• ই-পেপার

তিন ঘণ্টার ভিডিওতে আফজাল হোসেনের জীবনের গল্প

নতুন রূপে ফিরছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘ফ্রি উইলি’

অনলাইন ডেস্ক
নতুন রূপে ফিরছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘ফ্রি উইলি’

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় ক্লাসিক পারিবারিক অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র ‘ফ্রি উইলি’ নতুন আঙ্গিকে আবারও বড় পর্দায় ফিরতে চলেছে। সিনেমাটির মূল ভাবনা ঠিক রেখে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের জন্য গল্পটিকে আধুনিক রূপে তৈরি করা হচ্ছে। জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির নতুন সংস্করণের চিত্রনাট্য লিখছেন মেরি-মার্গারেট কুঞ্জ ও জেড হ্যালি বার্টলেট। চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যান্থনি ও জো রুসোর সহ-প্রতিষ্ঠিত একটি বিখ্যাত প্রোডাকশন কম্পানি এই সিনেমাটি প্রযোজনা করছে। আর পুরো প্রজেক্টটির তত্ত্বাবধানে রয়েছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স

১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘ফ্রি উইলি’ চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এটি ছিল এক অনাথ বালকের সাথে বন্দি একটি অর্কার (কিলার হোয়েল) বন্ধুত্বের গল্প। অর্কা হলো ডলফিন পরিবারের বৃহত্তম প্রজাতির প্রাণী। মাত্র ২০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে তৈরি সিনেমাটি সে সময় বিশ্বব্যাপী ১৫৩.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে বক্স অফিসে ব্যাপক ঝড় তোলে। সিনেমার আইকনিক থিম সংটি বিলবোর্ড হট ১০০-এর শীর্ষ দশে স্থান করে নেওয়ার পাশাপাশি প্ল্যাটিনাম মর্যাদাও পেয়েছিল। কেইকো নামের একটি অর্কা অভিনীত এই সিনেমাটি কেবল ব্যবসাই করেনি, বরং জলজ প্রাণীদের বন্দিদশা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরিতেও বড় ভূমিকা রেখেছিল।

নতুন এই রিবুট সংস্করণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে মেরি-মার্গারেট কুঞ্জ এবং জেড হ্যালি বার্টলেটকে, যারা ‘মিলার'স গার্ল’ ও ‘আইসব্রেকার’-এর মতো ছবিতে কাজ করে ইতিমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন। ওয়ার্নার ব্রাদার্স-এর পক্ষ থেকে জেসি এহরম্যান ও কেট অ্যাডামস এই পুরো প্রজেক্টটি দেখাশোনা করছেন। নির্মাতাদের আশা, পুরনো আবেগ আর আধুনিক নির্মাণশৈলীর মিশেলে নতুন ‘ফ্রি উইলি’ বর্তমান সময়ের দর্শকদের মনেও আগের মতোই জায়গা করে নিতে পারবে।

বডি ডাবল ছাড়াই ২০ ঘণ্টা পানির নিচে শুটিং করলেন রাশমিকা

অনলাইন ডেস্ক
বডি ডাবল ছাড়াই ২০ ঘণ্টা পানির নিচে শুটিং করলেন রাশমিকা
সংগৃহীত ছবি

কোনো অ্যাকশন ডাবল বা স্টান্টম্যানের সাহায্য ছাড়াই নিজের পরবর্তী সিনেমা ‘মাইসা’-র জন্য পানির নিচে অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং শেষ করেছেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। নির্মাতাদের দাবি, এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে কোনো অভিনেত্রীর করা প্রথম পানির নিচের মারামারির দৃশ্য। এই দৃশ্যটি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে রাশমিকা দুই দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পানির নিচে কাটিয়েছেন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটির শুটিংয়ের নেপথ্যের (বিটিএস) কিছু ঝলক শেয়ার করেছেন নির্মাতারা। এই আপডেটটি শেয়ার করে তারা লিখেছেন, ‘রাশমিকার নেতৃত্বে পানির নিচে লড়াইয়ের দৃশ্য। অতল গভীরে অপেক্ষা করছে এমন এক যুদ্ধ, যা ভারতীয় সিনেমা আগে কখনো দেখেনি।’

রাশমিকা নিজেও তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে এটিকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘আমি জানি, আমি বেশ কিছুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলাম; কিন্তু আমরা এটাই করছিলাম। নিঃসন্দেহে এটি আমার জীবনে করা সবচেয়ে কঠিন কাজ! আমরা এর জন্য পাগল হয়ে আছি, আর এটাই আমাকে ভীষণ উত্তেজিত করে তুলেছে।’

‘মাইসা’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন রবীন্দ্র পুল্লে এবং এটি প্রযোজনা করেছে আনফর্মুলা ফিল্মস। আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবিটিকে একটি অ্যাকশন থ্রিলার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটিই রাশমিকার ক্যারিয়ারের প্রথম নারী-প্রধান সর্বভারতীয় (প্যান-ইন্ডিয়া) অ্যাকশন চলচ্চিত্র। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি ২০২৬ সালেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

‘আশিকি ২’-এর পর নতুন মিউজিক্যাল ছবিতে আদিত্য

অনলাইন ডেস্ক
‘আশিকি ২’-এর পর নতুন মিউজিক্যাল ছবিতে আদিত্য

২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবির সেই ‘রাহুল জয়কর’ চরিত্রটি দিয়ে রাতারাতি দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন আদিত্য রায় কাপুর। দীর্ঘ সময় পর আবারও একটি বড় মাপের ‘মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’ বা সংগীতনির্ভর প্রেমের ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় ফিরছেন তিনি। তবে এবার আর শুধু রোমান্স নয়, এই প্রেমের গল্পে যোগ হতে চলেছে অ্যাকশন।

পরিচালক মিলাপ মিলন জাভেরির পরবর্তী এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে আদিত্যকে। টি-সিরিজের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করছেন ভূষণ কুমার। চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকে ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। পরিচালক জাভেরি জানান, ‘আশিকি ২’ সিনেমার পর থেকেই দর্শক আদিত্যকে তীব্র ভালোবাসা, বিচ্ছেদ আর গভীর আবেগের গল্পে দেখতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। প্রেমের গল্পকে পর্দার পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার এক অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তার। তাই এই মিউজিক্যাল লাভ স্টোরির জন্য আদিত্যের চেয়ে উপযুক্ত আর কেউ হতে পারত না।

নির্মাতাদের দাবি, এটি সাধারণ কোনো ভালোবাসার গল্প নয়, বরং এটি একটি ‘তীব্র, হিংসাত্মক ও গভীর আবেগে ভরা মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’। পরিচালক স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই ছবিতে আদিত্যের আগের চকোলেট বয় বা রোমান্টিক ইমেজের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। এখানে তার চরিত্রটি হবে একাধারে বীরত্বপূর্ণ, আক্রমণাত্মক ও মানসিক দিক থেকে অত্যন্ত জটিল। মিলাপের মতে, তার পরিচালিত ছবি ‘এক দিওয়ানে কি দিওয়ানিয়াত’-এর উন্মাদনাকেও ছাড়িয়ে যাবে এই নতুন সিনেমার গল্প।

‘আশিকি ২’-এর ব্লকবাস্টার সফলতার পর প্রযোজক ভূষণ কুমারের সঙ্গে আদিত্য রায় কপূরের কাজের বোঝাপড়া সবসময়ই চমৎকার। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘মেট্রো ইন দিনো’ ছবিতেও তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। আবারও নতুন একটি বড় প্রজেক্টে আদিত্যকে পাওয়া নিয়ে ভূষণ কুমার বলেন, ‘আদিত্যের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বহু দিনের। একসঙ্গে করা আমাদের প্রতিটি ছবিই দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছে। তাই আবারও এমন একটি আবেগঘন প্রজেক্টে একসঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

‘আশিকি ২’-এর সেই চেনা মিউজিক্যাল রোমান্সের ম্যাজিক এবার পর্দায় কিভাবে এক অন্ধকার ও হিংসাত্মক রূপ নেয়, তা দেখতে এখন থেকেই মুখিয়ে আছেন আদিত্যের ভক্তরা।

সূত্র : আনন্দবাজার

আমির খানের বিয়ের আংটি, মিলিয়নে একটা

অনলাইন ডেস্ক
আমির খানের বিয়ের আংটি, মিলিয়নে একটা
সংগৃহীত ছবি

মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজের বাসায় আয়োজনটা ঘরোয়াই ছিল। কিন্তু বান্ধবী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বলিউড সুপারস্টার আমির খানের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। ৫ জুলাইয়ের এ পারিবারিক আয়োজনে আমির খানের আগের দুই সংসারের তিন সন্তান, গৌরী স্প্র্যাটের আগের সংসারের সন্তান উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন আশুতোষ গোয়ারিকর, রাজকুমার হিরানীর মতো ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও। তবে সব কৌতূহল কেন্দ্রীভূত হয়েছে গৌরীর জন্য বিশেষভাবে বানানো বিয়ের আংটিটিতে। বিশেষ মানে বিশেষই। এমন আংটি পৃথিবীতে একটাই আছে। মি. পারফেকশনিস্ট বলে কথা। বিরল রত্ন আর জটিল কারুকার্যের জন্য আংটিটি সবার নজর কেড়েছে।

লাক্সারি জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘কুইন’র ডিজাইন করা এই আংটিটির কেন্দ্রে আফ্রিকার মাদাগাস্কার থেকে আনা একটি অতি-বিরল প্রাকৃতিক রুবি রয়েছে। ‘কুইন’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও অমিত কুমার সাংবাদিকদের আংটিটির নির্মাণ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিরল এই রুবি পাথরটি সংগ্রহ করতেই তাদের জুয়েলারি দলের তিন মাসেরও বেশি সময় লেগেছে। তিনি জানান, মাদাগাস্কারের এই রুবি মিলিয়ন মানে ১০ লাখে একটা পাওয়া যায়। বিরল কিছু বোঝাতে আগে বলা হতো লাখে একটা, এখন থেকে বলতে হবে মিলিয়নে একটা।

অমিত কুমার জানান, বিরল রুবিটি সংগ্রহ করার পর তারা বিশেষ ডিজাইনে আংটিটি তৈরি করেন। এই যুগেও আংটিটি নির্মাণে কোনো যন্ত্রের ছোঁয়া লাগেনি। ১৩১ জন দক্ষ কারিগরের সুনিপুণ ছোঁয়ায় আংটিটি রাজকীয় রূপ পেয়েছে। অমিত কুমার জানান, ‘রুবিটি ধরে রাখতে একটি বিশেষ সেটিংয়ে তৈরি আংটিটির ডিজাইন তৈরি থেকে শুরু করে পাথর বসানো এবং ফিনিশিং পর্যন্ত ১৩১ জন কর্মীর ২৫৬ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। অমিত আরো জানান, ডিজাইন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই উদ্দেশ্য ছিল একটি সাধারণ ওয়েডিং ব্যান্ডের পরিবর্তে একটি ঐতিহ্যবাহী বা বংশানুক্রমিক মূল্যবান সম্পদ তৈরি করা।

ঐতিহ্যবাহী রত্নখচিত আংটিগুলোর মতো এটি কোনো সাধারণ ব্যান্ডের ওপর সরাসরি বসানো নয়; বরং রুবিটিকে একটি মুকুটের মতো সোনার কাঠামোর ভেতরে বসানো হয়েছে। রুবিটিকে ক্যাবশন কাট দেওয়া হয়েছে, যা কোনো খাজকাটা ফিনিশের বদলে একটি মসৃণ ও গম্বুজাকৃতির পলিশ দিয়েছে। এটি এর গাঢ় রঙকে আরো ফুটিয়ে তোলে এবং একটি উজ্জ্বল আভা প্রদান করে। খুঁটিনাটি বিবরণ দিয়ে কুমার জানান যে, চুনিটিকে একটি খাঁজকাটা সোনার গ্যালারি ধরে রেখেছে, যা মুকুটের মতো সূক্ষ্ম চূড়ায় রূপ নেওয়ার পর নিখুঁত কারুকাজে মিশে গেছে। যার চারপাশে খচিত রয়েছে ৪০টি আসল প্রাকৃতিক হীরা।

এই নির্মাণ শৈলীটি ঐতিহাসিকভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং রাজ্যাভিষেকের অলঙ্কারের সাথে জড়িত। মাদাগাস্কারের বিরল রুবি, হিরের সূক্ষ্ম কাজ এবং বিস্তৃত কারুকার্যের এই বিশেষ আংটিটিকে একটি উচ্চমানের পারিবারিক ঐতিহ্য হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা রাজকীয় আভিজাত্য ও বিরল শিল্পশৈলী ফুটিয়ে তোলে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঐতিহ্যকে ধরে রাখবে।

আংটিটির দাম সম্পর্কে অমিত কুমার কিছু বলেননি। ধারণা করা হচ্ছে, রুবি সংগ্রহ থেকে ফিনিশিং পর্যন্ত নিবিড় পরিচর্যায় যা তৈরি হয়েছে, তা আসলে অমূল্য। এটি একটি রাজকীয় পারিবারিক ঐতিহ্য, এর বাজারমূল্য যাচাই সম্ভব নয়।
 

তিন ঘণ্টার ভিডিওতে আফজাল হোসেনের জীবনের গল্প | কালের কণ্ঠ