• ই-পেপার

অচল দেশের সব আবহাওয়া রাডার, ঝুঁকিতে পূর্বাভাস ব্যবস্থা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্থানীয় সময় বুধবার (৮ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থার আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

এ ছাড়া জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে অংশ নিয়ে আন্তঃদেশীয় অপরাধীচক্র দমনে বিশ্বনেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সংকট এখন বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকটের সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশ মায়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের ‌রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি এ ডি-কার্লোর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরাতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আরো জোরালো, দৃশ্যমান পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের পাশাপাশি বৈশ্বিক অপরাধের পরিবর্তিত ধরন নিয়ে জাতিসংঘে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পঞ্চম ইউনাইটেড নেশনস চিফস অব পুলিশ সামিট বা ইউএনকপস ২০২৬-এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং অপরাধীচক্রগুলোর আন্তঃদেশীয় নেটওয়ার্কের কারণে প্রথাগত পুলিশিং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।

সম্মেলনে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকিরও সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোরাল বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাসস
নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোরাল বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকারেলায় জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পদ্ধতিগত জ্ঞান বিনিময়, উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি ‘জাতিসংঘ পুলিশ জ্ঞান ও উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।

গতকল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন- ইউএনকপস ২০২৬’-এ যোগদান করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে তিনি পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

এবারের দুই দিনব্যাপী (৭-৮ জুলাই) সম্মেলনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের পুলিশ প্রধান এবং নীতি-নির্ধারকগণ বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় তিনটি মূল প্লেনারি সেশনে অংশ নিচ্ছেন। সেশনগুলো হলো- ‘জাতিসংঘ পুলিশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা’, ‘জাতিসংঘ পুলিশিংয়ে উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তি’  এবং ‘আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি’ । 

সম্মেলনের প্রথম সেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জসমূহ দিন দিন অত্যন্ত জটিল রূপ ধারণ করছে। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং অপরাধী চক্রগুলোর আন্তঃদেশীয় নেটওয়ার্কের কারণে প্রথাগত পুলিশিং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।’

বাংলাদেশকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ তার ফর্মড পুলিশ ইউনিটকে (এফপিইউ) আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলেছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীতে ইতোমধ্যে সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সাইবার ও সংগঠিত অপরাধ তদন্ত বিশেষজ্ঞ, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং ইন্টেলিজেন্স-লেড পুলিশিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি ও সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

বিশ্ব পরিমণ্ডলে মেধা ও দক্ষতার পদ্ধতিগত আদান-প্রদানের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি ‘জাতিসংঘ পুলিশ জ্ঞান ও উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক’  প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সেরা অনুশীলন এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা শেয়ার করতে পারবে।

তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্যে বার্ষিক পরিবেশ পুলিশিং সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব করেন। মন্ত্রী একটি অভিযোজনক্ষম, উদ্ভাবনী এবং শান্তি ও মানবতার প্রতি দায়বদ্ধ জাতিসংঘ পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী প্রস্তাবনা এবং বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অঙ্গীকার বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়েছে।

সম্মেলনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (ডিপিও), অপারেশনাল সাপোর্ট (ডিওএস) এবং রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেলরা অংশ নিয়েছেন। 

ইন্দোনেশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত আবুল হাসান মৃধা

অনলাইন ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত আবুল হাসান মৃধা

ইন্দোনেশিয়ায় নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আবুল হাসান মৃধাকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। 

সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে তার এ নতুন দায়িত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী ছয় দিনের মধ্যে জাকার্তা মিশনে তার যোগদানের কথা বলা হয়েছে আদেশে।

বুধবার (৮ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ও‌য়েবসাই‌টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রশাসন অনুবিভাগে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আবুল হাসান মৃধা। এর আগে মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন তি‌নি।

রাশিয়া, ওমান, কলকাতা এবং লন্ডনের বাংলাদেশ মিশনের বিভিন্ন পদেও ছিলেন তিনি।

বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বায়ুমানের খবর কী?

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বায়ুমানের খবর কী?

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলায় দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে দীর্ঘদিন বায়ু দূষণের কবলে থাকার পর স্বস্তি ফিরেছে ঢাকার বাতাসে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬৬ স্কোর নিয়ে ঢাকার বায়ু এখন ‘মাঝারি’ বা সহনীয় অবস্থানে রয়েছে। দূষণের বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষ ৩২ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য জানা যায়।

আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর কিনশাসা শহরের দূষণ স্কোর ১৭১, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। ২য় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহরের দূষণ স্কোর ১৬৭, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়ার ক্রাসনোয়ারস্ক। যার বায়ুমান স্কোর ১৫৫, চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, যার বায়ুমান স্কোর ১৫১ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই রয়েছে পঞ্চম অবস্থানে। যার বায়ুমান স্কোর ১৩১, যা  সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।