• ই-পেপার

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এক লাখ ডলার অনুদান দিল চীন

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নিন্দা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও চত্বর। ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা ও অপসারণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। এর আগে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থান থেকে না সরানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিদাতারা হলেন যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফি রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদ (মাহবুব)-এর সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূঁইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠী ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, ভাস্কর্য ও স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের ঘটনা ঘটছে। ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের ঘটনাকেও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

তারা বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের আপত্তি উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসন ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থান থেকে সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে সরকার-সমর্থিত ব্যক্তি, বিলবোর্ড ব্যবসায়ী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থানেই সংরক্ষণ করা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের সব ধরনের উদ্যোগ বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাদের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধানের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন, পেশাগত উৎকর্ষ সাধন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং একটি দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে নৌবাহিনীকে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নৌবাহিনী প্রধানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

দেশের সংকটকালে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে এডমিরাল নাজমুল হাসান দেশ ও জাতির কল্যাণে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কল্যাণকর। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে নৌবাহিনীর অনবদ্য ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরিশেষে তিনি বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধান ও তার পরিবারের সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করেন।

বিদায়ি নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান তার দায়িত্ব পালনকালে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এ সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মার্কো রুবিওর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
মার্কো রুবিওর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তারা সাক্ষাৎ করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে উভয় পক্ষ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান মার্কো রুবিও। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণও জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর উপস্থিত ছিলেন।

আহমদ ছফার দেহাবশেষ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর

অনলাইন ডেস্ক
আহমদ ছফার দেহাবশেষ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর
সংগৃহীত ছবি

মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে সাহিত্যিক ও চিন্তক আহমদ ছফার দেহাবশেষ। আজ বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হয়।

এর আগে ফেসবুকে আহমদ ছফার ভাতিজা নূরুল আনোয়ার একটি ছবি ও ভিডিও আপলোড করে দেহাবশেষ স্থানান্তরের বিষয়টি জানান।

প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবীকে সাধারণ কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসে আহমদ ছফার কবর মিরপুরের সাধারণ কবরস্থান থেকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

মৃত্যুর দুই যুগ পরে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী এবং প্রথাবিরোধী লেখক ও বুদ্ধিজীবীর কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তখন লেখকের পরিবারের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএনসিসির ১৪তম করপোরেশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নূরুল আনোয়ার লেখকের কবর স্থানান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন।