বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার মধ্যে ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাম্পায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল মূলত বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা। ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল দুই অর্ধে ভিন্ন দুটি একাদশ খেলান এবং পুরো ম্যাচজুড়েই তার দল বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।
প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল পাচ্ছিল না ইংল্যান্ড। জন স্টোনস কর্নার থেকে পাওয়া হেডের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। অলিভার ওয়াটকিন্সও জর্ডান হেন্ডারসনের ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া সুযোগ নষ্ট করেন।
বাম প্রান্তে মার্কাস রাশফোর্ড ছিলেন বেশ সক্রিয়। তার গতিময় আক্রমণ একাধিকবার নিউজিল্যান্ডের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে। ৩৪তম মিনিটে তার ক্রস থেকে হ্যারি কেনের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকোম্ব।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ইংল্যান্ড। জেড স্পেন্সের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ ফ্লিক হেডে বল জালে জড়ান কেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি ছিল তার ১১৩ ম্যাচে ৭৯তম গোল।
নিউজিল্যান্ড ম্যাচে খুব কমই আক্রমণে যেতে পেরেছে। তাদের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সুযোগ আসে ম্যাট গারবেটের শটে, যা ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে জুড বেলিংহ্যাম, আইভান টনি, টিনো লিভরামেন্তো ও তরুণ রিও এনগুমোহাকে মাঠে নামান টুখেল। ইংল্যান্ড আক্রমণের গতি বাড়ালেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি।
ড্যান বার্নের একটি হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে আইভান টনি ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টির দাবি তুললেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।
বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচ রয়েছে কোস্টা রিকার বিপক্ষে। এরপর ১৭ জুন ডালাসে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান।





