চট্টগ্রাম থেকে কাজের কথা বলে ডেকে এনে হাত-পা বেঁধে চোখ, কপাল ও বুকে আঘাত এবং বুকে ও পুরুষাঙ্গে তামার তার পেঁচিয়ে নির্যাতন করে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রাখা হয় গাজীপুরের একটি ধানক্ষেতে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রায় ২১ মাস পর আসামি মো. নাজমুল হোসেনকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় গাজীপুর পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
এর আগে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নাজমুলকে ঢাকার আশুলিয়ার জিরানী বাজার এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাজমুল হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পিবিআই জানায়, ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর বিকেলে কাজের কথা বলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন নাঈম মাঝি। পাঁচ দিন পর গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার সামান্তপুর এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার হাত-পা বাঁধা ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআইয়ের এসআই জামিল উদ্দিন রাশেদ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে নাজমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার জানান, নাঈমকে কীভাবে চট্টগ্রাম থেকে গাজীপুরে আনা হয়, কেন তাকে হত্যা করা হয়, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ও কত জন হত্যায় অংশ নিয়েছিল, সেসব বিষয়ে তদন্ত চলছে। নাজমুলকে গ্রেপ্তারের পর বেশ কিছু চাঞ্চল্যকার তথ্য পাওয়া গেছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত হত্যারহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে।






