• ই-পেপার

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ওয়ার্ল্ড পোয়েট্রি ডে-২০২৬ উদযাপন

নোয়াখালীর মাইজদীতে মীনা বাজারের নতুন আউটলেট উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
নোয়াখালীর মাইজদীতে মীনা বাজারের নতুন আউটলেট উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর মাইজদীতে নতুন আউটলেট উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সুপারশপ ব্র্যান্ড মীনা বাজার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মাইজদী হাউজিং স্টেট এলাকার প্লট-১, রোড-৩৬-এ নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়। এটি নোয়াখালীর মাইজদীতে মীনা বাজারের প্রথম আউটলেট এবং শীঘ্রই এই অঞ্চলে আরো নতুন আউটলেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন আউটলেটটি উদ্বোধন করেন মীনা বাজারের চিফ অপারেটিং অফিসার (COO) শামীম আহমেদ জাইগীরদার এবং প্রতিষ্ঠানের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উদ্বোধনকালে শামীম আহমেদ জাইগীরদার বলেন, ‘নোয়াখালীর মাইজদীতে আমাদের নতুন আউটলেট চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। মাইজদীর মানুষের আতিথেয়তা ও ব্যবহার গভীরভাবে আমাদের অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করেছে। মাইজদীর জীবনযাত্রা, সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও স্থানীয় জনপদের অংশ হতে পেরে মীনা বাজার সত্যি গর্বিত। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় গ্রাহকদের জন্য একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য কেনাকাটার পরিবেশ নিশ্চিত করা। সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কনজিউমার পণ্য সরবরাহ করে আমরা গ্রাহকদের জন্য সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই। মাইজদীবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াকে মাথায় রেখে ভবিষ্যতে এই এলাকায় আরো নতুন আউটলেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।”

মাইজদী এলাকার বাসিন্দারা ০১৩৩৫-১৮৮৮৫৩ নম্বরে কল করে হোম ডেলিভারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এ ছাড়া meenabazaronline.com ওয়েবসাইট ভিজিট করে অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগও রয়েছে। মানসম্মত পণ্য ও সেবার মান বজায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক দামে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে মীনা বাজার এগিয়ে যাচ্ছে।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে ব্র্যাক ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার কাসা ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি

অনলাইন ডেস্ক
চলতি বছরের প্রথমার্ধে ব্র্যাক ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার কাসা ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সেভিংস অ্যাকাউন্ট (CASA) ডিপোজিটে ৫ হাজার কোটি টাকার লক্ষণীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক। এই অর্জন ব্যাংকটির প্রতি গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান আস্থা এবং ব্যাংকের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সক্ষমতার প্রতিফলন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিপোজিট প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় অর্জিত অর্জিত হয়েছে এই মাইলফলকটি। রিলেশনশিপ-বেসড ব্যাংকিং এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণে টেকসইতা বজায় রেখেছে ব্যাংকটি। ব্যাংকের এই উল্লেখযোগ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক।

এই সাফল্য উদ্‌যাপনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্র্যাক ব্যাংক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র জোনাল হেড তাহের হাসান আল মামুন এবং রিজিওনাল হেড ও ব্রাঞ্চ ম্যানেজাররাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘আমাদের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের অবিচল আস্থা এবং ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের নিবেদিত প্রচেষ্টা।’

তিনি আরো বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে গ্রাহকের সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, এই অর্জন তার-ই প্রতিফলন। গ্রাহকদের উন্নত ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদানের মাধ্যমে এই ব্যাংকিং সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক তৈরির কৌশল নিয়ে আইএসইউতে বিশেষ সেমিনার

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক তৈরির কৌশল নিয়ে আইএসইউতে বিশেষ সেমিনার
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির (আইএসইউ) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ল্যাবে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ মুসতাফা।

সেমিনারে ড. আহমেদ মুসতাফা তাঁর দীর্ঘ একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে গবেষণার প্রসার, উদ্ভাবনী শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং কার্যকর একাডেমিক নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাইলে প্রথমে বিশ্বমানের শিক্ষক তৈরি করতে হবে। আর সে জন্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সংযোগের কোনো বিকল্প নেই। সেমিনারে তিনি ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উপস্থিত শিক্ষকদের আত্ম উন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন শেখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চমানের পিএইচডি স্কলারশিপ ও গবেষণা তহবিল অর্জনের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। তিনি গবেষণার অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র প্রকাশ, শক্তিশালী গবেষণা প্রস্তাব প্রস্তুত এবং সম্ভাব্য সুপারভাইজারের সঙ্গে কার্যকর ও পেশাদার যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. একরামুল হক বলেন, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই শিক্ষকদের জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে আইকিউএসি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানোন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করবে।

সেমিনারের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অ্যাকাডেমিক নেতৃত্ব এবং পেশাগত উন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। প্রধান বক্তা বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এইচটিএম কাদের নেওয়াজ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাসেম, রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারপার্সনসহ শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ। অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা সেমিনারটিকে পেশাগত উন্নয়ন ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।

সেমিকন্ডাক্টর ও বিয়ার সামিট

ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

উন্নত প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিকস, স্মার্ট উৎপাদন এবং উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরেছে ড্যাফোডিল গ্রুপ। শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকার আগারগাঁওয়ে ভাসানী নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিয়ার সামিট-২০২৬-এ ড্যাফোডিল গ্রুপ শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প এবং উদ্ভাবনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি প্রযুক্তিনির্ভর ইকোসিস্টেম উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম (এমপি) এবং মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট সচিবরা।

প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী ড্যাফোডিলের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগ বিশেষ করে ‘ডিসিএল হাই-টেক’-এর ল্যাপটপ ও আইসিটি হার্ডওয়্যার উৎপাদন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।  

ড্যাফোডিলের এই প্রয়াসের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী এসব পণ্যকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পরিচয়ে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার ওপর জোর দেন এবং দেশের প্রদেয় উৎপাদন সক্ষমতাকে গর্বের সঙ্গে উদযাপনের আহ্বান জানান।  

প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সৌজন্য মতবিনিময় হয়। এ সময় ড. মো. সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান সম্পর্কে তুলে ধরেন এবং জানান, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম আরো স্বল্প ব্যয়ে ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ ধরনের উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টারাও বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পাশাপাশি ড. মো. সবুর খান প্রধানমন্ত্রীকে ড্যাফোডিল হাই-টেক পার্ক পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান এবং বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হাই-টেক পার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নকে আরো গতিশীল করতে ২০০১ সালে প্রয়াত সাবেক প্রাধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠিত আইসিটি টাস্কফোর্স পুনরায় সক্রিয় করার প্রস্তাব তুলে ধরলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্যাভিলিয়নের প্রধান আকর্ষণ ও প্রদর্শনীরা

ডিসিএল হাই-টেক (DCL Hi-Tech): আধুনিক ইলেকট্রনিকস উৎপাদন সক্ষমতা প্রদর্শনে সারফেস মাউন্ট প্রযুক্তি (SMT), প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (PCB) সংযোজন, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং গুণগত মান নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন পর্যায় তুলে ধরা হয়। 

ড্যাফোডিল রোবটিকস (Daffodil Robotics): রোবটিকস, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, এমবেডেড সিস্টেম এবং এআই-ভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধানের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের তৈরি শিল্প-সহায়ক প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে।  
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIU): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), আইওটি (IoT), সাইবার নিরাপত্তা, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR), ক্যাপস্টোন প্রকল্প ও স্টার্টআপ উন্নয়নের পাশাপাশি যৌথ গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির পদক্ষেপগুলো উপস্থাপন করছে।

ড্যাফোডিল সফটওয়্যার (Daffodil Software): প্রতিষ্ঠানটির এআই-ভিত্তিক সমাধান যেমন ‘এআই প্রফেসর’, ‘সেন্ট্রাল এআই’, ‘আইইউএমএস (IUMS)’ এবং ‘১ কার্ড’ প্রদর্শন করছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।  

বিয়ার সামিট ২০২৬-এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস নীতিনির্ধারক, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্প উদ্যোক্তা, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে গবেষণা, প্রযুক্তি স্থানান্তর, যৌথ উদ্ভাবন এবং শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারিত্বের নতুন সম্ভাবনাও সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প এবং প্রযুক্তির সমন্বিত এই উদ্যোগ বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ও উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও দক্ষ করে তুলতে সহায়ক হবে।