• ই-পেপার

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আগামী ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠাবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
আগামী ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠাবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ট্রেড/কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বৈদেশিক শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা এবং তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

এ ছাড়া আগামী ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ট্রেড/কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন, অভিবাসন ব্যয় এবং দালালচক্রের প্রতারণা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। বিদেশগামী কর্মীদের দ্রুত সময়ে পাঠানো মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের ভর্তি, মনিটরিং, সনদায়ন, বিদেশে অবস্থিত শ্রম কল্যাণ উইং হতে ডিমান্ড লেটার/ভিসা সত্যায়ন এবং বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যুসহ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরো স্বচ্ছ, জবাবদিহিতা ও সহজতর করতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্ল্যাটফর্ম (ওইপি) চালু করা হয়েছে। ফলে অভিবাসনে বিভিন্ন পর্যায়ে দালালদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পেয়েছে বিধায় অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরো বলেন, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার জন্য সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নে জন্য জেলা এবং উপজেলা যথাক্রমে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি এবং উপজেলা অভিবাসন সমধা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিত্যপণের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নিত্যপণের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সংসদে তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা ও চালসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি সহজীকরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করহার যৌক্তিকীকরণ এবং বিকল্প উৎস থেকে আমদানির সুযোগ অনুসন্ধানের কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নে জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংসদে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন- 

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনাসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা, চালসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি সহজীকরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করহার যৌক্তিকীকরণের এবং বিকল্প আমদানি অনুসন্ধানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

বাজারে কৃত্রিম সংকট, মজুদদারি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অসাধু ব্যাবসায়িক কার্যক্রম প্রতিরোধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। নিম্ন ও নিম্ন-মধ্য আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সরবরাহ শৃঙ্খল কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব কমানো যায়।

৪ বিভাগে বন্যার পূর্বাভাস, থাকবে বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ বিভাগে বন্যার পূর্বাভাস, থাকবে বৃষ্টি
ফাইল ছবি

দেশজুড়ে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হচ্ছে। কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলসহ কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গত তিন দিনে মারা গেছে কয়েকজন। আজও সাতজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে এখনই থামছে না বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টি আরো কয়েকদিন থাকতে পারে। একই সঙ্গে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র দেশের চার বিভাগের কোনো কোনো জেলায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে।

যেসব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

বান্দরবানের সাঙ্গু নদী, সাতামুহুরি নদী লামা (কক্সবাজার), মনু নদীর মৌলভীবাজার স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এ ছাড়া হবিগঞ্জের খোয়াই নদী, মৌলভীবাজারের ধলাই, সুনামগঞ্জের কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।

বন্যা সতর্কতা

গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাভামুহুরী ইত্যাদি নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। 
অপরদিকে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার গোমতী, মুহরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা তথ্য কেন্দ্র।

এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় মৌলভীবাজার
ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই ইত্যাদি নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে। নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

অপরদিকে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোন, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।

আগামী তিন দিন সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব অথবা জবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এদিকে রংপুর বিভাগের ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে তিস্তা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার ভিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে। এ ছাড়াও আগামী ৭২ ঘণ্টায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম জেলার ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বুদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সামরিকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

আগামী দুই দিন সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

পাঁচ জেলায় ভূমিধসের সতর্কতা

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় ভূমিধসের বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) রাতে এ সতর্কবার্তা জারি করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, ভারতের উত্তর পশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে।

সুফি নৃত্য ‘দিলনাওয়াজ’ দেখে প্রশংসা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
সুফি নৃত্য ‘দিলনাওয়াজ’ দেখে প্রশংসা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

সুফি নৃত্যানুষ্ঠান ‘দিলনাওয়াজ’ উপভোগ করে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

বুধবার রাজধানীতে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সাধনা’ আয়োজিত সুফি নৃত্যানুষ্ঠান ‘দিলনাওয়াজ’-এ উপস্থিত হন ভারতীয় হাইকমিশনার।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দিনেশ ত্রিবেদী অংশগ্রহণকারী সব শিল্পীকে আন্তরিক প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করছে। এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির বন্ধনকে আরো গভীর করবে।

‘দিলনাওয়াজ’ রচনা করেছেন কলকাতার রাহাত আরা বেগম। এর সংগীত পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক রতুল শঙ্কর ঘোষ। আয়োজকদের মতে, এই প্রযোজনা বাংলাদেশ ও ভারতের প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দুই দেশের শিল্প-ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।