kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অতি বিপন্ন এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সবচাইতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বা এমভিসিসমূহের নাগরিক সমাজ। স্কটল্যান্ডের গ্ল্যাসগোতে চলমান জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৬) উপলক্ষে সম্মেলনস্থলের মিটিং রুমে আয়েজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। এ সময় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে নেট জিরো কার্বনের পরিবর্তে কার্বন নিঃসরণ একেবারেই বন্ধ করার দাবি জানানো হয়।

আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে ‘কপ-২৬ এবং এলডিসি এবং এমভিসিগুলোর জনগণের প্রত্যাশা-২৬’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্র“প বাংলাদেশ থেকে আমিনুল হক। সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন ভারতের পিপলস ফোরামের সৌম্য দত্ত, বাংলাদেশে থেকে মো. জিয়াউল হক মুক্তা (সেন্টার ফর সাসটেইনেবল রুরাল লাইভিলিহুড), মো. শামসুদ্দোহা (সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট), শামীম আরেফিন (অ্যাওসোড), জাহাঙ্গীর হোসেন মাসুম (সিডিপি) প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে আমিনুল হক নাগরিক সমাজের প থেকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোকে অবশ্যই তাদের ‘নেট জিরো টার্গেট’ তত্ত্ব পরিবর্তন করে তাদের নিজ নিজ দেশের এনডিসি (জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান) সংশোধন করতে হবে। যার ল্য হবে কার্বন নিঃসরণ মাত্রা ২০৫০ সালের মধ্যে শূণ্যে নামিয়ে আনা। আর উন্নত দেশগুলিকে গ্রিন কাইমেট ফান্ড এবং তাদের নিজস্ব উৎস্য থেকে এলডিসি এবং এমভিসিগুলির জন্য পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থাযন নিশ্চিত করতে হবে। য়-তির (লস এন্ড ড্যামেজ) জন্য অর্থায়নের আলাদা ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং সেই অর্থায়ন প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ সময় মো. শামসুদ্দোহা বলেন, উন্নত দেশগুলোর সংশোধিত এনডিসি এবং সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির বেশি হারে বাড়বে, যা অগ্রহণযোগ্য। এই ধরনের প্রোপটে উন্নত দেশগুলিকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রশমনের ল্েয বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমানোর একটি বৃহত্তর উচ্চাকাঙ্খা গ্রহণ করতে হবে। এর জন্য তাদের এনডিসি পুনরায় সংশোধন করে ২০৩০ এবং ২০৫০ সালের জন্য নতুন ল্য নির্ধারণ করতে হবে।

জীবাস্ম জ্বালানী ব্যবহার কমিয়ে ‘শূন্য নির্গমন’ এর ল্যমাত্র নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে জীবিকার সব উপায় হারায়। এেেত্র মানবাধিকার লঙ্ঘন একটি সাধারণ ঘটনা। এই সমস্যা সমাধানে অর্থ ও প্রযুক্তি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।



সাতদিনের সেরা