• ই-পেপার

পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমবেদনা

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমবেদনা

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

রবিবার (১২ জুলাই) এক্স-পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, সেই পরিবারগুলোর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। এই দুর্যোগে বাস্তুচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত সকলের জন্য আমার প্রার্থনা ও সহানুভূতি রইল।

তিনি বলেন, আমি সেইসব উদ্ধারকর্মী, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসা দল এবং ত্রাণকর্মীদের সাহস ও নিষ্ঠাকে শ্রদ্ধা জানাই, যারা দুঃস্থদের সহায়তা করার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে চলেছেন।

ইসহাক দার আরো বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে। আমি চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের সাফল্য ও ক্ষতিগ্রস্ত সকলের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

অনলাইন ডেস্ক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ রবিবার এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

এই বরেণ্য রাজনীতিবিদের প্রয়াণ দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারার বিকাশে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। রবিবার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের উত্তরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন।

মো. আব্দুল্লাহ জানতে চান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে এবং বেসরকারি অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে রাখতে কোনো বিশেষ বরাদ্দ বা প্রকল্প আছে কি না?

জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সারা দেশে টেলিটকের উন্নত নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে বিশাল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। তবু বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করছে। ধীরে ধীরে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারা দেশে টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে টেলিটকের মোট ৩,৫১১ কোটি টাকার ৩টি ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ৭,৭৫৪ কোটি টাকার ৯টি প্রকল্পের প্রস্তাব সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাই এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মিয়ান মুহাম্মদ শেহবাজ শরিফ।

আজ রবিবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

পোস্টে শেহবাজ শরিফ বলেন, ‌‘বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।’

তিনি আরো বলেন, ‘পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি আমাদের অবিচল সংহতি প্রকাশ করছি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সব মানুষের নিরাপত্তা কামনা করছি।’

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে টানা ভারি বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত ৩৯ জন মারা যায়। একই সঙ্গে বিভাগের পাঁচ জেলার অন্তত ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি, পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ডুবে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। সেখানে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় আটজন, বান্দরবান জেলায় ছয়জন এবং রাঙামাটি জেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

1