ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। বর্তমানে এই দুই হলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবেলা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সোমবারের পূর্বনির্ধারিত সব অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাও স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান।
এর আগে, রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে এই দুই হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে কাজ শুরু করে প্রশাসন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-এর নেতৃত্বে ওয়াসা, ডিপিডিসি, সিটি করপোরেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের যৌথ প্রচেষ্টায় রাতেই সংশ্লিষ্ট হল এলাকার পানি সরানো হয় এবং বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়।
সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এ সময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন), সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষ এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন।
জরুরি সহায়তার অংশ হিসেবে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে রবিবার ছাত্রীদের মোমবাতি, বোতলজাত পানি ও মশার কয়েল সরবরাহ করা হয়। পরে সোমবার সকালে তাদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়।
বর্তমানে হলের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।







