• ই-পেপার

প্রাথমিকে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে : ববি হাজ্জাজ

জবি সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’ উদ্বোধন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জবি সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’ উদ্বোধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন প্রধান অতিথি হিসেবে ল্যাবটির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘ফ্যাক্ট-চেকিং ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, তথ্য যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং), ডিজিটাল সাংবাদিকতা এবং গবেষণাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা কার্যক্রম ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও দক্ষ ও প্রস্তুত হয়ে উঠবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লোভ দেখানো চুক্তি থেকে দূরে থাকি। গত এপ্রিল মাসে চুক্তি করেছি, আর আজ সেই চুক্তির বাস্তবায়ন হিসেবে ল্যাব উদ্বোধন করতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।”সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তাই এই পেশায় এসে শুধু নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করলেই চলবে না; ইতিবাচক ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদকেও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিটি সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই ফ্যাক্ট-চেক করতে হবে। অপসাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে এসে একজন আদর্শ সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। সমালোচনা অবশ্যই করতে হবে, তবে তা যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে দোষারোপ করার জন্য না হয়।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, ‘তোমরা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে কাজ করবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে ধারণ করে সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন এবং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান। এছাড়া বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআরডিআইয়ের মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ল্যাব সমৃদ্ধকরণের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির আওতায় এমআরডিআই বিভাগটিকে ৮টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং একটি এসি প্রদান করেছে।

ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সমাপনীতে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সমাপনীতে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এ সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ মে) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের অন্বেষণ, বিকাশ এবং ক্রীড়ামুখী মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম ঢাকায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এমতাবস্থায়, এ অনুষ্ঠানকে উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত ও সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরে অবস্থিত বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নানা অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল। তারপরও বাজেটে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আপনারা এই সুযোগ কাজে লাগান। এ সময় তিনি গবেষণা কার্যক্রমে আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এপিইউবি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় বাজেট নিয়ে পর্যালোচনামূলক এই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা আরো বাড়াতে এ খাতের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার, গবেষণায় সরকারি সহায়তা, নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণে ঋণসুবিধা এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম অনুমোদনের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা-প্রতিষ্ঠাতাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব দাবি বিবেচনার জন্য সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার আশ্বাস দেন।

এর আগে সভায় এপিইউবির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ৫ শতাংশে নামিয়ে আনায় তিনি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ৫ শতাংশ আয়করও প্রত্যাহার করা হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য জমি ক্রয় করি এবং বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করি; কিন্তু কোনো ধরনের ব্যাংকঋণ পাই না।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ‘এবারের বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে। আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেখি না। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান যত বাড়বে, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা তত কমবে।’

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হবে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জ্ঞান অর্থনীতি। এ লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সভায় এপিইউবির পক্ষ থেকে একটি নীতিগত অবস্থানপত্রও উপস্থাপন করা হয়। এতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, স্নাতকদের কর্মসংস্থানকে বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের অন্যতম সূচক হিসেবে গ্রহণ, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার শক্তিশালীকরণ এবং পিএইচডি কোর্স চালুর অনুমোদনের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা এবং সরকার, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রাখার ক্ষেত্রেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এপিইউবির সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। এ সময় এপিইউবির নেতারা, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান, উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ৭ সদস্যের কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ৭ সদস্যের কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। বর্তমানে এই দুই হলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবেলা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সোমবারের পূর্বনির্ধারিত সব অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাও স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান।

এর আগে, রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে এই দুই হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে কাজ শুরু করে প্রশাসন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-এর নেতৃত্বে ওয়াসা, ডিপিডিসি, সিটি করপোরেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের যৌথ প্রচেষ্টায় রাতেই সংশ্লিষ্ট হল এলাকার পানি সরানো হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়।

সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এ সময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন), সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষ এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন।

জরুরি সহায়তার অংশ হিসেবে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে রবিবার ছাত্রীদের মোমবাতি, বোতলজাত পানি ও মশার কয়েল সরবরাহ করা হয়। পরে সোমবার সকালে তাদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়।

বর্তমানে হলের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।