• ই-পেপার

সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

সরকারের প্রতিটি মুহূর্তই দায়িত্ব ও জবাবদিহির পরীক্ষা : মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক
সরকারের প্রতিটি মুহূর্তই দায়িত্ব ও জবাবদিহির পরীক্ষা : মাহদী আমিন
সংগৃহীত ছবি

মানুষের প্রত্যাশা পূরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের করবী হলে এ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, ‘সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণকে সর্বোচ্চ অগ্রধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মাত্র ১০৫ দিন, অর্থাৎ পাঁচ মাস পূর্ণ হয়েছে। এটা হয়তো খুব দীর্ঘ কোনো সময় নয়। প্রতিটি মুহূর্তেই দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা পালনের পরীক্ষা। আর প্রতিটি পদক্ষেপই মানুষের আস্থা অর্জনের নতুন পরীক্ষা।’ 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই একটি সরকার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ, প্রতিটি অর্জন, প্রতিটি সংস্কার এবং প্রতিটি চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাকে আমরা নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখি। 

মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার মূলত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয়শাস্ত্রয়ী ও দুর্নীতিমুক্ত পর্যালোচনা নিশ্চিত করে সরকারের সুশাসনের দৃঢ়বার্তা। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বন্যা দুর্গতের পুনর্বাসন, বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বিভিন্ন ধরনের বিনির্মাণ চলমান রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈষম্যহীন এবং সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায় সরকার। জনগণের  আস্থা, সমর্থন ও গঠনমূলক মতামতেই আগামী দিনের পথ চলা সরকারের সবচেয়ে বড় প্রেরণা।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিগত দিনের ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামোকে পুনরুদ্ধার ম্যান্ডেট পেয়েছেন গণমানুষের নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অত্যন্ত স্বল্প সময়ে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। গত পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা ও সমর্থন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ রক্ষা, স্বল্প সময়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সফলতা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব এই বহুমাত্রিক অর্জনের পাঁচটি দিক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে।’

প্রাথমিকে বদলিতে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হলো ৭ শর্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকে বদলিতে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হলো ৭ শর্ত
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়নের নতুন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনার মুখে অবশেষে বদলি ও পদায়ন কমিটি থেকে অস্পষ্ট ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ রাখার বিধানটি বাদ দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে এখন থেকে কমিটিতে স্থান পাবেন বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে জাতীয় কমিটির নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া সুনির্দিষ্ট করতে সাতটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সংশোধিত নীতিমালা জারি করে, যা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২১ জুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়নে চার স্তরের উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় কমিটি গঠন করে একটি নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল। তবে অনলাইনের পরিবর্তে সনাতন (ম্যানুয়াল) ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা প্রশাসন ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর মধ্যে চরম অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বলতে আসলে কাদের বোঝানো হচ্ছে, তা নীতিমালায় স্পষ্ট ছিল না। ফলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সরকারি শিক্ষকদের বদলির মতো একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বহিরাগত বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের যুক্ত করা হলে স্বচ্ছতা নষ্ট হবে এবং তদবির ও অনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুযোগ তৈরি হবে। এই সমালোচনার মুখেই নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়।

পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী, চার স্তরের কমিটির কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ের কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’র স্থলে এখন থেকে দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা কিংবা থানা কমিটি সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও); জেলা কমিটি সভাপতি থাকবেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিভাগীয় কমিটি সভাপতি থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার।

এদিকে জাতীয় কমিটির নেতৃত্বেও বড় রদবদল করা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে এই কমিটির সভাপতি করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় কমিটির সভাপতি হবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বিদ্যালয়) এবং সদস্যসচিব হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) দায়িত্ব পালন করবেন।

বদলিতে যুক্ত হলো যে ৭ নতুন শর্ত

আগের নীতিমালায় বদলির প্রক্রিয়া ও যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। নতুন সংশোধিত নীতিমালায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফেরাতে সাতটি সুনির্দিষ্ট শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনো সহকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকার চাকরির মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না। এ ছাড়া একবার বদলি হওয়ার পর তিন বছর অতিক্রম না হলে কোনো শিক্ষক পুনর্বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে কেবল শূন্য পদের বিপরীতেই নতুন শিক্ষক বদলি করা যাবে; শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া নিজ বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থে বা প্রশাসনিক বিশেষ কারণে জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে এটি করা যাবে;

যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার কমসংখ্যক শিক্ষক কর্মরত আছেন কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০–এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষককে বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা অগ্রাধিকার পাবেন; একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে ‘সংযুক্তি’ পদায়ন করা যাবে; বদলির ক্ষেত্রে সব শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষিকারা তাদের স্থায়ী ঠিকানা বা স্বামীর ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, কমিটিগুলো প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করে বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি করবে। একই উপজেলা, জেলা বা বিভাগের মধ্যে বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনে আদেশ জারি হবে এবং আন্তবিভাগ ও সিটি করপোরেশনের বদলিগুলো জাতীয় কমিটি নিষ্পত্তি করবে। নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে পদায়নের দায়িত্ব জেলা কমিটির কাছেই বহাল রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নতুন শর্ত ও পরিবর্তনের ফলে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে তদবির ও অনিয়ম অনেকটাই হ্রাস পাবে।

৫ মাসে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে সাড়ে ৫০ লাখের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
৫ মাসে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে সাড়ে ৫০ লাখের বেশি
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ কয়েকটি কারণে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত পাঁচ মাসে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৫০ লাখ ৮০ হাজার। খবর বাসস

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১২ কোটি ৮৯ লাখ। মে মাস শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪১ লাখে। একই সময়ে সক্রিয় মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটি ৫৮ লাখ থেকে বেড়ে ১৮ কোটি ৮৬ লাখে পৌঁছেছে। এ সময়ে নতুন সক্রিয় গ্রাহক যুক্ত হয়েছে ২৮ লাখ। 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মোবাইল ফোনে বিশ্বকাপের ম্যাচ স্ট্রিমিং করায়, ইন্টারনেট ট্রাফিক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহও ইন্টারনেট ব্যবহারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। এইচএসসি পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট অনলাইন কার্যক্রম ও মোবাইল ফোনের সিমে আরোপিত ৩০০ টাকার কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করাও নতুন মোবাইল সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।

রবির করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান শাহেদ আলম বলেন, চলমান ফিফা বিশ্বকাপের পাশাপাশি আরো কয়েকটি কারণে ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে ইন্টারনেট ট্রাফিকও বেড়েছে। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইন্টারনেট ট্রাফিক রেকর্ড করা হয়েছে।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ইন্টারনেট গ্রাহকের প্রায় ৮৯ শতাংশই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। মে মাসে নিবন্ধিত ১৩ কোটি ৪১ লাখ ইন্টারনেট গ্রাহকের মধ্যে ১১ কোটি ৯১ লাখ মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন। বাকি ১ কোটি ৪৯ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ও পিএসটিএন অপারেটরদের ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সেবা ব্যবহার করেছেন।

জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ইন্টারনেট গ্রাহক বৃদ্ধির প্রায় পুরোটা এসেছে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকদের মাধ্যমে। এ সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ১১ কোটি ৪২ লাখ থেকে বেড়ে ১১ কোটি ৯১ লাখে পৌঁছেছে। অর্থাৎ প্রায় ৪৯ লাখ নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফিক্সড ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ। এপ্রিলে তা বেড়ে ১ কোটি ৪৯ লাখে ওঠে ও মে মাসেও একই অবস্থায় থাকে। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে, ফেব্রুয়ারিতে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট গ্রাহক কমে যাওয়ার চিত্রও উঠে এসেছে। ওই মাসে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক নেমে আসে ১২ কোটি ৮২ লাখে এবং মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক কমে দাঁড়ায় ১১ কোটি ৩৫ লাখে। যদিও মার্চে আবার প্রবৃদ্ধি শুরু হয়। ওই মাসে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়ে হয় ১১ কোটি ৪৮ লাখ। এপ্রিলে তা ১১ কোটি ৬৪ লাখ ও মে মাসে ১১ কোটি ৯১ লাখে পৌঁছে।

বিটিআরসির সংজ্ঞা অনুযায়ী, গত ৯০ দিনের মধ্যে অন্তত একটি ভয়েস কল, এসএমএস বা ইন্টারনেট সেশন ব্যবহার করা হয়েছে—এমন সিমকেই সক্রিয় গ্রাহক হিসেবে গণ্য করা হয়।

সামাজিক ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ে অনেক অর্জন ম্লান হয়েছে : প্রেসসচিব

অনলাইন ডেস্ক
সামাজিক ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ে অনেক অর্জন ম্লান হয়েছে : প্রেসসচিব
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী বলেছেন, বিগত সময়ের কথিত উন্নয়নের আড়ালে সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বড় ধরনের অবক্ষয় ঘটেছে, যা দেশের অনেক অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বর্তমান সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালেহ শিবলী বলেন, ‘আমরা বিগত সময়ে যে উন্নয়নের গালগল্প শুনেছি, সেই উন্নয়নটা কোথায় হয়েছে? কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলে অনেক জায়গায় অবনতি হয়েছে। সামাজিক ও মূল্যবোধের জায়গায় অনেক অবনতি হয়েছে, যা আমাদের অনেক অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, সরকার তথ্যের বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে চায় এবং এ লক্ষ্যে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের আরো ক্ষমতায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও উদ্যোগ জনগণের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

প্রেসসচিব বলেন, ‘তথ্যের বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে চাই আমরা। সরকার যে কাজ করছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাই। এ লক্ষ্যে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদেরও ক্ষমতায়িত করার কাজ চলছে।’

বর্তমান সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতেই প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।