দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন ইউটিউবের জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতা মিস্টার বিস্ট ওরফে জিমি ডোনাল্ডসন। ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে সুখবরটি ভক্তদের জানান।
ছবির সঙ্গে মিস্টার বিস্ট লিখেছেন, ‘আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি। আর এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।’
বিশ্বজুড়ে বিশাল বাজেটের চমকপ্রদ ভিডিও নির্মাণের জন্য পরিচিত হলেও নিজের বিয়েতে কোনো জাঁকজমক রাখেননি মিস্টার বিস্ট। দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রিয়জনকে নিয়ে ব্যক্তিগত পরিসরেই সম্পন্ন হয়েছে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।
বিয়ের পোশাকেও ছিল সরলতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড টোনের ওপর ফুল ও লেসের নকশা করা একটি গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্টের পরনে ছিল সাদা টাক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার ও কালো বো-টাই।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান করেছিলেন এই জুটি। বিয়ের প্রস্তাব নিয়েও শুরু থেকেই তাদের পরিকল্পনা ছিল ব্যতিক্রমী।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিমি জানিয়েছিলেন, বন্ধুরা ভেবেছিলেন তিনি হয়তো সুপার বোউল-এর মতো বড় কোনো জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন একেবারেই ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ একটি মুহূর্ত।
দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল জিমি ও থিয়ার। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ থিয়াকে বার্তা পাঠান জিমি। থিয়ার লেখা বই দ্য মার্কড চিলড্রেন পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই সাধারণ কথোপকথনই ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়।
সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর জিমি থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে থিয়া এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষ করার জন্য বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা পিছিয়ে দেন।
বিয়ের আগে থিয়া বলেছিলেন, তারা মানসিকভাবে অনেক আগেই বিবাহিত। ভবিষ্যতে সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সে একসঙ্গে জীবন কাটানোর মতো বিষয় নিয়েও তারা নিয়মিত আলোচনা করেন।
তাঁর মতে, বিয়ে তাদের সম্পর্কের সম্পূর্ণ নতুন কোনো শুরু নয়, বরং ভালোবাসার সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।





