• ই-পেপার

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

নতুন প্রজন্মকে দক্ষ করতে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা করছে সরকার : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন প্রজন্মকে দক্ষ করতে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা করছে সরকার : ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এ ব্যবস্থায় শুধু পাঠ্যবই নয়, প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে থাকবে শিক্ষক গাইড, ওয়ার্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড এবং ভিডিও লেসন, যাতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে সমানভাবে শেখার সুযোগ পায়।

আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে নতুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ২০২৮ সালের জন্য একটি যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রণয়নে কাজ করছে। বর্তমানে যে পাঠ্যবইগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেগুলো ভবিষ্যতের পূর্ণাঙ্গ কারিকুলামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বের করে এনে দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তাত্ত্বিক শিক্ষার তুলনায় ব্যাবহারিক শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবজীবনের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরো শক্তিশালী করা হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সংস্কৃতি শিক্ষা ও ক্রীড়া শিক্ষা নতুন প্রজন্মের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংস্কৃতি শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, জাতীয় পরিচয় এবং সৃজনশীল প্রকাশের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে ক্রীড়া শিক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা, দলগত কাজ এবং সুস্থ জীবনাচারের চর্চা গড়ে উঠবে।

ববি হাজ্জাজ আরো বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এমন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে, যা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং  যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মওলা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
 

ঢাবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ডিইউকিউএস পপ ব্যাটল ৩.০’ কুইজ প্রতিযোগিতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ডিইউকিউএস পপ ব্যাটল ৩.০’ কুইজ প্রতিযোগিতা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বৃহত্তম পপ কুইজ প্রতিযোগিতা ‘ডিইউকিউএস পপ ব্যাটল ৩.০’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি কুইজ সোসাইটি (ডিইউকিউএস)। আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) অডিটোরিয়ামে এটি অনুষ্ঠিত হবে।

টিএসসি-ভিত্তিক এই সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজিংয়ের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফেস্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এবারের আয়োজনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পপ কালচারভিত্তিক বিষয় নিয়ে মোট পাঁচটি সেগমেন্ট থাকছে। আগের সংস্করণের 'আল্টিমেট পপ ব্যাটল' ও 'উইব ওয়ার্স'-এর সঙ্গে এবার নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ‘বাংলাভার্স’, ‘মাল্টিভার্স অফ হিরোস’ এবং ‘দ্য ডিটেকটিভস আর্কাইভ।’

বাংলা সিনেমা, গান ও টেলিভিশন শো নিয়ে দলগত সেগমেন্ট ‘বাংলাভার্সে’ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অংশগ্রহণ করা যাবে দুই থেকে তিনজনের দল নিয়ে। সুপারহিরোপ্রেমীদের জন্য থাকছে একক অংশগ্রহণের সুযোগসহ ‘মাল্টিভার্স অফ হিরোস’। গোয়েন্দা কাহিনিভিত্তিক ‘দ্য ডিটেকটিভস আর্কাইভে’ অংশ নিতে হবে সর্বোচ্চ দুইজনের দল নিয়ে। এনিমে ও মাঙ্গাভিত্তিক ‘উইব ওয়ার্স ২.০’-তেও থাকছে দুইজনের দলগত অংশগ্রহণের সুযোগ। আর কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস ছাড়াই দেশি-বিদেশি সব ধরনের মুভি, সিরিজ ও ট্রেন্ড নিয়ে আয়োজিত মূল আকর্ষণ ‘দি আল্টিমেট পপ ব্যাটলে’ সর্বোচ্চ তিনজনের দল অংশ নিতে পারবে

প্রাথমিক বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা, জেলায় ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা, জেলায় ঢাকা
ফাইল ছবি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন।

আজ রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ ফল ঘোষণা করে।

সব ক্যাটাগরিতে

ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮৯২ জন। যা মোট বৃত্তিপ্রাপ্তের ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৩৯৮ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৯ হাজার ৪৯৪ জন।

বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, ৫৪.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা। মেয়েদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৫৬৭ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৬ হাজার ৭৮৭ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি

সবচেয়ে বেশি বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা ঢাকা। এই জেলায় মোট ৪৬৮২ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৮৯৭ শিক্ষার্থী এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে ২৭৮৫ শিক্ষার্থী।

সবচেয়ে বেশি কৃতকার্য শিক্ষার্থীও ঢাকা জেলায়। এই জেলার৩১ হাজার ৫৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৪৮৮ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। যা শতকরা ৩৯.৫৭ শতাংশ।

সবচেয়ে কম

সবচেয়ে কম বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা বান্দরবান। এই জেলায় মোট ১৮৮ শিকার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১০৯ এবং সাধারণ ৭৯ শিক্ষার্থী।

জেলা ভিত্তিক সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে দিনাজপুর জেলায়। এই জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ১৫ হাজার ৩৬৬ জন, যার মধ্যে অকৃতকার্য ৮৮৯৮ জন। মোট শিক্ষার্থীর ৫৭.৯১ শতাংশ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য দিনাজপুরে।

সরকারি ক্যাটাগরিতে

সরকারি ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র ২৭ হাজার ৭৩০ জন। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৩ হাজার ১২০ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৪ হাজার ৬১০ জন।

এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৩৫ হাজার ৬৫ জন, ৫৫.৮৪ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল ১৩ হাজার ২৫৫ জন এবং সাধারণ ২১ হাজার ৮১০ জন।

সরকারি ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা চট্টগ্রাম, ৩০৩৫ শিক্ষার্থী (ট্যালেন্টপুল ১২৮৩টি, সাধারণ ১৭৫২টি)। আর সবচেয়ে কম বৃত্তি বান্দরবান জেলায় ১৫৩টি (ট্যালেন্টপুল ৯৪টি, সাধারণ ৫৯টি)।

বেসরকারি ক্যাটাগরি

বেসরকারি ক্যাটাগরতিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৮ হাজার ১৬২। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩ হাজার ২৭৮ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৮৮৪ জন।

এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৮ হাজার ২৮৯ জন, ৫০.৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩ হাজার ৩১২ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৯৭৭ জন।

বেরসরকারি ক্যাটাগরতিতেও সবচেয়ে বেশি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলা, ২ হাজার ৮৫০টি। আর সবচেয়ে কম বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা ঝালকাঠি, মোট ১২টি।

ফল প্রকাশের ঘোষণার পর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, এ ঘোষণার পর ফলাফল আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো আপলোড প্রক্রিয়া শেষ হতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা লাগতে পারে বলে আমাদের অধিদপ্তরের ডিজি জানিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সব জেলা ও উপজেলায় কারা বৃত্তি পেয়েছে, তা সবাই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পেয়ে যাবে।

বৈরী আবহাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বৈরী আবহাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমরা নিয়মিত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে রেখেছি। ডিসিদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। একটুপর আবার বসবো।’ রবিবার (১২ জুলাই) প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে আয়েজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা গভীর পর্যবেক্ষণে আছি। কোথাও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে তা অবশ্যই স্থগিত করা হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লেটেস্ট ওয়েদার রিপোর্ট এখনো হাতে পাইনি। এটার জন্যই অপেক্ষা করছি। কারণ ঢাকাতেও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিছুক্ষণ আগেও বিষয়গুলো নিয়ে উপদেষ্টা এবং সচিবের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৬৪ জেলার ডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে সেসব এলাকার পরিস্থিতি জেনে আমরা পরীক্ষা নেওয়া বা না নেওয়ার সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। শিডিউলগুলো নিয়মিত আপডেট করছি এবং যেসব পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে যাবে; সে পরীক্ষাগুলো নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

এ সময় প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ টি ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন (৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ) এবং ছাত্রী ৪৩,৩৫৪ জন (৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ)।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ ঘোষণার পর ফলাফল আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো আপলোড প্রক্রিয়া শেষ হতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা লাগতে পারে বলে আমাদের অধিদপ্তরের ডিজি জানিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সব জেলা ও উপজেলায় কারা বৃত্তি পেয়েছে, তা সবাই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পেয়ে যাবে।’

এদিকে টেলিটকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফল প্রকাশের পর মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।