• ই-পেপার

ভালোবাসার লিও, এই বৃষ্টি তোমার নামে লিখে দিলাম : পরীমনি

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ অরিজিৎ সিং

বিনোদন ডেস্ক
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ অরিজিৎ সিং
সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি মন্ত্রী ও দিল্লি পুলিশর কড়া সমালোচনা করেন।

অরিজিৎ তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনারা তো এখন শিক্ষার্থীদেরও মারধর করছেন! নিজেদের কি ভগবান ভেবে নিয়েছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র সত্য।’

শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়ম এবং নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দিল্লিতে ছাত্রবিক্ষোভ চলছে। 

আন্দোলনকারীদের দাবি, তাদের কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ। কিন্তু তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।

এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই পুলিশের পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন।

অরিজিৎ সিংয়ের পাশাপাশি শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ এবং সোনাক্ষী সিনহাসহ আরও অনেক বলিউড তারকা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এদিকে প্রখ্যাত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে অনশন করেছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত সরকার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন ভারতের বিশিষ্টজনরা।

কাকে বিয়ে করলেন মিস্টার বিস্ট?

বিনোদন ডেস্ক
কাকে বিয়ে করলেন মিস্টার বিস্ট?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন ইউটিউবের জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা মিস্টার বিস্ট ওরফে জিমি ডোনাল্ডসন। ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে সুখবরটি ভক্তদের জানান।

ছবির সঙ্গে মিস্টার বিস্ট লিখেছেন, ‘আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি। আর এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।’

বিশ্বজুড়ে বিশাল বাজেটের চমকপ্রদ ভিডিও নির্মাণের জন্য পরিচিত হলেও নিজের বিয়েতে কোনো জাঁকজমক রাখেননি মিস্টার বিস্ট। দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রিয়জনকে নিয়ে ব্যক্তিগত পরিসরেই সম্পন্ন হয়েছে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

বিয়ের পোশাকেও ছিল সরলতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড টোনের ওপর ফুল ও লেসের নকশা করা একটি গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্টের পরনে ছিল সাদা টাক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার ও কালো বো-টাই।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান করেছিলেন এই জুটি। বিয়ের প্রস্তাব নিয়েও শুরু থেকেই তাদের পরিকল্পনা ছিল ব্যতিক্রমী। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিমি জানিয়েছিলেন, বন্ধুরা ভেবেছিলেন তিনি হয়তো সুপার বোউল-এর মতো বড় কোনো জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন একেবারেই ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ একটি মুহূর্ত।

দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল জিমি ও থিয়ার। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ থিয়াকে বার্তা পাঠান জিমি। থিয়ার লেখা বই দ্য মার্কড চিলড্রেন পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই সাধারণ কথোপকথনই ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়।

সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর জিমি থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে থিয়া এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষ করার জন্য বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা পিছিয়ে দেন।

বিয়ের আগে থিয়া বলেছিলেন, তারা মানসিকভাবে অনেক আগেই বিবাহিত। ভবিষ্যতে সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সে একসঙ্গে জীবন কাটানোর মতো বিষয় নিয়েও তারা নিয়মিত আলোচনা করেন। 

তাঁর মতে, বিয়ে তাদের সম্পর্কের সম্পূর্ণ নতুন কোনো শুরু নয়, বরং ভালোবাসার সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

শাকিব-হৃদয়ের নতুন সিনেমার নাম কী?

বিনোদন প্রতিবেদক
শাকিব-হৃদয়ের নতুন সিনেমার নাম কী?
সংগৃহীত ছবি

গেল বছরে ‘বরবাদ’ সিনেমার ব্যাপক সাফল্যের পর আবারও পর্দায় একসঙ্গে আসছেন পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় ও সুপারস্টার শাকিব খান।

কয়েক দিন আগে নাম চূড়ান্ত না হওয়া নতুন এই ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন শাকিব খান। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ছবিটির সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘নিঃস্ব’।

সূত্রগুলোর দাবি, অ্যাকশন, রোমান্স ও প্রতিশোধের গল্পে নির্মিত হবে এই সিনেমা। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তবে সিনেমার নাম নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। 

এ প্রসঙ্গে বুধবার দুপুরে কালের কণ্ঠকে পরিচালক বলেন, “এখনো স্ক্রিপ্ট লিখা শেষ হয়নি। শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। ‘নিঃস্ব’ এবং ‘হায়েনা’সহ আরো বেশ কিছু নাম শুনেছি আমি। এতটুকু বলতে পারি, এগুলোর কিছুই হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত কোনো নামই ভাবিনি। ১০ দিন পর ছবির নামটা সঠিকভাবে জানাতে পারব বলে আশা করছি। আর শিল্পীর বিষয়টা চূড়ান্ত করতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। সবগুলোই পর্যায়ক্রমে জানাব আমরা।”

বলা দরকার, সিনেমাটির চুক্তি শেষ করে গত ২ জুলাই রাতে যুক্তরাষ্ট্রে যান শাকিব খান। ওই দিন নতুন সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে পরিচালক হৃদয় ও প্রযোজক আজিম হারুন এবং শাহরিন সুমীর সঙ্গে একটি গ্রুপ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

ছবিটির ক্যাপশনে শাকিব খান লিখেছিলেন, “‘বরবাদ’ টিম আবার ফিরছে। চলুন, আবারও ইতিহাস গড়ি।”

এই ঘোষণার পর থেকেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস। দর্শক ও শাকিব ভক্তরা এখন অপেক্ষায় রয়েছেন, ‘বরবাদ’ টিম এবার কী নতুন চমক নিয়ে হাজির হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি পেতে পারে।

আমির খানের সৎভাইয়ের নিজের ঘর নেই

অনলাইন ডেস্ক
আমির খানের সৎভাইয়ের নিজের ঘর নেই
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের সুপারস্টার আমির খান। এই মি. পারফেকশনিস্টের সম্পদের পরিমাণ ১৮০০ কোটি রুপিরও বেশি। কিন্তু তার সৎভাই হায়দার আলী খানের থাকার জন্য কোনো ঘর নেই। হায়দার আলী খানের সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী ইভা গ্রোভার সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার সাবেক স্বামীর দুঃসহ জীবনের কথা তুলে ধরেছেন।

কাতার এয়ারওয়েজের সাবেক কেবিন ক্রু হায়দারেরও একসময় সচ্ছল, আলো ঝলমলে জীবন ছিল। কিন্তু বন্ধু-বান্ধব নিয়ে উশৃঙ্খল জীবনযাপন, তীব্র অ্যালকোহল আসক্তি আর জটিল মানসিক ব্যাধি সিজোফ্রেনিয়ায় সব হারিয়েছেন হায়দার।

ইভা জানিয়েছেন, হায়দারের কোনো স্থায়ী ঘর নেই, খাবারের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয় তাকে। বর্তমানে তিনি একটি চালে (মুম্বাইয়ে থাকার ঘিঞ্জি ছোট ঘর) বাস করছেন। এমনও সময় গেছে যখন হায়দার না খেয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন, যা তার আর্থিক এবং ব্যক্তিগত সংকটের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলে।

তাদের অশান্ত বিবাহিত জীবন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে ইভা স্মরণ করেন, মাত্র ১৮ দিনের পরিচয়ে পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে ২০০০ সালে তিনি হায়দারকে বিয়ে করেছিলেন। পরিচয়ের সময় হায়দারকে অত্যন্ত ভদ্র, শান্ত এবং যত্নশীল মনে হয়েছিল ইভার। বিয়ের পরই সবকিছু বদলে যায়, যা তাকে স্তব্ধ ও বিভ্রান্ত করে দিয়েছিল। বিয়ের তৃতীয় দিনেই ইভা হায়দারের চরিত্রের অন্য একটি রূপ দেখতে পান। ইভা ভাবতেই পারেননি তাদের সম্পর্ক এতটা কঠিন মোড় নেবে। ৫ বছর পর তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। বিয়ের সময় সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না ইভার।

হায়দারের সাথে সম্পর্কের কথা বলতে হিয়ে ইভা জানান, ‘তার সিজোফ্রেনিয়া ছিল। ওই সময়ে আমি আসলে বুঝতাম না সিজোফ্রেনিয়া মানে কী। সে কেবিন ক্রু ছিল এবং এই পেশার মানুষ সাধারণত অত্যন্ত মার্জিত আচরণের হয়। পরবর্তীতে এই রোগটি সম্পর্কে অনেক পড়ার পর আমি জানতে পারি যে, একজন ব্যক্তি বাইরে থেকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক দেখাতে পারেন, অথচ ভেতরে ভেতরে মারাত্মক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে পারেন। এটি এমন মনে হতে পারে যেন তারা নিজেদের দুটি ভিন্ন রূপ সামলাচ্ছেন। একটি যা তারা দুনিয়াকে দেখায় এবং অন্যটি যা লুকিয়ে থাকে। তার সঙ্গে কাটানো ১৮ দিনে আমি কেবল তার ভদ্র এবং ভালো আচরণটুকুই দেখেছিলাম।’

ইভা বলেন, ‘অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি আমার প্রতি তার অনুভূতি ছিল। আমি বলছি না যে ছিল না। সে হাঁটু গেঁড়ে বসে আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল এবং বলেছিল সে আমাকে বিয়ে করতে চায়। তাই আমি মেনে নিচ্ছি, সেখানে ভালোবাসা বা অন্তত সত্যিকারের অনুভূতি ছিল। কিন্তু আমি যা কখনোই বুঝতে পারিনি তা হলো, আমাদের বিয়ের তৃতীয় দিনেই কী এমন বদলে গেল। সে হঠাৎ আমাকে মারধর এবং শারীরিক নির্যাতন করা শুরু করে। সেই সময়ে আমি বুঝতে পারছিলাম না কেন এমনটা হচ্ছিল।’

ইভা জানান, যখন তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হচ্ছিল, তখনই হায়দার হিংস্র হয়ে উঠেছিল।

হায়দার আলী খান আমির খানের বাবা তাহির হুসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী শাহনাজ খানের প্রথম পক্ষের সন্তান। শাহনাজ খান তাহির হুসেনকে বিয়ের পর হায়দার খান পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হন। তবে আমির খান তার বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি। তাই সৎ ভাই হায়দার আলী খানের সঙ্গে শুরু থেকেই আমির খানের কোনো পারিবারিক যোগাযোগ নেই। বিয়ের আগে আমির খানও ইভাকে বার্তা পাঠিয়ে হায়দারকে বিয়ে করতে বারণ করেছিলেন। কিন্তু প্রেমে অন্ধ ইভা কারো কথাই কানে তোলেননি।