প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন।
আজ রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ ফল ঘোষণা করে।
সব ক্যাটাগরিতে
ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮৯২ জন। যা মোট বৃত্তিপ্রাপ্তের ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৩৯৮ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৯ হাজার ৪৯৪ জন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, ৫৪.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা। মেয়েদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৫৬৭ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৬ হাজার ৭৮৭ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
সবচেয়ে বেশি
সবচেয়ে বেশি বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা ঢাকা। এই জেলায় মোট ৪৬৮২ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৮৯৭ শিক্ষার্থী এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পেয়েছে ২৭৮৫ শিক্ষার্থী।
সবচেয়ে বেশি কৃতকার্য শিক্ষার্থীও ঢাকা জেলায়। এই জেলার৩১ হাজার ৫৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৪৮৮ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। যা শতকরা ৩৯.৫৭ শতাংশ।
সবচেয়ে কম
সবচেয়ে কম বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা বান্দরবান। এই জেলায় মোট ১৮৮ শিকার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১০৯ এবং সাধারণ ৭৯ শিক্ষার্থী।
জেলা ভিত্তিক সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে দিনাজপুর জেলায়। এই জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ১৫ হাজার ৩৬৬ জন, যার মধ্যে অকৃতকার্য ৮৮৯৮ জন। মোট শিক্ষার্থীর ৫৭.৯১ শতাংশ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য দিনাজপুরে।
সরকারি ক্যাটাগরিতে
সরকারি ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র ২৭ হাজার ৭৩০ জন। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৩ হাজার ১২০ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৪ হাজার ৬১০ জন।
এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৩৫ হাজার ৬৫ জন, ৫৫.৮৪ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল ১৩ হাজার ২৫৫ জন এবং সাধারণ ২১ হাজার ৮১০ জন।
সরকারি ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা চট্টগ্রাম, ৩০৩৫ শিক্ষার্থী (ট্যালেন্টপুল ১২৮৩টি, সাধারণ ১৭৫২টি)। আর সবচেয়ে কম বৃত্তি বান্দরবান জেলায় ১৫৩টি (ট্যালেন্টপুল ৯৪টি, সাধারণ ৫৯টি)।
বেসরকারি ক্যাটাগরি
বেসরকারি ক্যাটাগরতিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৮ হাজার ১৬২। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩ হাজার ২৭৮ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৮৮৪ জন।
এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৮ হাজার ২৮৯ জন, ৫০.৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩ হাজার ৩১২ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৯৭৭ জন।
বেরসরকারি ক্যাটাগরতিতেও সবচেয়ে বেশি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলা, ২ হাজার ৮৫০টি। আর সবচেয়ে কম বৃত্তি প্রাপ্ত জেলা ঝালকাঠি, মোট ১২টি।
ফল প্রকাশের ঘোষণার পর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, এ ঘোষণার পর ফলাফল আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো আপলোড প্রক্রিয়া শেষ হতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা লাগতে পারে বলে আমাদের অধিদপ্তরের ডিজি জানিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সব জেলা ও উপজেলায় কারা বৃত্তি পেয়েছে, তা সবাই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পেয়ে যাবে।