বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সেন্টার ফর সিভিল রাইটসের মহাসচিব ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবীর বলেছেন, পূর্ব পাকিস্তানকে ভাগ করা হয়েছে পাকিস্তানকে দুর্বল করার জন্য। আমাদের স্বাধীনতার জন্য নয়।
যারা বলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার জন্য ভারত সাহায্য করেছে এর থেকে মিথ্যাচার আর কোনো কিছু হতে পারে না। গত ৫৫ বছর অবৈধ সংবিধান দ্বারা এ দেশকে ভারতের দাসে পরিণত করা হয়েছে। যারা জয়লাভ করলেন ভোটের আগে তারা হ্যাঁ বলছেন। ভোটের পরে তারা বুঝতে চাচ্ছেন না, এই সংবিধান কেন অবৈধ।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২৪ ছিল ইসলামকে ধারণ করার, ২৪ ছিল ভারতের তাবিদারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ। জুলাই সনদ ছিল ইনসাফের প্রতীক। এই সংবিধান পরিবর্তন করা হলে আমার কোনো ভাই বোনকে সুদের দায়ে মৃত্যুবরণ করতে হবে না।
রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এই চুপ্পু হচ্ছে মালয়েশিয়া এবং দুবাইয়ের সিটিজেন। সংবিধানে লেখা রয়েছে কোনো বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবে না। এই রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা। এর বিচার করতে হবে। যার (রাষ্ট্রপতি) থাকার কথা কারাগারে, আর আপনি রেখেছেন ফাইভ স্টার হোটেলে।
তিনি বলেন, আমরা ভারত-পাকিস্তান কিছুই বুঝি না। যে জমিন আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন সেখানে ইসলাম কায়েম করতে চাই। এই জমিনে ভারতের তাবিদারি চলবে না।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল ও অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, খেলাফত মসজিসের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, ইসলামী ছাত্র শিবিবের জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম খান প্রমুখ।




