২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’ ছবির সেই ‘রাহুল জয়কর’ চরিত্রটি দিয়ে রাতারাতি দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন আদিত্য রায় কাপুর। দীর্ঘ সময় পর আবারও একটি বড় মাপের ‘মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’ বা সংগীতনির্ভর প্রেমের ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় ফিরছেন তিনি। তবে এবার আর শুধু রোমান্স নয়, এই প্রেমের গল্পে যোগ হতে চলেছে অ্যাকশন।
পরিচালক মিলাপ মিলন জাভেরির পরবর্তী এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে আদিত্যকে। টি-সিরিজের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করছেন ভূষণ কুমার। চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকে ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। পরিচালক জাভেরি জানান, ‘আশিকি ২’ সিনেমার পর থেকেই দর্শক আদিত্যকে তীব্র ভালোবাসা, বিচ্ছেদ আর গভীর আবেগের গল্পে দেখতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। প্রেমের গল্পকে পর্দার পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার এক অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তার। তাই এই মিউজিক্যাল লাভ স্টোরির জন্য আদিত্যের চেয়ে উপযুক্ত আর কেউ হতে পারত না।
নির্মাতাদের দাবি, এটি সাধারণ কোনো ভালোবাসার গল্প নয়, বরং এটি একটি ‘তীব্র, হিংসাত্মক ও গভীর আবেগে ভরা মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’। পরিচালক স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই ছবিতে আদিত্যের আগের চকোলেট বয় বা রোমান্টিক ইমেজের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। এখানে তার চরিত্রটি হবে একাধারে বীরত্বপূর্ণ, আক্রমণাত্মক ও মানসিক দিক থেকে অত্যন্ত জটিল। মিলাপের মতে, তার পরিচালিত ছবি ‘এক দিওয়ানে কি দিওয়ানিয়াত’-এর উন্মাদনাকেও ছাড়িয়ে যাবে এই নতুন সিনেমার গল্প।
‘আশিকি ২’-এর ব্লকবাস্টার সফলতার পর প্রযোজক ভূষণ কুমারের সঙ্গে আদিত্য রায় কপূরের কাজের বোঝাপড়া সবসময়ই চমৎকার। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘মেট্রো ইন দিনো’ ছবিতেও তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। আবারও নতুন একটি বড় প্রজেক্টে আদিত্যকে পাওয়া নিয়ে ভূষণ কুমার বলেন, ‘আদিত্যের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বহু দিনের। একসঙ্গে করা আমাদের প্রতিটি ছবিই দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছে। তাই আবারও এমন একটি আবেগঘন প্রজেক্টে একসঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
‘আশিকি ২’-এর সেই চেনা মিউজিক্যাল রোমান্সের ম্যাজিক এবার পর্দায় কিভাবে এক অন্ধকার ও হিংসাত্মক রূপ নেয়, তা দেখতে এখন থেকেই মুখিয়ে আছেন আদিত্যের ভক্তরা।
সূত্র : আনন্দবাজার




