয়েতনাম সরকার ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা, মন্তব্য করা এবং অন্যের পোস্টে প্রতিক্রিয়া (রিঅ্যাক্ট) দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করছে। এ বিষয়ে একটি খসড়া ডিক্রি তৈরি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট অভিভাবক বা আইনগত অভিভাবকের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। পাশাপাশি শিশু কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে এবং কত সময় সামাজিক মাধ্যমে কাটাচ্ছে, তা তদারকির দায়িত্ব থাকবে অভিভাবকের।

 

এ ছাড়া সামাজিক মাধ্যমগুলোকে প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুর বয়স শনাক্ত করতে হবে, বয়স উপযোগী কনটেন্ট দেখাতে হবে এবং শিশুদের জন্য সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সহিংসতা, পর্নোগ্রাফি, জুয়া, মাদক, আত্মহত্যা ও অন্যান্য ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত করে সতর্কতা দেওয়া এবং সেগুলোর প্রবেশাধিকার বন্ধ করার ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

ভিয়েতনামের উপ-সংস্কৃতিমন্ত্রী ফান তাম বলেন, শিশুদের সামাজিক মাধ্যম থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা নয়, বরং তারা যেন নিরাপদ ও বয়স উপযোগী পরিবেশে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারে, সেটিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শুধু সামাজিক মাধ্যম নয়, অনলাইন গেমেও নতুন বিধি-নিষেধ আনার পরিকল্পনা করছে দেশটি। প্রস্তাব অনুযায়ী, গেম কম্পানিগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করতে হবে এবং ১৬ বছরের কম বয়সীদের প্রতিদিন একই প্রতিষ্ঠানের গেম সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট খেলার সুযোগ দিতে হবে।

এ খসড়া ডিক্রি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অনুমোদনের আগে এতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।

চীনের দুই চিপ নির্মাতার দাপট, চাপে হুয়াওয়ে-অ্যাপলও

অনলাইন ডেস্ক
চীনের দুই চিপ নির্মাতার দাপট, চাপে হুয়াওয়ে-অ্যাপলও
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারণে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই সুযোগে চীনের দুই প্রতিষ্ঠান সিএক্সএমটি ও ওয়াইএমটিসি এখন শুধু চিপ সরবরাহই করছে না, বরং নিজেরাই দাম নির্ধারণ করছে। এমনকি চীনের প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়েকেও বেশি দামে চিপ কিনতে বাধ্য করেছে সিএক্সএমটি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিএক্সএমটি সম্প্রতি টিকটকের মালিক বাইটড্যান্সের সঙ্গে পাঁচ বছরের ৭০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের চুক্তি করেছে। এর আগে টেনসেন্টের সঙ্গেও ৩০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের আরেকটি চুক্তি করে প্রতিষ্ঠানটি।

একসময় সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল এই দুই প্রতিষ্ঠান এখন বিশ্বের বড় মেমোরি চিপ নির্মাতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। সিএক্সএমটি আগামী দিনে উৎপাদন আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রনকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

তবে তাদের অগ্রযাত্রায় বড় বাধা হতে পারে উন্নত চিপ তৈরির যন্ত্রপাতির ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা। বর্তমানে তারা ডাচ কোম্পানি এএসএমএলের কম উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্র ব্যবহার করছে, ফলে অত্যাধুনিক চিপ তৈরিতে এখনো দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে কয়েক বছর পিছিয়ে রয়েছে।