• ই-পেপার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনার কথা জানালেন মাহদী আমিন

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রবিবার (৭ জুন) বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ডেঙ্গুর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালায় তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবেলা করতে হবে। যদিও তা মোকাবেলা করা সহজ হবে না। এজন্য সারা দেশের নালা-খাল পরিষ্কার করতে হবে। এটা বিরাট কর্মযজ্ঞ।

মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি শুনে ভয় পেয়েছি। প্লাজমার লিকেজ ঠেকাতে ডাক্তারদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, সবার প্রচেষ্টায় আমরা দেশটাকে যেভাবে স্বাধীন করেছি, ঠিক সেভাবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করতে।

তিনি আরো বলেন, জলে-স্থলে-ছাদে তিনটি স্থানেই সমান নজর রাখতে হবে। এ কাজে সিটি করপোরেশনগুলোকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। একটা ভুল সব কিছুকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুখবর
সংগৃহীত ছবি

ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ আয় করেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। সরকার তাদের আয় থেকে ৭.৫০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখে। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এই খাতকে করমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাব থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সাইবার নিরাপত্তা, এআইসহ (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) পাঁচটি খাতে দুই লাখ ও ফ্রিল্যান্সিং/কনটেন্ট ক্রিয়েশনে আট লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ঘোষণা ছিল। একই সঙ্গে শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাকেন্দ্র স্থাপন, ই-ওয়ালেট চালু, ১০ বছরের কর সুবিধা ও উদ্যোক্তাদের জন্য ভর্তুকিযুক্ত ঋণ ও স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত সংস্কার, শিল্প খাত ও সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন, সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও পরিবহন খাত উন্নয়ন, রাজস্ব আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা ও আইসিটি খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারা

যারা বিভিন্ন ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যবহুল, শিক্ষণীয় বা বিনোদনমূলক ছবি, অডিও-ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করেন, তাদেরই ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ বলা হয়। তারা ইউটিউব অ্যাডসেন্স বা ফেসবুক মনিটাইজেশন, ব্র্যান্ড প্রমোশন বা স্পন্সরশিপের মাধ্যমে অর্থ আয় করেন। সেই টাকা থেকে ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৭.৫০ শতাংশ টাকা কেটে রাখে। বাকি টাকা তিনি পারিশ্রমিক হিসাবে পেয়ে থাকন।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের আয়কর আইনে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কোনো সংজ্ঞা তুলে ধরা হয়নি। তবে যাদের নিজস্ব কোনো অফিস নেই বা প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করে খুব সীমিত আয় করেন, তারাই এই সুবিধার আওতায় পড়বেন। যেমন—একটি মিডিয়া অফিস ফেসবুক পেজ থেকে আয় করলে সেখান থেকে ৭.৫০ শতাংশ টাকা কর দিতে হবে। তবে সেই প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী ছোট আকারে ফেসবুক থেকে আয় করলে তাকে কর দেওয়া লাগবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য দেশের সাধারণ নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া। তাদের উৎসাহিত করতেই কর ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

সরকারের এই উদ্যোগের পর ডাচ-বাংলা ব্যাংক এরই মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর থেকে উৎসে কর কর্তন স্থগিতের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটি জানিয়েছে, এরই মধ্যে যেসব ফ্রিল্যান্সারের অ্যাকাউন্ট থেকে কর বাবদ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার ব্যাংকটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সগীর আহমেদ বলেন, ‘আইটি ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের ওপর আগে থেকেই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ৭.৫০ শতাংশ হারে উেস কর কাটা হতো। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাংক দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি যাদের অ্যাকাউন্ট থেকে এরই মধ্যে কর কেটে নেওয়া হয়েছে, সেই অর্থ কিভাবে দ্রুত ফেরত দেওয়া যায় সে বিষয়েও কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

এর আগে নিত্যপণ্যের ওপর উেস কর ০.৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও জনস্বার্থে তা বাতিল করেছে সরকার। এ ছাড়া মোটরসাইকেল-অটোরিকশার কর বাতিল, সম্পদ কর ও উত্তরাধিকার করের উদ্যোগ বাতিল, রপ্তানি প্রণোদনার ওপর বাড়তি কর আরোপ থেকে ইউটার্ন নিয়ে অর্ধেক করা, আবগারি শুল্কের হার তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নতুন বেতন কাঠামো

রূপরেখা চূড়ান্ত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা

অনলাইন ডেস্ক
রূপরেখা চূড়ান্ত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা

 

১ জুলাই থেকে জাতীয় বেতন কাঠামো (পে স্কেল) কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে সরকারের ভেতরে প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনাই বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং বাজেটের ওপর চাপ বিবেচনায় রেখে নতুন পে স্কেল তিনটি ধাপে কার্যকর করার প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হয়েছে। এতে করে একদিকে ব্যয়ের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো সংস্কারের কাজও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবু সম্ভাব্য সময়সীমা ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আগ্রহের পাশাপাশি কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে। বিশেষ করে কবে থেকে এবং কিভাবে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা কার্যকর হবে, তা নিয়ে পরিষ্কার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন তারা।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের একটি বড় অংশ বৃদ্ধি করার চিন্তা রয়েছে। পরবর্তী ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হতে পারে। আর তৃতীয় ধাপে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য করে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্রগুলো আরো জানায়, নতুন কাঠামোতে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতনবৈষম্য কমানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান কমিয়ে আনার বিষয়টি নীতিগতভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্ন গ্রেডের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ গ্রেডের বেতনও নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমন্বয় করা হবে। গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন পে স্কেলের সুবিধা শুধু কর্মরতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, পেনশনভোগীরাও এর আওতায় আসতে পারেন। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক অবস্থায় কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও কাজ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ কমিটি। নতুন কাঠামোর সঙ্গে এ ভাতা কিভাবে সমন্বয় করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

অর্থনীতিবিদ ও প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সরকারি ঘোষণার পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানা যাবে।

১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয়

অনলাইন ডেস্ক
১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয়
ফাইল ছবি

ফল রপ্তানি করে ১১ মাসে ১২ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। গেল ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ফল রপ্তানি থেকে আয় ৮২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই ফল রপ্তানি থেকে দেশের সর্বোচ্চ আয় বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি)।

সূত্র জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আম, পেয়ারা, কাঁঠালসহ বিভিন্ন দেশীয় ফলের চাহিদা বাড়ায় গত তিন অর্থবছর ধরে এ খাতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফল রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণে উন্নতি, রপ্তানিমুখী ফল চাষের সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ ফল রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ‘বাদাম, তাজা বা শুকনো’ শ্রেণির পণ্য থেকে রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ এসেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার, যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় ছিল ৬ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

এছাড়া হিমায়িত ফল ও বাদাম রপ্তানি থেকে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে। তাজা ফলের রপ্তানিও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

রপ্তানিকারকদের মতে, গ্রীষ্ম মৌসুমে আম এখনো দেশের প্রধান রপ্তানি ফল। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এর চাহিদা বেশি।

উন্নত মান ও প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে পেয়ারা ও কাঁঠালও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাশাপাশি আনারস, লিচু, কলাসহ অন্যান্য মৌসুমি ফলের চাহিদাও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের ফল সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশসহ বিভিন্ন গন্তব্যে রপ্তানি হচ্ছে।

ইপিবির পরিচালক কুমকুম সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশে ফল চাষে, বিশেষ করে পার্বত্য জেলাগুলোতে, উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। পার্বত্য অঞ্চলে এক ধরনের ফল বিপ্লব ঘটছে। ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম ও কফির মতো ফসলের চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।"

এ বিষয়ে ইপিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ‘ফল রপ্তানি দেশের অর্থনীতিতে বেশি অবদান রাখে, কারণ এ খাত মূলত দেশীয় কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। অন্যান্য অনেক খাতের মতো ফল উৎপাদনে আমদানিনির্ভর উপকরণের প্রয়োজন খুব বেশি হয় না।