• ই-পেপার

১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার আয়

নতুন বেতন কাঠামো

রূপরেখা চূড়ান্ত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা

অনলাইন ডেস্ক
রূপরেখা চূড়ান্ত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা

 

১ জুলাই থেকে জাতীয় বেতন কাঠামো (পে স্কেল) কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে সরকারের ভেতরে প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনাই বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং বাজেটের ওপর চাপ বিবেচনায় রেখে নতুন পে স্কেল তিনটি ধাপে কার্যকর করার প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হয়েছে। এতে করে একদিকে ব্যয়ের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো সংস্কারের কাজও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবু সম্ভাব্য সময়সীমা ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আগ্রহের পাশাপাশি কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে। বিশেষ করে কবে থেকে এবং কিভাবে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা কার্যকর হবে, তা নিয়ে পরিষ্কার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন তারা।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের একটি বড় অংশ বৃদ্ধি করার চিন্তা রয়েছে। পরবর্তী ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হতে পারে। আর তৃতীয় ধাপে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য করে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্রগুলো আরো জানায়, নতুন কাঠামোতে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতনবৈষম্য কমানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান কমিয়ে আনার বিষয়টি নীতিগতভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্ন গ্রেডের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ গ্রেডের বেতনও নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সমন্বয় করা হবে। গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন পে স্কেলের সুবিধা শুধু কর্মরতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, পেনশনভোগীরাও এর আওতায় আসতে পারেন। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক অবস্থায় কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও কাজ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ কমিটি। নতুন কাঠামোর সঙ্গে এ ভাতা কিভাবে সমন্বয় করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

অর্থনীতিবিদ ও প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সরকারি ঘোষণার পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানা যাবে।

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
তিন দিনের সফরে রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ফাইল ছবি

তিন দিনের সরকারি সফরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। সফর শেষে আগামী ৯ জুন দেশে ফেরার কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বহুপক্ষীয় কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সফরের দ্বিতীয় দিনে মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। এ ছাড়া রুশ সরকারের কয়েকজন শীর্ষ প্রতিনিধির সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত

অনলাইন ডেস্ক
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থান কত
সংগৃহীত ছবি

টানা কয়েক দিনের তাপদাহের পর ঢাকায় দেখা মিলেছে বৃষ্টির। তারপরও বাতাসের মানের উন্নতি হয়নি। রবিবার (৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় আজ সকাল সোয়া ৮টায় দূষণের দিক থেকে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান পঞ্চম।

আইকিউএয়ারের লাইভ র‍্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকার বায়ুমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১২৯ পয়েন্ট। এই স্কোর অনুযায়ী বাতাসের মানকে সংবেদনশীল মানুষের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের জন্য এই বাতাস তুলনামূলক সহনীয় হলেও শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ।

আজ সকালে বৈশ্বিক দূষণের এই তালিকায় ২১১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। আইকিউএয়ারের মানদণ্ডে কঙ্গোর রাজধানীর বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। এর পরেই ১৬৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এবং ১৫৫ ও ১৫১ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর ও চিলির সান্তিয়াগো।

তালিকার শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলোর মধ্যে চীনের উহান ১২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ এবং সেনেগালের ডাকার ১১০ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতা ৯৬ পয়েন্ট, ইরাকের বাগদাদ ৮৬ পয়েন্ট এবং পাকিস্তানের করাচি ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ অবস্থায় রেখে তালিকার যথাক্রমে অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকলে তা সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এই সময়ে ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করা এবং বিশেষ করে ফুসফুসের রোগীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

আজকের বৈশ্বিক চিত্রে যেখানে কিনশাসার বাতাস মারাত্মক উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে, সেখানে মাত্র ১৫ একিউআই স্কোর নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক আজ বিশ্বের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।

দেশে ফিরেছেন ৩৭৪৩৫ হাজি, ৪৮ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরেছেন ৩৭৪৩৫ হাজি, ৪৮ জনের মৃত্যু

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৪৩৫ হাজি দেশে ফিরেছেন। দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৮ জন। চিকিৎসাধীন ২২ জন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৩৭ হাজার ৪৩৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায়  ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৪ হাজার ১০৭ জন রয়েছেন। আর ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৪ হাজার ৬০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১৪ হাজার ২৪১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৭ হাজার ৭০০ জন হাজি পরিবহন করেছে।

এ পর্যন্ত মোট ৮৯টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩৪টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৩৫টি এবং ফ্লাইনাস ২০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। মারা যাওয়াদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১২ ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। 

এছাড়া, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৩৯৮ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২২ জন হাজি।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।