• ই-পেপার

রামিসা ধর্ষণ-হত্যায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

শীর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পি সহযোগীসহ রিমান্ড শেষে কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শীর্ষ সন্ত্রাসী বাপ্পি সহযোগীসহ রিমান্ড শেষে কারাগারে
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির মামলায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে মতিঝিল এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এ আদেশ দেন।

এদিন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুর রহমান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১৭ জুলাই সকালে হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে তানিম রেজা বাপ্পিকে এবং একই দিন দুপুরে উত্তর কমলাপুর এলাকা থেকে রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ১৮ জুলাই আদালত তাদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী ইসমাইল হোসেন একজন ব্যবসায়ী। পাশাপাশি তিনি মতিঝিল থানাধীন ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবসংলগ্ন কোরবানির অস্থায়ী গরুর হাটের ইজারাদার।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৫ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের এজিবি কলোনি এলাকায় অবস্থানকালে ইসমাইল হোসেনের মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে। কল রিসিভ করার পর আসামিরা গরুর হাটে তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে অংশীদার হিসেবে রাখার জন্য চাপ দেন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে এবং তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে অংশীদার না করলে তাকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

পরে গত ১৯ মে সকাল ১০টার দিকে কোরবানির পশুর হাটসংক্রান্ত এক সভায় থাকা অবস্থায় ইসমাইল হোসেন তার ভাগনে হৃদয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন, ভোরে দুর্বৃত্তরা তার অফিসে গুলি চালিয়েছে। এ ঘটনায় পরদিন ২০ মে তিনি বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন।

কাফরুলে যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা : শ্যুটার চঞ্চল ৩ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কাফরুলে যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা : শ্যুটার চঞ্চল ৩ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদলকর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শ্যুটার মো. চঞ্চল মোল্যাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে কাফরুল থানার অস্ত্র আইনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

এদিন আসামি চঞ্চল মোল্যাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক ইউসুফ আলী ভূইয়া তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানাধীন এলাকায় একই থানার বিএনপির সদস্যসচিব মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু ও ভিকটিম ইউসুফসহ অন্যান্য লোকজন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিলেন। এ সময় আসামি চঞ্চল ও তার সহযোগী পলাতক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি করেন।

গুলিটি ইউসুফের বুকের ডান পাশে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করলে আসামিরা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। এলোপাতাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। উপস্থিত লোকজন গুলিবিদ্ধ ইউসুফ, নালাম সরদার ও মনিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ইউসুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ সময় পালাতে গেলে কাফরুল থানাধীন একটি দোকানের সামনে আসামি চঞ্চল মোল্যাকে উপস্থিত লোকজন অস্ত্র-গুলিসহ আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। তার দেহ তল্লাশি করে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি চঞ্চল নিজের পরিচয় জানান। পাশাপাশি জিহাদ মোল্লা, মো. জিয়ারুল, হাসানসহ অজ্ঞাতদের নাম প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে ২৩৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি

বাসস
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে ২৩৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২ হাজার ৩৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর সামগ্রিক কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সেখানে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড-এর যাত্রা শুরু। সেই থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত আইনি সহায়তাপ্রাপ্ত উপকারভোগী মোট ৩০ হাজার ৬৯৬ জন।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে ৩ হাজার ৪১৩টি মামলায় সরাসরি আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২ হাজার ৩৪৬টি মামলা।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২৭ হাজার ২৮৩টি আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। 

আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ও অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা দিতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই : চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই : চিফ প্রসিকিউটর
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। ফাইল ছবি

শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ শনিবার তিনি এ তথ্য জানান।

এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, এ মামলায় গত ১৪ মে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখান ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ৭ মে দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। 

প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর কেন্দ্রিক ঘটনায় ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে তদন্ত সংস্থার তথ্য।