• ই-পেপার

জবি সাংবাদিকতা বিভাগের ‘ফ্যাক্ট চেকিং ডিজিটাল ল্যাব’ উদ্বোধন

দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধিভুক্ত সব দাওরায়ে হাদিস মাদরাসার জন্য পরীক্ষার নিবন্ধন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে মাদরাসার মুহতামিম, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সানাবিয়্যা (উলয়া/সানাবিয়্যা) এবং ফজিলতের নম্বরপত্র ও ফলাফল তালিকায় নাম, পিতার নাম, মাতার নাম এবং জন্ম তারিখ হুবহু এক ও অভিন্ন থাকতে হবে। কোনো ধরনের অমিল থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে এবং নিবন্ধনের সময় সংশোধিত নম্বরপত্র আপলোড করতে হবে।

এ ছাড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাদের এসব পরিচয়পত্র নেই, তাদের দ্রুত জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিবন্ধনের সময় তা আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের সময় ছাত্রীদের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত (তর্জনী) আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোতে ওই ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করা হবে।

এ কারণে প্রতিটি মহিলা মাদরাসা ও মারকায (পরীক্ষাকেন্দ্র) কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে ZKTeco SLK20R (বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার) ডিভাইস সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আল-হাইআতুল উলয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে, দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

প্রাথমিকে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিকে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (STEM) শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ভিত্তি তৈরি করতে খেলার মাধ্যমে শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক এবং এলইজিও ফাউন্ডেশন আয়োজিত  ‘সাস্টেইনিং, প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সট (স্প্ল্যাশ) কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘অঙ্কভীতি নয়, বিজ্ঞান হোক ভবিষ্যতের পরিচয়। প্রাথমিক থেকেই STEM-ভিত্তিক ও খেলার মাধ্যমে শেখার শিক্ষা চালু করে বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষাই হবে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ, আর সেই বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই প্রাথমিক থেকেই শিক্ষার্থীদের STEM বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বেছে নিতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ব্র্যাক, লেগো এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের বাস্তবায়িত প্লে-বেইজড শিক্ষা কার্যক্রম সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এসব কার্যক্রমের সফল মডেল মূল্যায়ন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে-ল্যাব ও STEM ল্যাব চালুর সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কয়েক শ বিদ্যালয়ে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার শুধু সরকারি বিদ্যালয় নয়, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদরাসাসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম শিক্ষার মান নির্ধারণে কাজ করছে। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ও শিক্ষার গুণগত মান সব ক্ষেত্রেই একটি জাতীয় মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার অর্জন এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সরকার শিক্ষা সংস্কার, যুগোপযোগী কারিকুলাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, প্লে-বেইজড লার্নিং এবং STEM-ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। 

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ,ব্র‍্যাক সহ বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সমাপনীতে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সমাপনীতে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকা মহানগরীর মাদরাসাগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এ সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ মে) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের অন্বেষণ, বিকাশ এবং ক্রীড়ামুখী মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম ঢাকায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এমতাবস্থায়, এ অনুষ্ঠানকে উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত ও সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরে অবস্থিত বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নানা অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল। তারপরও বাজেটে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আপনারা এই সুযোগ কাজে লাগান। এ সময় তিনি গবেষণা কার্যক্রমে আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এপিইউবি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় বাজেট নিয়ে পর্যালোচনামূলক এই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা আরো বাড়াতে এ খাতের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার, গবেষণায় সরকারি সহায়তা, নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণে ঋণসুবিধা এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম অনুমোদনের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা-প্রতিষ্ঠাতাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব দাবি বিবেচনার জন্য সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার আশ্বাস দেন।

এর আগে সভায় এপিইউবির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ৫ শতাংশে নামিয়ে আনায় তিনি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ৫ শতাংশ আয়করও প্রত্যাহার করা হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য জমি ক্রয় করি এবং বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করি; কিন্তু কোনো ধরনের ব্যাংকঋণ পাই না।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ‘এবারের বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে। আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেখি না। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান যত বাড়বে, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা তত কমবে।’

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হবে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জ্ঞান অর্থনীতি। এ লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সভায় এপিইউবির পক্ষ থেকে একটি নীতিগত অবস্থানপত্রও উপস্থাপন করা হয়। এতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, স্নাতকদের কর্মসংস্থানকে বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের অন্যতম সূচক হিসেবে গ্রহণ, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার শক্তিশালীকরণ এবং পিএইচডি কোর্স চালুর অনুমোদনের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা এবং সরকার, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রাখার ক্ষেত্রেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এপিইউবির সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। এ সময় এপিইউবির নেতারা, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান, উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।