• ই-পেপার

ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি : রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কর্তৃক সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্নির্মাণের জন্য দেশটির ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ সম্পদ উপসাগরীয় দেশগুলোতে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরান সম্প্রতি কুয়েত ও বাহরাইনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ওয়াশিংটন এই নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উটে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি (অর্থ) সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইতিমধ্যেই একটি দলকে উপসাগরীয় মিত্রদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইরান কোনো ধ্বংসযজ্ঞ চালালে তা মেরামতের জন্যও দেশটির এই সম্পদ ব্যবহার করার বিষয়টি বিবেচনা করবে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যার ঠিক একদিন আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ী সিএনএন-কে বলেছিলেন, তিন মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধের শান্তি চুক্তিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আটকে থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

আরো পড়ুন
ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন

ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন

 

ট্রেজারি বিভাগ ঠিক কোন ধরণের সম্পদ স্থানান্তরের কথা ভাবছে তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি কেবল অবরুদ্ধ ব্যাংক হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি আরো বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বর্তমানে দুই দেশের শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে।

অবশ্য এর মধ্যেই মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের একজন মন্ত্রী শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির জন্য একটি বিশেষ চিঠি নিয়ে তেহরান পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে শনিবার ভোরে হরমুজ প্রণালীর গরুক এবং কেশম দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, সামুদ্রিক চলাচলের জন্য হুমকি তৈরি করা বেশ কিছু ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার পর এই পাল্টা হামলা চালানো হয়।

জবাবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করে। কুয়েত সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আবাসিক এলাকার ওপর দিয়ে যাওয়া ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে, যার ফলে কোনো হতাহত না হলেও বেশ কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে বাহরাইনেও হামলার সাইরেন বাজলে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি শনিবার তেহরানে পৌঁছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নকভি জানান, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের পক্ষ থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনির উদ্দেশ্যে পাঠানো একটি ‘বিশেষ চিঠি’ নিয়ে এসেছেন।

আরো পড়ুন
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জন্য পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে আসছিল, যেখানে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য তুলে রাখার কথা বলা হয়েছিল। তেহরান মূলত তাদের বিলিয়ন ডলারের তেলের রাজস্বের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চায়। উল্লেখ্য, যুদ্ধের আগে এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হতো, যা এখন কার্যত অবরুদ্ধ।

এদিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় এবং তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের অভ্যন্তরে তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। তবে ট্রাম্প ‘এনবিসি নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে।

‘তাদের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে। শতাংশের হিসেবে হয়তো ২১% থেকে ২২% ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে। সংখ্যায় এটি অনেক হলেও, আমরা প্রথম যখন আক্রমণ করেছিলাম তখনকার তুলনায় এটি কিছুই নয়’ বলে মন্তব্য করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের সমান্তরালে লেবাননেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিণ লেবাননে একটি সামরিক যানের ওপর ইসরায়েলি হামলায় লেবানন সেনাবাহিনীর দুইজন কর্মকর্তা এবং একজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি না হলে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি করবে না।

আরো পড়ুন
বিসিবি নির্বাচন আজ

বিসিবি নির্বাচন আজ

 

এরই মধ্যে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাসেম ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতাকৃত একটি শান্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন, কারণ সেখানে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কোনো শর্ত ছিল না। ইসরায়েলও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও তারা লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ বা সেনা প্রত্যাহার করবে না।

ভারতের যুবসমাজ কারো হাতের পুতুল নয় : বিজেপি সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের যুবসমাজ কারো হাতের পুতুল নয় : বিজেপি সভাপতি
সংগৃহীত ছবি

ডিজিটাল যুগের শক্তি ব্যবহার করে দেশের তরুণ সমাজকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা ভারতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। শনিবার (৬ জুন) ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে এক দলীয় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসে কিছু লোক ভাবছে তারাই ভারতের যুবসমাজকে দিকনির্দেশনা দেবে কিংবা তাদের হাতের পুতুল বানাবে; কিন্তু তা হতে দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, যুবকদের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই দেশ এগিয়ে চলেছে। যারা তরুণদের নেতিবাচক রাজনীতিতে টানতে চায়, তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি—ভারতের যুবকরা ইতিবাচক রাজনীতিই করবে। আমরা অবশ্যই গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করব, কিন্তু গণতন্ত্রের মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না।

বিজেপি সভাপতির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন রাজধানী দিল্লির জন্তর মন্তরে বিরোধী দলগুলোর সমর্থনে একটি তুমুল বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে।

তিনি মূলত বিদেশ-ফেরত একজন রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচয়িতা এবং আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সাবেক কর্মী। যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল তৈরি করেন, যা অল্প সময়ে ব্যাপক ফলোয়ার পায়। 

সূত্র : এনডিটিভি

রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা

অনলাইন ডেস্ক
রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা

ব্রিটিশ রাজকুমারী অ্যানের পুত্র পিটার ফিলিপসের বিয়েতে অংশ নিয়েছেন রাজা চার্লস ও ব্রিটেনের জ্যেষ্ঠ রাজপরিবারের সদস্যরা। শনিবার (৬ জুন) দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সাইরেন্সেস্টারের কাছে কেম্বলের অল সেন্টস চার্চে এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে এই রাজকীয় বিয়ের আয়োজন করা হয়।

বিয়েতে বর পিটারের মা রাজকুমারী অ্যান, তার স্বামী টিমোথি লরেন্স ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজা চার্লস, রানি ক্যামিলা এবং সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন। এ ছাড়া প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই কন্যা রাজকুমারী ইউজেনি ও বিয়াট্রিসসহ রাজপরিবারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও এই আনন্দঘন মুহূর্তে যোগ দেন।

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জ্যেষ্ঠ নাতি পিটার ফিলিপস বর্তমানে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় ১৯তম স্থানে রয়েছেন। তবে তিনি রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন না; পেশাগত জীবনে তিনি একজন ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। অন্যদিকে, কনে হ্যারিয়েট স্পার্লিং পেশায় একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নার্স।

এটি পিটার ফিলিপসের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে অটাম কেলির সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হয়।

সূত্র : রয়টার্স

ইউরোপে অবৈধ অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপে অবৈধ অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষোভ
ছবি : রয়টার্স

ফ্রান্সে ঐতিহাসিক ডি-ডে বা নরম্যান্ডি অবতরণের ৮২তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে ইউরোপের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের উপকূলে এক ধরনের আক্রমণ বা অনুপ্রবেশ ঘটতে দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

১৯৪৪ সালে নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে ইউরোপকে মুক্ত করতে মিত্রবাহিনীর ঐতিহাসিক অভিযানের স্মৃতিচারণ করে নরম্যান্ডিতে দাঁড়িয়ে হেগসেথ বলেন, আজ দুঃখজনকভাবে স্পেন, ইতালি, গ্রিস ও বুলগেরিয়ার সৈকতগুলো বিপজ্জনক মতাদর্শ, নৌকা ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। ইউরোপের রাজধানীগুলো এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কবে পদক্ষেপ নেবে, সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, বহু কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতা নিয়ে ইউরোপ অতিরিক্ত আরামদায়ক অবস্থানে চলে গেছে।

হেগসেথের এই বক্তব্য মূলত ইউরোপীয় অভিবাসন নীতি নিয়ে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই একটি বড় অংশ। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জাতিসংঘে সতর্ক করেছিলেন যে, ‘অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের’ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো ‘নরকের দিকে যাচ্ছে’। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান ধারা চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে ইউরোপ পুরোপুরি বদলে যাবে এবং সভ্যতা বিলুপ্তির মুখে পড়বে।

গত শুক্রবার (২৯ মে) মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যুক্তরাজ্যে এক ব্রিটিশ ছাত্রের মৃত্যুর জন্য অভিবাসীদের ব্যাপক অনুপ্রবেশকে দায়ী করে বক্তব্য দেন। যদিও যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস নিশ্চিত করেছে যে, ওই ঘটনার হামলাকারী জন্মসূত্রে একজন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। 

বর্তমানে ইউরোপ জুড়ে অভিবাসন একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং কঠোর অভিবাসন নীতি সমর্থনকারী দলগুলোর জনসমর্থনও দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সমুদ্রপথে ইউরোপে রেকর্ড ১০ লক্ষাধিক মানুষের আগমন ঘটেছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ জুনের মধ্যে ৯,১৪২ জন ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে গেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৮% কম।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন প্রশাসনের এই ঢালাও সমালোচনাকে ঠিক নয় বলে প্রত্যাখ্যান করলেও, ছোট নৌকায় অবৈধভাবে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার বিষয়টিকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন অভ্যন্তরীণভাবেও অভিবাসন-বিরোধী নীতিকে তাদের প্রধান স্তম্ভ বানিয়েছে, যার অংশ হিসেবে গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে।

সূত্র : বিবিসি