• ই-পেপার

লামায় পাহাড়ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী-সন্তানসহ নিহত ৫

চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ঘুমন্ত ভাই-বোনের মৃত্যু

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ঘুমন্ত ভাই-বোনের মৃত্যু

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ঘুমন্ত দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের মোহছেনিয়া কাটা পাহাড়ি গ্রামে এই পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত এক শিশুর নাম রুমি আক্তার (১৫)। সে মোহছেনিয়া কাটা গ্রামের মোহাম্মদ কাজলের কন্যা এবং বরইতলী দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর শিশুর নাম মোহাম্মদ তৌসিফ (১০)। সে আবদুল মজিদের পুত্র এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিহতরা সম্পর্কে আপন চাচাতো-জেঠাতো ভাই-বোন। 

বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান বলেন, গত দুইদিন ধরে পানিতে তলিয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। এই অবস্থায় পাহাড়ধসে দুইজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

বান্দরবানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
বান্দরবানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়ল

টানা ভারি বৃষ্টিতে বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় বান্দরবানে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ আরো দুদিন বাড়িয়ে ১২ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বান্দরবান পার্বত্য জেলায় অব্যাহত ভারি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকির বিবেচনায় পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ৬ জুলাই জারি করা জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ১২ জুলাই (রবিবার) পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটরসহ সর্বসাধারণের ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এই সময়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সকল পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটরসহ সর্বসাধারণের ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনসহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এর আগে ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন।

কমলগঞ্জ

ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ৭ গ্রাম

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি
ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ৭ গ্রাম
সংগৃহীত ছবি

টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার ইসলামপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের ৭-১০টি  গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে রাস্তা, এমনকি বাড়ি-ঘরে প্রবেশ করেছে পানি। এতে ভোগান্তিতে কয়েক হাজার মানুষ। 

বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল এলাকায় পুরাতন মসজিদের সামনের বাঁধটি ভেঙে গেছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙার ফলে মখাবিল, শ্রীপুর ও ভান্ডারীগাঁও, আদমপুরের কোনাগাও, মধ্যভাগস আশপাশের ৭-১০টি গ্রাম বন্যায় তলিয়ে গেছে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে  বিভিন্ন গ্রাম। 

এ ছাড়া ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে হাঁটু পানি। ফলে আজকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক খুরশেদ আলী জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা কবির মিয়া ও শাব্বীর এলাহী  জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ করেই ধলাই নদীর বাঁধটি ভেঙে যায়। ভাঙনের পরিধি প্রায় ১০০ মিটার। এতে ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন। বন্যার্তদের সহায়তায় প্রশাসন তাদের পাশে থাকবে। ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, ‘ধলাই নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিএসএফের বাধার কারণে মখাবিলের এই অংশটুকুতে পুরোপুরি কাজ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিকূলতার মধ্যেই যতটুকু কাজ করা সম্ভব কর্তৃপক্ষ ততটুকু করেছে।’

টানা ৯ ঘণ্টা আজ ঢাকার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৯ ঘণ্টা আজ ঢাকার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা ঢাকার ধামরাইয়ের বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের স্বার্থে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ৯ ঘণ্টা ভাড়ারিয়া (একমি) ৩৩ কেভি ও ধামরাই উপকেন্দ্রের ১, ৩, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ফিডারের আওতাভুক্ত বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এই এলাকাগুলো হলো- আমিন মডেল টাউন, ধানসিঁড়ি, বরাত সেন্টার, বরাত নগর, হার্ডিঞ্জ স্কুল, পাঠানটুলা, কালিয়াগার, উত্তর পাতা, কমিশনার মোড় কুমড়াইল, গোয়ারীপাড়া, কুমরাইল, ঋষিপাড়া, টেকপাড়া, ইসলামপুর হাসপাতাল রোড এবং মাদরাসা রোড থেকে সুইডিশ মাঠ, ঢুলিভিটা রাস্তার উত্তর পাশ, তালতলা, নতুন দক্ষিণপাড়া, ছোট চন্দ্ৰাইল, ছয়বাড়ীয়া, খাত্রা, বাসাইল, বাড়ীগাও, লাডুয়াকুন্ড, কুল্লা, রামকুল্লা, হিরানদী কুল্লা, জয়পুরার দক্ষিণপাশ, জলশীন, কান্দাপারা, গাওয়াইল, বাদে গাওয়াইল, বানেশ্বর, গোপালপুর, শরীফবাগ, কাকরান, তেতুলিয়া, হাজিপুর, স্বর্ণখালী, ইকুরিয়া, ইসলামনগর, ডেমরান, দীঘলগ্রাম, সাইদপাড়া, পাইকপাড়া, বাঙ্গালপাড়া, কাটাবৌর, মালঞ্চ, আশুলিয়া, দিয়াবাড়ী, কাটাখালী, হাটিপাড়া, চন্দপাড়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা কমপ্লেক্স ও ধামরাই সরকারি কলেজের আওতাধীন সব এলাকা।

তবে নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিস।