• ই-পেপার

বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি চাইলে সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি চাইলে সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি চাইলে সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন। স্বাস্থ্যগত অথবা যে কোনো কারণে সেটা করার অপশন আছে। তবে আমরা সেটা জানি না।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। ঘটনা যদি হয়, তাহলে আমরা দেখবো।’

এসময় সাংবাদিকরা বলেন, ‘বিষয়টি গুঞ্জন না, গণমাধ্যমে এসেছে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাহলে আপনারা রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। আর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কিছু বলা হচ্ছে না। আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন এবং গুঞ্জন শুনছেন সেটা আমিও শুনেছি।
 

বালাইনাশক খাত আধুনিকায়নে ১৯ সদস্যের কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
বালাইনাশক খাত আধুনিকায়নে ১৯ সদস্যের কমিটি

বালাইনাশক খাতকে যুগোপযোগী করতে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। আগামী তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নতুন একটি পলিসি গাইডলাইন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বালাইনাশকের আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও গুণগতমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যমান আইন, নিবন্ধন, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো, গবেষণাগারের কার্যক্রম এবং মনিটরিং ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে খাতটিকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

এ ছাড়া কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা ও পরিবেশ খাতের বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

কমিটির সদস্যরা বিদ্যমান বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়ন, বালাইনাশক খাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবেন। প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের কো-অপ্ট করতে পারবে।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদ চারণ সাংস্কৃতিককেন্দ্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদ চারণ সাংস্কৃতিককেন্দ্রের
সংগৃহীত ছবি

ঝিনাইদহের প্রবেশমুখে স্থাপিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নিখিল দাস ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবার এবং ঝিনাইদহের প্রগতিশীল রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকেই উৎসাহিত করবে।

তারা আরো বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন ও ভাস্কর্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাদের অভিযোগ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।

বিবৃতিতে জেলা প্রশাসনের প্রতি ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে বর্তমান স্থানে যানজট ও জনদুর্ভোগ নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে যথাযথ সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পূর্ণাঙ্গ অবয়ব সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা : ইসি

অনলাইন ডেস্ক
স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা : ইসি

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘শুধু রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের স্পিকারের রেফারেন্স বা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন 

তিনি বলেন, ‘দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি বিতর্কিত বিষয়। স্পিকার আমাদের কাছে বিষয়টি রেফার করলে বিরোধ (ডিসপিউট) পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ ধরনের ঘটনায় আইনি দিক ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, 'দল থেকে বহিষ্কার করলে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার সুযোগ নেই। তবে কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়। স্পিকার আমাদের রেফার করলে বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, দুপুর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো চিঠি ইসিতে পৌঁছেনি। শুধু দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরো বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কমিশন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।’

সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন।

এরপর বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় মজলিসে শূরার সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম।