• ই-পেপার

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নোবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক পরিচিতি সভা (ওরিয়েন্টেশন) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও উপাচার্যের (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

এ সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে আয়োজিত নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তোমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, তাই এই সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে হবে।

পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা ও কল্যাণে সর্বদা আন্তরিক থাকবেন এবং সর্বোপরি নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ আনন্দময়, সফল ও স্বার্থক হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীবৃন্দ। এ সময় বিভাগের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাত
অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য (ভাইস-চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত।

রবিবার (১৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ড. মো. নাজমুস সাদাতকে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে হবে, তত দিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ড. মো. নাজমুস সাদাত ১৯৯৯ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন থেকে স্নাতক (অনার্স) এবং ২০০১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর এবং ২০১২ সালে জার্মানির জর্জ-আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

জাকসুর উদ্যোগে জাবির বাসে ‘আইট্র্যাকার’ উদ্বোধন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাকসুর উদ্যোগে জাবির বাসে ‘আইট্র্যাকার’ উদ্বোধন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ‘আইট্র্যাকার’ উদ্ধোধন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবহন ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক, সহজ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে লাইভ বাস ট্র্যাকিং সিস্টেম ‘আইট্র্যাকার (iTracker)’ চালু করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। ‘স্মার্ট পরিবহন, স্মার্ট ক্যাম্পাস’ স্লোগানে চালু হওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে চলাচলকারী বাসগুলোর রিয়েল-টাইম অবস্থান জানতে পারবেন। ফলে বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং যাতায়াতে ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ফিল্ডে দুপুর ২ টায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান ট্র্যাকিং সিস্টেম বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য ইফাদ গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার মানুষের জীবনকে সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করে।’

তিনি বলেন, ‘লাইভ ট্র্যাকিং সিস্টেম চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বাসের রিয়েল-টাইম অবস্থান জানতে পারবেন। এতে যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে, ভোগান্তি কমবে এবং পরিবহনসেবা আরো কার্যকর হবে। পাশাপাশি বাসের চলাচলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। তিনি সেবাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।’

অনুষ্ঠানে জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছিল না। জাকসু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পরিবহন খাতকে আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইলেকট্রিক কার্ট ও অটোরিকশা চালুর পর এবার লাইভ বাস ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে বাসের রিয়েল-টাইম অবস্থান ও নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে সম্ভাব্য সময় জানতে পারবেন। এতে যাতায়াত আরো সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। পাশাপাশি সেবাটি ভবিষ্যতেও কার্যকর রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, পরিবহন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, জাকসুর নেতৃবৃন্দ, ইফাদ গ্রুপের প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

৯ বছর ধরে কার্যক্রম চলছে ভাড়া ভবনে

নিজস্ব ভবন নিয়ে অনিশ্চয়তা

কামরান পারভেজ, ময়মনসিংহ
৯ বছর ধরে কার্যক্রম চলছে ভাড়া ভবনে
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় ১১ বছর আগে যাত্রা শুরু ময়মনসিংহ বিভাগের। এর দুই বছর পর প্রতিষ্ঠিত হয় বিভাগীয় শিক্ষা বোর্ড। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভাড়া করা পৃথক দুই ভবনে চলছে বোর্ডের কার্যক্রম। এখন পর্যন্ত নিজস্ব ভবন পায়নি শিক্ষা বোর্ডটি।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের দাবি, ভাড়া করা ভবনে চলার কারণে এখানে সৃষ্টি হয়েছে নানা সংকট। তাই এখনো স্বনির্ভর হতে পারেনি বোর্ড। ধার করা সার্ভারে প্রস্তুত করতে হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল। গাদাগাদি করে অফিস করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরো জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ব্রহ্মপুত্র নদের বর্তমান শহরের বিপরীত পাশে আধুনিক বিভাগীয় নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করে সরকার। আধুনিক নগরের পরিকল্পনায় রয়েছে শিক্ষা বোর্ডের জন্য নির্ধারিত ভবন। তবে ১০ বছর পরও সে পরিকল্পনার অগ্রগতি নামমাত্রই। এ কারণে শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ভবন অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেছে।

আধুনিক বিভাগীয় নগরের পরিকল্পনায় থাকলেও প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা বোর্ড নিজেও জমি কিনে নিজস্ব ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কাজে আসেনি সেসব উদ্যোগ।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে এ বোর্ডের কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠার পর ময়মনসিংহ শহরতলীর কাঠগোলা এলাকায় পৃথক দুটি ছয়তলা ভবন ভাড়া নেওয়া হয়। এখনো ওই দুটি ভবনেই চলছে কার্যক্রম। 

ভবন দুটির একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব অন্তত ৫০০ মিটার। 
এ কারণে দুটি ভবনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। পরে একটি ভবনকে পরীক্ষা শাখা হিসেবে বিশেষায়িত করা হয়। অপর ভবনে চলে বোর্ডের অন্যান্য কার্যক্রম।

শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বলেন, ভাড়া করা দুটি ভবনে শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনা করা খুবই কঠিন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গাদাগাদি বসে কাজ করেন। এমনকি অন্যান্য বোর্ডের সঙ্গে তুলনা করলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষটি অনেক ছোট। এসব প্রতিবন্ধকতা নিয়েই এখানে কাজ চলছে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে যায়, দুটি ভবনের দূরত্বের কারণে এ বোর্ড এখনো নিজস্ব সার্ভার চালু করতে পারেনি। এ কারণে যশোর শিক্ষা বোর্ড ও বুয়েটের সার্ভার ব্যবহার করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ভবনের বিষয়ে জানা যায়, বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর জমি কিনে নিজস্ব ভবন নির্মাণে  একাধিকবার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ড. গাজী হাসান কামাল জমি অধিগ্রহণের জন্য চেষ্টা করেছেন। তবে সে চেষ্টা বাস্তবায়িত হয়নি। ওই সময় সরকারের সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃক্ষের দাবি ছিল নতুন বিভাগীয় নগরের পরিকল্পনায় যেহেতু শিক্ষা বোর্ডের আধুনিক ভবন থাকবে, কাজেই জমি কিনে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন নেই। 

তবে আধুনিক বিভাগীয় নগরের পরিকল্পনা দিনে দিনে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ায় পরে শিক্ষা বোর্ড নিজের উদ্যোগে ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করে। এ পরিকল্পনায় শহরের রহমতপুর এলাকায় জমি কেনার পরিকল্পনা ছাড়াও নগরের পাটগুদাম এলাকায় পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি জমিও রয়েছে। তবে পাট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বিষয়ে বলেন, ‘পাট মন্ত্রণালয়ের জমি নেওয়ার পরিকল্পনা অতি সাম্প্রতিক সময়ের। এটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ার পর্যন্ত অন্য পরিকল্পনা নিয়ে ভাবা যাচ্ছে না।’

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর ব্রহ্মপুত্র নদের চরে প্রায় সাড়ে চার হাজার একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা করে সরকার। তবে গ্রামবাসীর আন্দোলনের কারণে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত  হয়নি। পরে নতুন করে ৯৫০ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়। এ জমি নিয়ে গ্রামবাসীর বাধা না থাকায় সেটি চূড়ান্ত হয় এবং অধিগ্রহণ শেষ পর্যায়ে। 

পরিকল্পিত এলাকাটি অনেক নিচু হওয়ায় সেখানে মাটি ভরাটই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সড়ক ও প্রয়োজনীয় সেতু নির্মাণ করে সেখানে নগর গড়ে তোলার কাজ কবে নাগাদ শুরু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার বলেন, আধুনিক বিভাগীয় নগরে সুন্দর সুন্দর ভবন হবে। শিক্ষা বোর্ড চাইলে সেখানে ভবন নিতে পারবে। আবার জরুরি প্রয়োজন হলে শিক্ষা বোর্ড নিজেরাও ভবন নির্মাণ করতে পারে।