• ই-পেপার

সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালে হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

 গতকাল মঙ্গলবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে একটি বিশেষ, একটি সাধারণ এবং একটি সাশ্রয়ী প্যাকেজ রাখা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসেবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি।

মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের

বাসস
মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের

আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ। 

একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যকে মহাসড়কে যানবাহন থেকে অবৈধ টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে পারব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা আশ্বাস দেন, এই সময়ের পর যানবাহন থেকে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের টাকা আদায়ের আর কোনো অভিযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে এই বাহিনী এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি চালু করা অন্যতম। অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরো মহাসড়ক এবং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।

ফারুক আহমেদ বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন সিসিটিভি কাভারেজের আওতায় রয়েছে এবং এই রুটের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) চালিত ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একইভাবে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কেও নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে হাইওয়ে পুলিশ কেন্দ্রীয়ভাবে এই দু’টি প্রধান মহাসড়কে নজরদারি করতে পারছে।

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের এআই ক্যামেরাগুলো সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে স্থাপন করা হয়েছে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালনার জন্য হাইওয়ে পুলিশ শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বাহিনী এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই নজরদারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু করেছে।

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান জানান, আধুনিক এই নজরদারি ব্যবস্থা মহাসড়কে ডাকাতি ও মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তৎপরতাকে আরো জোরদার করবে। একই সঙ্গে এটি যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া দিতে এবং যানজট নিরসনেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) নজরদারি ব্যবস্থাটি এখন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য মহাসড়কগুলোতেও এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে।

ফারুক আহমেদ বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ এবং নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করা-এই দুটোই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

তিনি আরো বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা শক্তিশালী করার ওপর এই বাহিনী বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে। জনসাধারণের আস্থা অর্জন এবং মহাসড়কের নিরাপত্তা বজায় রাখতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, হাইওয়ে পুলিশ বর্তমানে দেশব্যাপী ৭৩টি থানার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেবার মান আরো কার্যকর করতে এই বাহিনীর পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য কারা, জানাল ইসি

অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য কারা, জানাল ইসি
সংগৃহীত ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার তালিকা আরো বিস্তৃত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও ভূমি করসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার বিলখেলাপি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভায় এ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তগুলো দ্রুতই স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি জানান, বর্তমানে সব স্থানীয় সরকার আইনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সমানভাবে উল্লেখ নেই। তাই সব আইনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার বিষয়টিও আইনে সংযোজনের প্রস্তাব রয়েছে।

কমিশনের সিদ্ধান্ত
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না:

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি।
  • ব্যক্তিগত ঋণখেলাপি নয়, কোনো ঋণের গ্যারান্টার হিসেবে খেলাপি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
  • কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধারের প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া থাকলে।
  • লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগর...


সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের সুপারিশ দ্রুতই স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে পাঠানো হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। ভবিষ্যতে তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরো কমানো যায় কি না, তা নিয়ে কমিশন পর্যালোচনা করছে।

এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি কিংবা প্রাথমিক পর্যায়—কোন স্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, সে বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, টেক্সটাইল খাতের সমস্যাগুলো অনেক পুরনো যা আগের কোনো সরকারই সমাধান করেনি। সরকার নানা যুক্তিতর্ক পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও আনুমানিক দেড় বছর সময় লাগতে পারে এ সমস্যাগুলোর সমাধানে। উদ্যোক্তারা সরকারকে এ সময় দেবে বলেও জানান বিটিএমএ সভাপতি।

সরকার আন্তরিক হলে বস্ত্র খাত ঘুরে দাঁড়াবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, গ্যাস বিদ্যুতের পাশাপাশি এ খাতের আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ইতিমধ্যে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার জানিয়ে, নতুন কমিটি আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসবে বলে জানান শওকত আজিজ রাসেল।

সরকার বন্ধ কারখানা চালু করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সফল হলে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান বিটিএমএ সভাপতি।