• ই-পেপার

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২
ওহাইওর একটি উৎসবে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ছবি : ডব্লিউডব্লিউএসবি

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরের গ্রীষ্মকালীন একটি উৎসবের কাছে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ‘সন্দেহভাজন বা সন্দেহভাজনদের’ খুঁজছে স্থানীয় পুলিশ। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

টলেডো পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে ‘ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভিাল’-এর কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে বেশ কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ১০ জন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসুকেভিচ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডব্লিউটিওইএল ১১’-কে জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ সবাই বেঁচে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

টলেডোর ডেপুটি পুলিশ প্রধান জো বলেছেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে দুজন ব্যক্তি অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়েছে এবং তারা ‘সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল।’

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আচমকা একঝাঁক গুলির শব্দে মানুষজন চিৎকার করতে করতে দিগ্বিদিক ছুটে পালাচ্ছেন। অন্য কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, দুইজনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত মানুষ একটি শামিয়ানার পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছেন। বিবিসি এই ভিডিওগুলোর সত্যতা এখনো পুরোপুরি যাচাই করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

আরো পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার ক্ষতিপূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

 

উৎসবের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভাল’ হলো দুই দিনব্যাপী একটি আয়োজন। লাইভ মিউজিক, ফুড মার্কেট, বিয়ার গার্ডেন এবং শপিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম এই ঐতিহাসিক এলাকাটি উদযাপন করতে প্রতিবছর বহু মানুষ এখানে সমবেত হন।

পুলিশ জানিয়েছে, উৎসবের যেখানে গান ও খাবারের আয়োজন ছিল, অর্থাৎ ‘ডেলাওয়্যার এভিনিউ’ ও ‘রবিনউড এভিনিউ’য়ের সংযোগস্থলকে কেন্দ্র করে বর্তমানে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

আরো পড়ুন
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

 

এই ঘটনার পর ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন এই উৎসবগুলো হওয়া উচিত ছিল পরিবারের সবার একসঙ্গে নির্ভয়ে সময় কাটানোর একটি নিরাপদ জায়গা। ওল্ড ওয়েস্ট অ্যান্ড ফেস্টিভালের এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য আমি ও ফ্রান (গভর্নরের স্ত্রী) প্রার্থনা করছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুতই এই কাণ্ডজ্ঞানহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে।’

প্রাতাস দ্বীপে চীনা জাহাজের অনুপ্রবেশ, তাইওয়ানের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রাতাস দ্বীপে চীনা জাহাজের অনুপ্রবেশ, তাইওয়ানের ক্ষোভ
ছবি : রয়টার্স

দক্ষিণ চীন সাগরের প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের জলসীমায় চীন প্রথমবারের মতো সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি করেছে তাইওয়ান। দেশটির উপকূলরক্ষী বাহিনী শনিবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানকে উসকানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি চীনা উপকূলরক্ষী জাহাজ ও একটি জরিপ জাহাজ যৌথভাবে এই তৎপরতা চালিয়েছে।

তাইওয়ান-নিয়ন্ত্রিত প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জটি দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত। বেইজিংয়ের সার্বভৌমত্ব দাবির অংশ হিসেবে দ্বীপটি এখন চীন-তাইওয়ানের সামরিক ও আধা-সামরিক দ্বন্দ্বের নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূল তাইওয়ান দ্বীপ থেকে এর দূরত্ব ৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি হওয়ায় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই অঞ্চলটিকে চীনা আক্রমণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন। তাইওয়ানের উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার (৫ জুন) একটি চীনা উপকূলরক্ষী জাহাজ এবং শনিবার (৬ জুন) একটি জরিপ জাহাজ প্রাতাস দ্বীপের জলসীমায় প্রবেশ করে।

অভিযানের সময় চীনা উপকূলরক্ষী জাহাজটি বেতার বার্তার মাধ্যমে জানায়, তারা সেখানে নিয়মিত আইন প্রয়োগকারী অভিযান চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা প্রচার করে যে তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ শুধু চীনের সঙ্গে জাতীয় পুনর্মিলনের মধ্যেই নিহিত। পরবর্তী সময়ে তাইওয়ানও দ্রুত নিজেদের জাহাজ পাঠায়। তাইওয়ানিজ জাহাজ থেকে পাল্টা বার্তায় বলা হয়, ‘শান্তি বিঘ্নিত করা বন্ধ করুন। আপনাদের ফিরে গিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত—এটাই আপনাদের দেশের সেবা করার সঠিক পথ।’

এদিকে তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব জোসেফ উ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জাহাজ দুটির গতিপথের মানচিত্র প্রকাশ করে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন। চীনকে ‘অসুস্থ গুণ্ডা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বেইজিং এই অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। চীন প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করলেও তাইওয়ান সরকার তা বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে। 

সূত্র : রয়টার্স

ভারতের যুবসমাজ কারো হাতের পুতুল নয় : বিজেপি সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের যুবসমাজ কারো হাতের পুতুল নয় : বিজেপি সভাপতি
সংগৃহীত ছবি

ডিজিটাল যুগের শক্তি ব্যবহার করে দেশের তরুণসমাজকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা ভারতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। শনিবার (৬ জুন) ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে এক দলীয় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বসে কিছু লোক ভাবছে তারাই ভারতের যুবসমাজকে দিকনির্দেশনা দেবে কিংবা তাদের হাতের পুতুল বানাবে; কিন্তু তা হতে দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, যুবকদের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই দেশ এগিয়ে চলেছে। যারা তরুণদের নেতিবাচক রাজনীতিতে টানতে চায়, তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি—ভারতের যুবকরা ইতিবাচক রাজনীতিই করবে। আমরা অবশ্যই গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করব, কিন্তু গণতন্ত্রের মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না।

বিজেপি সভাপতির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন রাজধানী দিল্লির জন্তর মন্তরে বিরোধী দলগুলোর সমর্থনে একটি তুমুল বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে।

তিনি মূলত বিদেশফেরত একজন রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচয়িতা এবং আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সাবেক কর্মী। যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল তৈরি করেন, যা অল্প সময়ে ব্যাপক ফলোয়ার পায়। 

সূত্র : এনডিটিভি

ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি : রয়টার্স

ভারতের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করার যেকোনো বাহ্যিক চেষ্টা বা ‘নিষেধাজ্ঞার হুমকি’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উল্টো হিতে বিপরীত বা ‘বুমেরাং’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ভারতকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি এই মন্তব্য করেন। দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বার্ষিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিন এই কথা বলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বার্তা সংস্থাগুলোর প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময়েও তিনি প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি তাৎক্ষণিকভাবে বুমেরাং হয়ে ধেয়ে আসবে।’

প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পুতিন অতীতে নরেন্দ্র মোদির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্মরণ করেন।

পুতিন বলেন, ‘আমি জানি প্রধানমন্ত্রী মোদি কখনোই সেই বিষয়টি ভুলে যাবেন না। তবে আজ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তার ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। যতটুকু আমি বুঝি, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক বেশ সফলভাবেই এগিয়ে চলেছে।’

রাশিয়ার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ কিংবা শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৫০০ ক্রয় করলে ভারতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে পুতিন স্পষ্ট জানান, নয়াদিল্লি কোনো বাহ্যিক চাপে মাথা নত করবে না।

পুতিন বলেন, ‘ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। যে পণ্যটি তাদের কাছে সবচেয়ে আধুনিক, উপযোগী ও সাশ্রয়ী মনে হবে, সেটি বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। লোকে কে কী বলল বা ভাবল, তাতে ভারতের কিছু যায় আসে না। তারা সবসময় এভাবেই কাজ করে এসেছে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, অন্যান্য অংশীদারদের মতো ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কও কোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ ডিক্টেশন দিতে (হুকুম চালাতে) পারে না... কেউ আমাদের ওপর হুকুম চালানোর সাহসও করবে না। আমরা যা সঠিক মনে করি, সবসময় তা-ই করব। বিশেষ করে ভারতের মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমরা সবসময় রক্ষা করব।’

ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে পুতিন বলেন, এই সম্পর্ক কেবল সাধারণ বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

রাশিয়া ও ভারত শুধু পণ্য কেনাবেচা করে না, বরং যৌথভাবে গবেষণা ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করে। দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা মিলে ইতিমধ্যেই মাঝারি পাল্লার ‘ব্রাহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছেন।

পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ প্রসঙ্গে পুতিন জানান, রাশিয়া প্রথমে যৌথভাবে এটি তৈরির প্রস্তাব দিলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাশিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতেই এটি তৈরি করেছে। পুতিন দাবি করেন, ‘সুখই-৫৭ অত্যন্ত চমৎকার একটি যুদ্ধবিমান, সম্ভবত এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার জেট। আমরা এটি ভারতের কাছে বিক্রি করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

কয়েক দশক ধরে রাশিয়াই ভারতের প্রধান সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী দেশ। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটা এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব হওয়ার কারণে নয়াদিল্লি বর্তমানে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে এবং বিকল্প উৎসের সন্ধানে জোর দিচ্ছে।

ভারত তার নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য এএমসিএ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসের বৃহত্তম দেশীয় মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রকল্প।

ভারতের নিজস্ব ‘এএমসিএ’ যুদ্ধবিমান ২০৩৫ সালের আগে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে (আইএএফ) যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই অন্তর্বর্তীকালীন শূন্যতা পূরণে এবং বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে ভারত সরকার রাশিয়ার কাছ থেকে অন্তত দুই স্কোয়াড্রন (প্রায় ৩৬টি) সুখই-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার কথা বিবেচনা করছে, যদি সেগুলো ভারতের সব কারিগরি শর্ত পূরণ করতে পারে।