• ই-পেপার

শিক্ষার্থীদের আর কত গিনিপিগ বানানো হবে?

বুয়েটের উপউপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
বুয়েটের উপউপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়টির চতুর্থ উপউপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বুধবার (২২ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। তিনি বর্তমান উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম ১৯৯৭ সালে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। 

পরে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে ২০১৩ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। বর্তমানে তিনি বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (রাইজ)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি জাপানের সাইতামা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। সেখান থেকে ২০০২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছর পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ, ক্যান্টিনকর্মী আটক

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ছাত্রীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ, ক্যান্টিনকর্মী আটক

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বিজয়’২৪ হলের ছাত্রীদের ওয়াশরুমে গোপনে মোবাইল ফোন রেখে ভিডিও ধারণের অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত ইমাম হাসান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন ছাত্রীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হলজুড়ে আবাসিক ছাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিজয়’২৪ হলের গণরুমসংলগ্ন ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এক ছাত্রীর ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে ওই ছাত্রী আতঙ্কিত হয়ে সহপাঠীদের জানান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই হলের বিভিন্ন ব্লকের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাকর্মীদের বিষয়টি জানালে তারা অভিযুক্ত ইমাম হাসানকে আটক করেন। এ সময় হলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে হল প্রশাসন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগ নেয়।

বিজয়’২৪ হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওয়াশরুমে একটি মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত ইমাম হাসান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রায় দুই বছর ধরে হলের ক্যান্টিনে কর্মরত রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের বিভিন্ন ব্লকের আবাসিক শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হন। পরে অভিযুক্তকে হলের ভেতরে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়। ঘটনার পর থেকে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক ভিডিও পাওয়া গেছে। তাদের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করে সেগুলো বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে পাঠাতেন।

বিজয়’২৪ হলের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, ‘সবসময় আমাদের নিরাপত্তার কথা বলে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। অথচ নিজেদের হলেই যদি আমরা নিরাপদ না থাকি, তাহলে কোথায় নিরাপদ থাকব? এর আগেও ওই ব্যক্তির চলাফেরা সন্দেহজনক বলে হল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু তখন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়নি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয়’২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সেলিনা আহমেদ বলেন, ‘এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তারেক বিন সালাম বলেন, ‘অভিযুক্তকে আটক রাখা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা এবং মামলা দায়েরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এদিকে বুধবার রাতের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির বিভিন্ন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নতুন এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অধ্যাপক আল মামুন

জুলাই ছিল সর্বদলীয় গণ-আন্দোলন, কোনো একক দলের নয়

রাবি প্রতিনিধি
জুলাই ছিল সর্বদলীয় গণ-আন্দোলন, কোনো একক দলের নয়
অধ্যাপক আল-মামুন। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় গণ-আন্দোলন।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ১০৪ নম্বর কক্ষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিবার্ষিকী উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, রাবি শাখা আয়োজিত ‘ফিরে দেখা জুলাই : স্মৃতিচারণা ও আলোচনাসভা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক আল মামুন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর একক এজেন্ডা ছিল না, বরং এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের একটি সর্বদলীয় গণ-আন্দোলন। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রচারণায় আন্দোলনটিকে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের ব্যানারে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা দেখা গেলেও, মূল নেতৃত্বের ভাষ্য এবং মাঠের চিত্র ভিন্ন কথা বলে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাইকে অনেকেই ষড়যন্ত্র বলে। কিন্তু জুলাই কোনো মেটিকুলাস ডিজাইন কিংবা কোনো ষড়যন্ত্র নয়। এটি ছিল একটি অনিবার্য বাস্তবতা। ২০২৪ সালে না হলে ২০২৫ কিংবা ২০২৬ সালেও এমন অভ্যুত্থান ঘটত।’

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে আল-মামুন বলেন, ‘সরকার যেভাবে রাষ্ট্রকাঠামো ব্যবহার ও রাষ্ট্র পরিচালনা করছিল, তাতে একটা গণ-অভ্যুত্থান কিংবা সামরিক অভ্যুত্থান ছাড়া সরকার পরিবর্তনের আর কোনো পথ ছিল না।’

তিনি দাবি করেন, ‘জুলাই ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গণচেতনার প্রতিফলন, যেখানে দলীয় সংকীর্ণতার পরিবর্তে সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধই ছিল মূল শক্তি।’

সভায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শুধু কোটা সংস্কারের আন্দোলন ছিল না। এটি ছিল দীর্ঘদিনের জমে থাকা অন্যায়, বঞ্চনা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তাই একে ‘কালার রেভোলিউশন’ বা বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই। লক্ষ-কোটি মানুষের অংশগ্রহণেই এই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে।’

ফুয়াদ রাতুলের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা সঞ্চালনা করেন শাখা সেক্রেটারি মো. সজীব। অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘ছাত্র-জনতার জবানীতে লড়াইয়ের দিনগুলি’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
 

বিদেশে অবস্থানরত গবেষকদের দেশের উচ্চশিক্ষায় যুক্ত করতে উদ্যোগ ইউজিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদেশে অবস্থানরত গবেষকদের দেশের উচ্চশিক্ষায় যুক্ত করতে উদ্যোগ ইউজিসির
সংগৃহীত ছবি

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষক-গবেষকদের ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ডিজিটাল রূপান্তরের (ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন) মাধ্যমে তারা যেন দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে সরাসরি অবদান রাখতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বিডিরেন–ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস কোলাবোরেশন : পাথওয়ে টুয়ার্ডস গ্লোবাল নলেজ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এই তথ্যের কথা জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, উচ্চশিক্ষায় শিখন ঘাটতি কমানো এবং শিক্ষা ও গবেষণায় সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, ক্যাম্পাসজুড়ে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই, স্মার্ট ক্লাসরুম ও ডিজিটাল লাইব্রেরি স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক গবেষণা ডাটাবেজ ও ই-রিসোর্সে প্রবেশাধিকার সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশন আগামী দুই বছরের মধ্যে এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় এই রূপান্তরের উদ্দেশ্য কেবল প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলা নয়; বরং ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যাতে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার সমান সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করা।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইউজিসি, বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিরেন) এবং হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্প যৌথভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর আওতায় দেশের প্রায় ১৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক ও নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানের ই-রিসোর্স ও গবেষণা সামগ্রীর সুবিধা পাবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও অনলাইনের মাধ্যমে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান, গবেষণা তত্ত্বাবধান এবং একাডেমিক সহযোগিতা বাড়াতে পারবেন। প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও যেন কার্যক্রমটি অব্যাহত থাকে, সেজন্য একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির আশ্বাসও দেন ইউজিসি প্রধান।

সভায় বক্তারা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার জোর তাগিদ দেন। ইউজিসির আইসিটি বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ, হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের ন্যাশনাল হেড দেব্রতম ভট্টাচার্য এবং হেড অব পাবলিশিং কুদসিয়া আহমেদ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন।