• ই-পেপার

বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমবেদনা

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান শিগগিরই

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান শিগগিরই
সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

ওই প্রার্থীরা চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পাঁচমাস পেরিয়ে গেলেও যোগ দিতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা নিয়ে কাজ চলছে। আমরা তাদের আগে দুইমাসের ট্রেনিং দেবো। এরপর স্কুলে পাঠাবো। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী প্রমুখ।

 

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়। 

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনো যোগদান করতে পারেননি।

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন
সংগৃহীত ছবি

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই) বাদ আসর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিসহ সংসদ সদস্যরা।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাবেক এ স্পিকারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় জানাজার পর সংসদ প্রাঙ্গণের পাশের কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। কথা রয়েছে।

এর আগে, রবিবার ভোরে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। প্রবীণ এই রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশকিছু দিন ধরে তিনি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার সকালে এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় ও ইউনিট,আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকসহ সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন আইনজীবী সংগঠন।

এ ছাড়াও সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকারের মৃত্যুতে সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এর আগে রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

ধনী ও করপোরেটদের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি

অনলাইন ডেস্ক
ধনী ও করপোরেটদের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি
সংগৃহীত ছবি

ধনী ও করপোরেটদের কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার, কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উচ্চ সুদহার বহাল, উৎপাদন বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাও দেওয়া হবে। রবিবার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজে অধিবেশনের ২৩তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদা এবং গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের পৃথক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি কমাতে এবং ধনী ব্যক্তি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও ঝুঁকি-ভিত্তিক নিরীক্ষাসহ একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কর ব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে করদাতাদের তথ্যভান্ডার সম্প্রসারণ, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে তথ্য বিনিময় এবং ইচ্ছাকৃত কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চলমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, নীতি সুদহার ১০ শতাংশে বহাল রাখা, উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা না চাপিয়ে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের কর ফাঁকি বন্ধে বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। কর আদায় ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে করপোরেট করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন ব্যবস্থা দ্রুত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে করদাতাদের তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে এপিআই সংযোগের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ চলছে। 

অর্থমন্ত্রী জানান, কোন খাত থেকে কত পরিমাণ রাজস্ব আসার কথা, তা যাচাইয়ে শিল্পভিত্তিক গড় সূচক ব্যবহার করে ঝুঁকি-ভিত্তিক নিরীক্ষা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে উৎসে কর কর্তন ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া উচ্চ মূল্যস্ফীতি সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কমতে শুরু করে এবং ধারাবাহিকভাবে কমে ২০২৫ সালের অক্টোবরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে আসে। তবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন অভিঘাতে তা আবার বেড়ে ২০২৬ সালের মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছায়।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য নীতি সুদহার (রেপো রেট) ১০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার মনে করছে, বর্তমান মূল্যস্ফীতির বড় কারণ সরবরাহ সংকট। এ কারণে উৎপাদন ও বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এ প্যাকেজের ৪১ হাজার কোটি টাকা আসবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে এবং বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করবে। পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে নমনীয় ও বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।

পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুমের মাধ্যমে দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই।

তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ, পর্যাপ্ত স্যানিটেশনব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সুবিধা সচল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষভাবে নারী, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন চুরি, ডাকাতি, মজুদদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ সময় চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানকার জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং রংপুর বিভাগে নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এসব তথ্য জানার পর প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের পাশে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন।