• ই-পেপার

কুড়িগ্রাম

বন্যার পানি নামছে, কৃষিতে ভেসে উঠছে ক্ষত

  • দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন 
  • আতঙ্কে নদীপারের মানুষ

পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনে যুবকের কারাদণ্ড

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনে যুবকের কারাদণ্ড
ছবি: কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে সুজন (২৮) নামে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাকে ৩০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরিবারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সম্মানিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন আলমগীর ও সালমা বেগম দম্পতির ছেলে।

পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন রকি বলেন, সুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদকের টাকার জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন। টাকা না পেলে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করতেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় সুজনকে নিজ ঘরে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপম দাস তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০০ টাকা জরিমানা করেন।

রুপম দাস বলেন, মাদক সেবন করে জনশৃঙ্খলা নষ্ট করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এ সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলবে।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযানে ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযানে ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জনের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হালুয়াঘাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমানসহ তিনজনকে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ এ দণ্ডাদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, শনিবার (১১ জুলাই) হালুয়াঘাট উপজেলার উত্তর বাজার, মধ্য বাজার ও পূর্ব গোবরাকুড়া এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ দল মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় ইয়াবা সেবনের অভিযোগে আনিসুর রহমান, আরিফুল ইসলাম আকাশ ও নবী হোসেনকে আটক করা হয়।

পরে তাদের ডোপ টেস্ট করা হলে মাদক সেবনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তাদের দণ্ড দেওয়া হয়।

রায়ে আনিসুর রহমানকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরিফুল ইসলাম আকাশ ও নবী হোসেনকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জনস্বার্থে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে বিজিবির গুলি
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রবিবার (১২ জুলাই) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। তবে বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, রবিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তলুইগাছা বিওপির একটি টহল দল সীমান্তে দায়িত্ব পালনকালে মেইন পিলার-১৩ সংলগ্ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সন্দেহজনক কথাবার্তার শব্দ শুনতে পায়।

পরে টহল দল শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে চারাবাড়ী এলাকায় দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে দেখতে পায়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগের চেষ্টা করে।

বিজিবি জানায়, টহল দল তাদের থামতে, পরিচয় দিতে এবং আত্মসমর্পণ করতে একাধিকবার নির্দেশ দিলেও তারা তা অমান্য করে ভারতের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তাদের গতিরোধ ও নিরাপত্তার স্বার্থে বিজিবি গুলি ছোড়ে। এতে চোরাকারবারিদের বড় ধরনের চোরাচালানের পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে দাবি বাহিনীটির।

গুলির পর চোরাকারবারিরা সীমান্তবর্তী ঝোপঝাড়ের মধ্য দিয়ে রাতের অন্ধকারে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালালেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি আরো জানায়, ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং তলুইগাছাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বোয়ালখালীতে বন্যার্তদের চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্প

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে বন্যার্তদের চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্প
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনা মূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রবিবার (১২ জুলাই) উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা রমনী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এ ক্যাম্পে প্রায় ২০০ জনকে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।

মেডিক্যাল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন ক্যাপ্টেন সাদি ও ডা. নাবিলা তাবাসসুম। নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী অসুস্থ মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ পান।

ক্যাম্প চলাকালে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

এর আগে শনিবার উপজেলার চরখিজিরপুর গ্রামেও সেনাবাহিনীর উদ্যোগে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়। সেখানেও প্রায় ২০০ জনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা জানান, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাসান চৌধুরী বলেন, ‘সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্পে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষ চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়েছেন। দুর্যোগপূর্ণ সময়ে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে স্থানীয়রা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।’