• ই-পেপার

এডুকো-ইএসডিও’র উদ্যোগ

কারিগরি যুবকদের শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ৭ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা

পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এক দেশ, এক কিউআর লেনদেন (বাংলা কিউআর)’ বাস্তবায়ন এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পূবালী ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালক আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন খান এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের পরিচালক মো. বায়েজীদ সরকার ও মো. নাজিম উদ্দিন, পূবালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক ও অলটারনেটিভ ডেলিভারী চ্যানেল ডিভিশন প্রধান মো. রবিউল আলম, উপমহাব্যবস্থাপক ও রাজশাহী অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মো. সাজিদুর রহমান, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আর্থিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি জনগণকে ডিজিটাল লেনদেনে আরও উৎসাহিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পূবালী ব্যাংক দেশব্যাপী আধুনিক, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জে বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য শোধনকেন্দ্রের যাত্রা শুরু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিরাজগঞ্জে বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য শোধনকেন্দ্রের যাত্রা শুরু
সংগৃহীত ছবি

টেকসই স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। সিরাজগঞ্জ জেলার সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্মিত বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। অত্যাধুনিক এই কেন্দ্রটি প্রতিবছর ৯৫০ টনেরও বেশি বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য নিরাপদভাবে সংগ্রহ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পরিবেশসম্মতভাবে নিষ্পত্তি করবে। একই সঙ্গে প্রতিবছর প্রায় ১৩০ টন পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে তিন মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সংক্রামক স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্যের ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশদূষণ প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই মহতী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, চিকিৎসাবর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ফলে সিরাজগঞ্জ জেলা চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি আদর্শ অঞ্চলে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, ইউনিডো (UNIDO) সদর দপ্তরের সার্কুলার ইকোনমি অ্যান্ড রিসোর্স এফিসিয়েন্সি ইউনিটের প্রধান জেরোম স্টুকি, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গীতাঞ্জলি সিং, ইউনিডো, ভিয়েনার প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. রানা প্রতাপ সিং, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাতের অংশীজন এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

ভার্চুয়াল বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পরিবেশসম্মত বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বক্তারা বলেন, প্রকল্পটির সুফল শুধু স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিন মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনিরাপদ বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস, পরিবেশের গুণগত মান উন্নয়ন এবং জেলার সর্বত্র স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ কার্যকর অবদান রাখবে।

ইউনিডো সদর দপ্তরের সার্কুলার ইকোনমি অ্যান্ড রিসোর্স এফিসিয়েন্সি ইউনিটের প্রধান জেরোম স্টুকি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও প্রকল্পের অংশীদারদের যৌথ প্রচেষ্টায় পরিবেশসম্মত স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন সম্ভব হয়েছে। 

তিনি উল্লেখ করেন, শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বাস্তব ও টেকসই সুফল অর্জন সম্ভব।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গীতাঞ্জলি সিং বলেন, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং সহনশীল স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সরকারের পাশে জাতিসংঘ ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জের এই উদ্যোগ অংশীদারিভিত্তিক সমন্বিত উন্নয়নের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

ইউনিডো, ভিয়েনার প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. রানা প্রতাপ সিং বলেন, সিরাজগঞ্জ বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভবিষ্যতে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের একটি জাতীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জুবাইর বিন আরাফাত। তিনি বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত সহযোগিতার ফলেই এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। কৌশলগত অংশীদারির মাধ্যমে পরিবেশগত, জনস্বাস্থ্য এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সুফল অর্জনের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য এলাকায়ও এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এশিয়া প্রেস্টিজ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইলেকট্রো মার্টের নুরুল আফছার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এশিয়া প্রেস্টিজ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইলেকট্রো মার্টের নুরুল আফছার
সংগৃহীত ছবি

এশিয়া প্রেস্টিজ ৫০ আন্ডার ৫০ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ ‘এশিয়া ইমপ্যাক্টফুল অ্যান্ড ইনফ্লুয়েনশিয়াল সিইও অব দ্য ইয়ার ২০২৬’ নির্বাচিত হয়েছেন ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপের সিইও মো. নুরুল আফছার। ‘এশিয়া প্রেস্টিজ ৫০ আন্ডার ৫০ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ হলো এশিয়ার তরুণ, গতিশীল এবং দূরদর্শী ব্যবসায়ী ও কর্পোরেট প্রধানদের জন্য একটি অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা। এশিয়ান অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা ও উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদান রাখা ৫০ জন সিইও-কে এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।  

সম্প্রতি কম্বোডিয়ার নমপেনের শাংরি-লা হোটেলে অত্যন্ত জাঁকজমক পূর্ণভাবে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদানের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজনে ২৮টি দেশের প্রায় ২৮০ জনেরও বেশি উচ্চপদস্থ সিইও এবং কর্পোরেট লিডার একত্রিত হন। 

এবারের আয়োজনের অফিশিয়াল উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কম্বোডিয়ার শিল্প, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রী, মহামান্য হেম ভান্দি। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো এন্টারপ্রেনিউর বা প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবসায়ী, মালিক এবং ৫০ বছরের কম বয়সী সিইও-দের নেতৃত্ব, ব্যবসায়িক রেজিলিয়েন্স বা ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা এবং সাসটেইনেবিলিটি বা টেকসই উন্নয়নকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। 

৩৩ বছরেরও বেশি গৌরব এবং কর্মময় জীবনে মো. নুরুল আফছার সবসময় উদ্ভাবনী, অংশগ্রহণ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ এবং বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতকে সমৃদ্ধ করেছেন।

ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ যেমন তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে একটি বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছতে সক্ষম হয়, তেমনি নিত্য নতুন মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈচিত্রতা, নিয়মিত মার্কেট রিসার্চ, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট, বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় কনকা ও গ্রী ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনের জন্য কারখানা স্থাপন  ও পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে টেকসই উন্নতি এবং উৎকর্ষ অর্জনসহ অংশগ্রহণমূলক কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি তৈরি করতে পেরেছেন। 

ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, মো. নুরুল আফছারকে তার এই প্রাপ্য স্বীকৃতির জন্য আমরা অভিনন্দন জানাই। তার উদ্ভাবনী ও দূরদর্শীসম্পন্ন নেতৃত্ব ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে, উৎকর্ষ অর্জনের সংস্কৃতি গড়তে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এই পুরস্কার ও স্বীকৃতি তার অসামান্য অবদানকে প্রতিফলিত করে। শিল্পের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং এই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে ইলেকট্রো মার্ট পরিবার তাকে বিশেষ সম্মান ও অভিনন্দন জানায়।

এ স্বীকৃতির জন্য আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান মো. নুরুল আফছার। 

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ব মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়ে আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। এই স্বীকৃতি আমাদের আরো দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রাণিত করবে। আগামীতে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপল্যায়েন্স খাতকে এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

কর্মসংস্থান, বৈশ্বিক সংযোগ, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া এবং ভাষা শিক্ষায় উৎকর্ষ সাধনে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মঞ্জুর এলাহী’ অডিটরিয়ামে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেন্টার চালু করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি। রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশ্বের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ চালু সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে দীর্ঘ যে বন্ধন রয়েছে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে তা আরো দৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’-এর প্রথম ভাষা হিসেবে জাপানি ভাষাকে বেছে নেওয়ায় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, তৃতীয় ভাষা শেখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানকে গুরুত্ব দিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে এখানকার শিক্ষার্থীরা সীমানা ছাড়িয়ে নিজেদের বৈশ্বিক গ্র্যাজুয়েট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপসচিব হেদায়তুল ইসলাম। তিনি এই ধরনের শিক্ষাগত অগ্রগতিমূলক কাজের সঙ্গে সরকারের একাত্মতার কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান বিশিষ্ট অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন এই ‘ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টার’ একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিতে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ছাড়াও জাপান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।