• ই-পেপার

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে সুস্থতার পথে ইবরার টিপু

চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরফান সাজ্জাদের

বিনোদন প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরফান সাজ্জাদের
সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হওয়া মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা জাতীয়ভাবে তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না বলে আক্ষেপ করেছেন তিনি। 

একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লিখেছেন, ‘আমার চট্টগ্রাম ভালো নাই...! বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, লোহাগাড়া, কক্সবাজার, বান্দরবান ভালো নাই! অথচ মেজর কোনো নিউজ নাই! কোনো আওয়াজ নাই! মানুষগুলো নীরবে মরে যাচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে, কবর থেকে লাশ ভেসে যাচ্ছে!’

নিজের পোস্টে অতীতের দুর্যোগে চট্টগ্রামের মানুষের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি। ইরফান লেখেন, ‘কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনীর বন্যার সময় এই চট্টগ্রামের মানুষজন যার যা কিছু ছিল তা নিয়ে তাদের উদ্ধার করতে গিয়েছিল। আজকে এই বন্যাপীড়িত মানুষগুলোকে উদ্ধারে মানুষের তেমন কোনো সাড়াশব্দ নাই, কোনো আওয়াজ নাই।’

পোস্টের শেষাংশে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ আপনি রহম করেন।’

শুধু ইরফান সাজ্জাদই নন, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তানজিম সাইয়ারা তটিনীও।সামর্থ্য অনুযায়ী সবাইকে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এই অভিনেত্রী।

তটিনী মনে করেন, সামর্থ্য অনুযায়ী এক প্যাকেট শুকনো খাবার কিংবা এক বোতল বিশুদ্ধ পানিও সংকটাপন্ন মানুষের জন্য বড় সহায়তা হতে পারে।একই সঙ্গে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার এবং অন্যদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

‘বারবার হৃদয় ভেঙেছে, তবু দল ছাড়িনি’

বিনোদন প্রতিবেদক
‘বারবার হৃদয় ভেঙেছে, তবু দল ছাড়িনি’
সংগৃহীত ছবি

প্রিয় ফুটবল দল আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে ওঠার আনন্দে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন দীর্ঘদিনের একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকের অনুভূতি, অপেক্ষা এবং ভালোবাসার গল্প।

স্বামী এফ এস নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে কানসাস স্টেডিয়ামে বসেই ম্যাচটি উপভোগ করেন নাদিয়া। স্টেডিয়াম থেকে তোলা ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘ভামোস আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালের পথে। গর্জে ওঠো আর্জেন্টিনা।’

একই পোস্টে স্টেডিয়ামটির বিশেষ স্মৃতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। জানান, এই মাঠেই ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে হারিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা।

May be an image of text

ম্যাচের আগে দেওয়া আরেকটি দীর্ঘ পোস্টে নাদিয়া স্মরণ করেন আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও হতাশার দিনগুলোর কথা। 

তিনি লেখেন, ‘২০২২ সালের আগে আর্জেন্টিনার শেষ বিশ্বকাপ জয় ছিল ১৯৮৬ সালে। তাই এই দলের সমর্থক হতে হলে মনোবল সত্যিই শক্ত হতে হয়।’

এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের তিক্ত স্মৃতিগুলো একে একে তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘আমরা ২০০২-এর হতাশা দেখেছি, ২০০৬-এর আক্ষেপ দেখেছি, ২০১০-এর ব্যর্থতা দেখেছি, ২০১৪-এর ফাইনালে হৃদয়ভাঙা দেখেছি, ২০১৮-এর কষ্ট দেখেছি। তার পরও দল ছাড়িনি। অনেকেই ঠাট্টা করে আর্জেন্টিনাকে বলত, আরজেতেনা।’

‘এসব দেখেছি, তবু কখনো দল ছাড়িনি। বছরের পর বছর ধৈর্য, বিশ্বাস আর ভালোবাসা নিয়ে একই দলের পাশে থেকেছি। অবশেষে ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’ বললেন অভিনেত্রী

No photo description available.

নাদিয়ার কথায়, আর্জেন্টিনার প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই শুধু শিরোপানির্ভর ছিল না। তার কাছে এই দল ইতিহাস, ঐতিহ্য, জার্সি এবং আবেগের প্রতীক। তাই একটি দলের প্রতি সমর্থনকে কেবল ট্রফির সংখ্যায় মূল্যায়ন করা যায় না।

তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা আমাদের কাছে শুধু একটি ফুটবল দল নয়; এটি একটি অনুভূতির নাম। তাই আমাদের ভেঙে দেওয়া এত সহজ নয়।’

পোস্টের শেষাংশে বর্তমান সময়ের আর্জেন্টিনা দলকে নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্য সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস আরো দৃঢ় করেছে। ফলে সমালোচনা কিংবা বিদ্রুপ এখন আর তাদের বিশ্বাসকে নড়বড়ে করতে পারে না।

হানিমুনে অস্ট্রেলিয়ায় আমির-গৌরী, সঙ্গে দুই সন্তানও

বিনোদন ডেস্ক
হানিমুনে অস্ট্রেলিয়ায় আমির-গৌরী, সঙ্গে দুই সন্তানও
সংগৃহীত ছবি

বিয়ের এক সপ্তাহও পার হয়নি। এরই মধ্যে স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাটকে নিয়ে মধুচন্দ্রিমায় পাড়ি জমিয়েছেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। তবে এই সফর শুধু নবদম্পতির নয়, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে দুই সন্তানও।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অবস্থান করছেন আমির ও গৌরী। তাদের সফরসঙ্গী হয়েছেন আমির খানের দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের ছেলে আজাদ রাও খান এবং গৌরী স্প্র্যাটের প্রথমপক্ষের ছেলে কুইন স্প্র্যাট।

জানা গেছে, মেলবোর্নে প্রথমে একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেবেন আমির। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর গৌরী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কয়েক দিন অবকাশযাপন করবেন তিনি।

প্রতিবেদন বলছে, এই সফরের উদ্দেশ্য শুধু হানিমুন নয়; বরং নতুন পরিবার হিসেবে একসঙ্গে সময় কাটানোও। বিশেষ করে আজাদ ও কুইনের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন আরো দৃঢ় করে তুলতে চান এই অভিনেতা।

গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের পালি হিলে নিজের বাসভবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। অনুষ্ঠানে আমিরের আগের দুই সংসারের সন্তানরাও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিয়ের পর নতুন ঠিকানায় বসবাসের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন এই তারকা। জানা গেছে, পালি হিলের বর্তমান বাড়ি ছেড়ে প্রায় ১০০ কোটি রুপি মূল্যের ‘মেরিনা’ আবাসনের তিনটি ফ্ল্যাটে উঠবেন তিনি। সেখানে আমির ও গৌরীর পাশাপাশি কাছাকাছি থাকবেন কিরণ রাও ও ছেলে আজাদ, আমিরের বড় ছেলে জুনায়েদ খান, বোন নিখাত খান এবং মা জিনাত হুসেন।

উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। ২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে তাদের সম্পর্কের কথা জানান অভিনেতা। পরে চলতি মাসের ৫ জুলাই ঘরোয়া আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই যুগল।

চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!

বিনোদন ডেস্ক
চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!
সংগৃহীত ছবি

মার্কিন পপতারকা টেইলর সুইফটকে ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনার নতুন এক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। তার বিয়ের অনুষ্ঠানের ভেন্যুর বাইরে থেকে কুড়িয়ে আনা সাধারণ আবর্জনাও এবার বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, সেই তথাকথিত স্মারক কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ভক্তরা।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী নিউ ইয়র্কের শিল্পী ও কুইন্সের বাসিন্দা জাস্টিন গিগনাক সম্প্রতি ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের আশপাশ থেকে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, সেখানেই মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পরে তিনি সংগ্রহ করা এসব বস্তু স্বচ্ছ অ্যাক্রিলিক কিউবের মধ্যে সংরক্ষণ করে ‘পকেট গার্বেজ’ নামে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করেন।

প্রতিটি ছোট কিউবের দাম রাখা হয় ২৫ মার্কিন ডলার। বিক্রি শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সব কটি বিক্রি হয়ে যায়। এ ছাড়া ১০০ ডলার মূল্যের বড় আকারের কিছু কিউবও বাজারে ছাড়েন তিনি।

Taylor Swift fans pay $25 for pieces of wedding day rubbish from outside  Madison Square Garden | LBC

জাস্টিন গিগনাক তার ওয়েবসাইটে লিখেছেন, বড় কোনো অনুষ্ঠান শেষে চারপাশে আবর্জনা পড়ে থাকাই স্বাভাবিক। তবে এই সংগ্রহের বিশেষত্ব হলো—এসব বস্তু টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির বহুল আলোচিত বিয়ের ভেন্যুর একেবারে কাছাকাছি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। 

তার কথায়, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া ওই অনুষ্ঠানের যতটা কাছে যাওয়া সম্ভব ছিল, এই সংগ্রহ ঠিক সেই স্মৃতিরই প্রতীক।

অ্যাক্রিলিক কিউবগুলোর ভেতরে রাখা হয়েছে একেবারেই সাধারণ কিছু বস্তু—সিগারেটের ফিল্টার, চুইংগামের মোড়ক, জুসের স্ট্র, একটি এয়ারপড এবং ব্যবহৃত ওভুলেশন টেস্ট কিটসহ নানা ধরনের ফেলে দেওয়া জিনিস।

তবে গিগনাক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এসব জিনিস টেইলর সুইফট, ট্রাভিস কেলসি বা তাদের কোনো অতিথি ব্যবহার করেছেন—এমন কোনো প্রমাণ নেই। সবকিছুই বিয়ের দিন ভেন্যুর বাইরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

রসিকতা করে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে তার আমন্ত্রণ ছিল না। তাই ভেতরের ‘আসল’ আবর্জনা সংগ্রহের সুযোগও পাননি। তবে তার বিশ্বাস, এসব বস্তু কোথা থেকে এবং কোন ঐতিহাসিক মুহূর্তে সংগ্রহ করা হয়েছে—ভক্তদের কাছে সেটিই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

বিশ্বজুড়ে টেইলর সুইফটের ভক্তরা ‘সুইফটিজ’ নামে পরিচিত। প্রিয় তারকার সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো স্মারক সংগ্রহে তাদের আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও সুইফটের ‘ইরাস ট্যুর’ রেকর্ডসংখ্যক টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভক্তদের সেই উন্মাদনা প্রমাণ করেছে। এবারও বিয়ের ভেন্যুর বাইরের আবর্জনাকে স্মারক হিসেবে কিনে সেই আগ্রহেরই নতুন নজির গড়লেন তারা।

স্থানীয়দের কেউ কেউ এই উদ্যোগকে নিছক ভক্তি নয়, বরং নিউ ইয়র্কের অনন্য ব্যবসায়িক কৌশলের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেছেন।

উল্লেখ্য, জাস্টিন গিগনাকের জন্য এমন উদ্যোগ নতুন নয়। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও আলোচিত ঘটনার স্থান থেকে সংগ্রহ করা আবর্জনা শিল্পকর্মে রূপ দিয়ে বিক্রি করে আসছেন। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০০৯ সালের অভিষেক অনুষ্ঠান এবং ২০১২ সালে নিউ ইয়র্ক জায়ান্টসের সুপার বোল বিজয় উদযাপনের পর সংগৃহীত বর্জ্যও একই ভাবে সংরক্ষণ করে সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করেছিলেন তিনি। এবার টেইলর সুইফটকে ঘিরে তার সেই অভিনব উদ্যোগ আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছে।