• ই-পেপার

বৃষ্টি ও বন্যার সতর্কবার্তায় যা বলা হয়েছে

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, সবচেয়ে দুর্বল আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ৯৭তম

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, সবচেয়ে দুর্বল আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ৯৭তম

মাত্র ২০ বছরেই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। অনেকের কাছে স্বপ্নের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন আর সবচেয়ে শক্তিশালী নয়। মঙ্গলবার প্রকাশিত পাসপোর্ট র‌্যাঙ্কিংএ সবার ওপরে আছে সিঙ্গাপুর। ২০০৬ সালে প্রকাশিত প্রথম সূচকে ডেনমার্ক আর ফিনল্যান্ডের সাথে শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন তাদের অবস্থান দশম। তালিকায় দশম হলেও যুক্তরাষ্ট্রের আগে আছে আরো ৩৬টি দেশের পাসপোর্ট। র‌্যাঙ্কিংএ বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। আর সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্ট আফগানিস্তানের। 

কোন দেশের পাসপোর্টে ভিসা ছাড়া কয়টি দেশ ভ্রমণ করা যায়, তার ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশ করে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট এবং ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করে। ২০০৬ সাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স।  এবার প্রকাশিত হলো তাদের ২০তম সূচক। ২০০৬ সালে সূচকটি যখন প্রথম যাত্রা শুরু করে, তখন বিশ্বব্যাপী একটি পাসপোর্টের মাধ্যমে গড়ে মাত্র ৫৮টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা পাওয়া যেত। গত ২০ বছরে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এই গড় দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১০৮টি দেশে উন্নীত হয়েছে।

বাংলাদেশের পাসপোর্টে বিশ্বের ৩৫টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমন করা যায়। বাংলাদেশের সাথেই আছে নিষেধাজ্ঞা জর্জরিত উত্তর কোরিয়া। বাংলাদেশের চেয়ে দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় আছে নেপাল (৩৪), সোমালিয়া (৩২), ইয়েমেন (৩০), পাকিস্তান (২৯), ইরাক (২৮), সিরিয়া (২৫)। সবার নিচে আছে আফগানিস্তান। তালেবান শাসিত দেশটির পাসপোর্টে মাত্র ২২টি দেশ ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের চেয়ারম্যান ক্রিশ্চিয়ান এইচ. কেলিন বলেছেন, ‘বিশ বছরের তথ্য-উপাত্ত দেখায় যে, পাসপোর্টের ক্ষমতা হলো একটি দেশের ভূ-রাজনৈতিক পুঁজির অন্যতম স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।’ কেলিন বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টগুলোর অধিকারী সেইসব রাষ্ট্র; যাদের অন্য দেশগুলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা বা সহযোগিতার জন্য অংশীদার হিসেবে পেতে চায়। মূলত অন্যান্য দেশগুলো আপনার সাথে তাদের সম্পর্ককে কতটা মূল্যায়ন করে, ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা হলো তারই একটি পরিমাপ।’

এবারের সূচকে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। তাদের নাগরিকরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। ২০০৬ সালে প্রকাশিত প্রথম সূচকের চেয়ে এ সংখ্যা ৭০টি বেশি। একবিংশ শতাব্দীর চমক সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের সাফল্য অবাহত রেখেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আরব আমিরাত যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। এ তিনটি দেশের পাসপোর্টে ১৮৮টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়। ২০০৬ সালের তুলনায় জাপানের পাসপোর্টে যুক্ত হয়েছে ৬০টি নতুন দেশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ৭৩, আর দুই দশকে আরব আমিরাতকে নতুন ১৫৩টি দেশ ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা দিচ্ছে।

সূচকে তিন নাম্বারে আছে সুইডেন (১৮৭)। ২০০৬ সালের প্রথম সূচকে তাদের অবস্থান ছিল দ্বিতীয় (১২৯)। তালিকার চার নাম্বারে আছে ১১টি দেশ- বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনলান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। সবার ভিসা মুক্ত গন্তব্য ১৮৬ দেশে।
২০০৬ সালে একাদশ অবস্থানে থাকা মাল্টা উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে। তবে তাদের সাথে আরো আছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। পঞ্চম স্থানে থাকা এই ৫টি দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ১৮৫ দেশে যেতে পারে। 

১৮৪ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা নিয়ে তালিকার ৬ নাম্বারে আছে হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য। ৭ নাম্বারে আছে ৮টি দেশ- লাতভিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক রিপাবলিক, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, কানাডা ও নিউজিল্যান্ড। এই দেশগুলোর  ভিসামুক্ত সুবিধা আছে ১৮৩ দেশে। ১৮২ দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে ক্রোয়েশিয়া আর এস্তোনিয়া আছে ৮ নাম্বারে। লিথুনিয়া আর লিখটেনস্টাইনের অবস্থান নবম, এই দুই দেশের পাসপোর্টে ১৮১টি দেশে যাওয়া যায় ভিসা ছাড়াই।  আর ১৮০ দেশে ভিসা মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা নিয়ে দশম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সাথে আছে আইসল্যান্ড।

গত দুই দশকে সব দেশের পাসপোর্টেই ভিসামুক্ত সুবিধায় নতুন নতুন দেশের নাম যুক্ত হয়েছে। তবে বর্তমানে সূচকের ৭৭তম অব স্থানে থাকা বলিভিয়া দুই দশকে ৬টি দেশের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা হারিয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এক লাখ ডলার অনুদান দিল চীন

অনলাইন ডেস্ক
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এক লাখ ডলার অনুদান দিল চীন
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে এক লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে চীনের রেড ক্রস সোসাইটি। বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যালয়ে এক আয়োজনে অনুদান চেক হস্তান্তর করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের ঢাকায় পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বেইজিং। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে জোরদার করা প্রয়োজন। কেননা এটা বাংলাদেশের মানুষের জীবনরক্ষার প্রশ্ন। এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি চীনের জনগণ আন্তরিকভাবে সমবেদনা অনুভব করছে।’

ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তা আমরা একযোগে কাজ করছি। এটা আমাদের সহযোগিতা ও আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের যতক্ষণ নাগাদ সহায়তা প্রয়োজন, চীন তা করে যাবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেন, ‘চীন আমাদের বিশ্বস্ত বন্ধু। চীনের সংহতি প্রকাশে আমাদের কৃতজ্ঞতা। এই সহায়তা স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণে কাজ করব আমরা।’

অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. রফিকুল কবির, কোষাধ্যক্ষ ডা. আবু মোফাখখারুল ইসলাম রানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ ইসির

বাসস
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ ইসির
সংগৃহীত ছবি

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বর্তমানে আবেদন, বায়োমেট্রিক ও তদন্ত শেষে নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও নতুন ব্যবস্থায় বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি আপলোড করা হবে।

আজ বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের ব্যাপার ছিল টু স্টেপ। প্রবাসীরা ফরম জমা দেওয়া এবং বায়োমেট্রিক দেওয়ার পরে আমাদের কাছে তদন্তে আসত। তদন্ত সম্পন্ন করার পরে সেটা আপলোড হতো। এখন আমরা বলছি, আপনারা আপলোড করে দেবেন বায়োমেট্রিকটা। আমরা এখানে তদন্তে যথার্থতা পেলে এখান থেকে অ্যাপ্রুভাল দিয়ে দেব। এতে একটি স্টেপ কমে যাবে।’

ইসি সচিব বলেন, ভোটার এলাকা (মাইগ্রেশন) পরিবর্তনের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সেবার জন্য নির্ধারিত সংশোধন ফি নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ১৫ বছর পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে পরিবারের সদস্যদের তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) দেওয়ার বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে, যাতে তথ্যের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা যায়।

তিনি বলেন, জেএসসি, এসএসসি বা অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষার সনদে উল্লেখ থাকা জন্মতারিখের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা সংশোধনের ক্ষমতা পাবেন।

ইসি সচিব জানান, ‘আমরা এখন ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য। আর যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। আর তার আগ পর্যন্ত এটা ডরমেন্টে থাকে।’
 
তিনি বলেন, ‘এই ডেটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়, সেটা নিয়ে আরো কিছু পর্যালোচনার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এটা এসএসসি, ক্লাস এইট, নাকি প্রাইমারি এনরোলমেন্ট— যেটাই হোক না কেন এ বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ইসি সচিব জানান, বর্তমানে এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে করা হয়। এখন যাদের পাবলিক পরীক্ষার সনদে (জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি) জন্মতারিখ রয়েছে, সেই তথ্যের ভিত্তিতে সংশোধনের কাজ মাঠপর্যায় থেকেই করা হবে।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এডিপি বড় ভূমিকা রাখে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এডিপি বড় ভূমিকা রাখে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এবং গতি সঞ্চারে এডিপি বড় ভূমিকা রাখে। এটি ঠিকমতো হলে দেশি-বিদেশি নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি হবে।

বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৫টি।

পরে ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেশকিছু প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, আইএমইডি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পিডি (প্রকল্প পরিচালক) নিয়োগের নীতিমালার খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে। এগুলো শেষ হলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্দেশিকা তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে চালাতে সাহায্য করবে। নতুন সরকারের মেয়াদের অল্প সময়েও পুরনো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে আইনি বা নীতিগত পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়; সমন্বয়ের মাধ্যমে একটা ভালো পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে।

রেট শিডিউল বা দর তালিকা পর্যালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বা সংস্থার (যেমন—এলজিইডি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) আলাদা আলাদা রেট শিডিউল রয়েছে, যা দিয়ে প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে, যা এরই মধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই রেট শিডিউলগুলো পর্যালোচনা করে সাধারণ এবং বিশেষ কাজের জন্য নতুন রেট শিডিউল তৈরি করা হবে, যেন সে অনুযায়ী প্রাক্কলন তৈরি করা যায়।

প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতি প্রসঙ্গে সাকি বলেন, প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাড়তি অপচয় ঘটে। এর পেছনে সমন্বয় ও জবাবদিহির অভাব এবং দায়িত্বহীনতা কাজ করেছে।