• ই-পেপার

ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ৭ সদস্যের কমিটি

‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল’

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নানা অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা কঠিন ছিল। তারপরও বাজেটে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আপনারা এই সুযোগ কাজে লাগান। এ সময় তিনি গবেষণা কার্যক্রমে আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এপিইউবি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় বাজেট নিয়ে পর্যালোচনামূলক এই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা আরো বাড়াতে এ খাতের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার, গবেষণায় সরকারি সহায়তা, নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণে ঋণসুবিধা এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম অনুমোদনের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা-প্রতিষ্ঠাতাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব দাবি বিবেচনার জন্য সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার আশ্বাস দেন।

এর আগে সভায় এপিইউবির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ৫ শতাংশে নামিয়ে আনায় তিনি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ৫ শতাংশ আয়করও প্রত্যাহার করা হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য জমি ক্রয় করি এবং বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করি; কিন্তু কোনো ধরনের ব্যাংকঋণ পাই না।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, ‘এবারের বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে। আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেখি না। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান যত বাড়বে, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা তত কমবে।’

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হবে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জ্ঞান অর্থনীতি। এ লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সভায় এপিইউবির পক্ষ থেকে একটি নীতিগত অবস্থানপত্রও উপস্থাপন করা হয়। এতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, স্নাতকদের কর্মসংস্থানকে বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের অন্যতম সূচক হিসেবে গ্রহণ, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার শক্তিশালীকরণ এবং পিএইচডি কোর্স চালুর অনুমোদনের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা এবং সরকার, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রাখার ক্ষেত্রেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এপিইউবির সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। এ সময় এপিইউবির নেতারা, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান, উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই শহীদ দিবসে সব মাদরাসায় বিশেষ মোনাজাতের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই শহীদ দিবসে সব মাদরাসায় বিশেষ মোনাজাতের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব মাদরাসায় শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা ও বিশেষ মোনাজাতের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ১৬ জুলাই প্রতিষ্ঠানের সুবিধাজনক সময়ে এ অনুষ্ঠান পালনের জন্য বলা হয়েছে।

সোমবার বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস. এম. তৌহিদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ১২ জুলাই জারি করা স্মারক এবং এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণীর ক্রমিক নম্বর ৬-এর সিদ্ধান্তের আলোকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বোর্ডের অধীন সব স্তরের মাদরাসায় সুবিধাজনক সময়ে জুলাই শহিদদের স্মরণে স্মরণসভা ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করতে হবে।

এ অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও পরিচালনা কমিটিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাভাবিপ্রবিতে ‘সিইজিআইএস উপস্থাপিত ভবিষ্যৎ ডেটা বিশ্লেষক চ্যালেঞ্জ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মাভাবিপ্রবিতে ‘সিইজিআইএস উপস্থাপিত ভবিষ্যৎ ডেটা বিশ্লেষক চ্যালেঞ্জ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং তথ্যভিত্তিক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘সিইজিআইএস উপস্থাপিত ভবিষ্যৎ ডেটা বিশ্লেষক চ্যালেঞ্জ-২০২৬’ শীর্ষক অনুসন্ধানধর্মী তথ্য বিশ্লেষণ (এক্সপ্লোরেটরি ডেটা অ্যানালাইসিস-ইডিএ) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে শিক্ষামূলক অলাভজনক সংগঠন ‘বাংলায়শিখি’ এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. দেলোয়ার জাহান মলয়, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মহিবুল হোসেন এবং পরিবেশবিজ্ঞান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শিমুল শেখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলায়শিখির প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম রিফাত। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আয়োজক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) জলবিদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ রিয়াসাদ আমিন তথ্য বিশ্লেষণ, ভৌগোলিক তথ্যব্যবস্থা (জিআইএস), দূর অনুধাবন (রিমোট সেন্সিং) এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে এসব দক্ষতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্য বিশ্লেষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যার সমাধানে তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে উৎসাহিত করবে।

এ ছাড়া সিএইচএস এডুকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাজু বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, প্রস্তুতি ও আবেদন প্রক্রিয়া বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক তথ্যসমষ্টি (ডেটাসেট) বিশ্লেষণের মাধ্যমে তথ্য অনুসন্ধান, তথ্যের চিত্রায়ণ (ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন) এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা প্রদর্শন করেন। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, দ্বিতীয় হন মো. মাহবুব শাকিল এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সাইবা খান। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ করা হয়।

তত
ছবি: কালের কণ্ঠ

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলায়শিখির আট সদস্যের মূল আয়োজক দল এ প্রতিযোগিতা বাস্তবায়ন করে। দলের নেতৃত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মো. রাশেদুল ইসলাম রিফাত। অন্য সদস্যরা হলেন—অংশীদারত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা পরিচালক মো. শিহাব উদ্দিন ইখতিয়ার, পরিচালন পরিচালক মো. অন্তর, বিপণন ও যোগাযোগ পরিচালক ফয়সাল রহমান অভি, কমিউনিটি উন্নয়ন পরিচালক ফারজানা ইয়াসমিন, ক্যাম্পাস-সংযোগ পরিচালক তাসনিয়া রহমান শেফা, জনসংযোগ ও সম্প্রসারণ পরিচালক মাইশা হোসাইন নিহা এবং কর্মসূচি ও প্রতিযোগিতা পরিচালক জাকারিয়া মাহমুদ সৌরভ।

প্রতিযোগিতার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এবং সহ-পৃষ্ঠপোষক ছিল সিএইচএস এডুকেশন।

এ ছাড়া আইসক্রিম সহযোগী হিসেবে আইসক্রিম স্টেশন, শিক্ষা সহযোগী হিসেবে এনবিআইসিটি ল্যাব, যুবসম্পৃক্ততা সহযোগী হিসেবে টিবিএস গ্র্যাজুয়েট, সুস্থতা সহযোগী হিসেবে স্কিন'ও, পানীয় সহযোগী হিসেবে প্রাণ, মিষ্টান্ন সহযোগী হিসেবে জয়কালী, আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র সহযোগী হিসেবে ছবিদ্যালয় এবং কিট সহযোগী হিসেবে উদ্ভাস-উন্মেষ-উত্তরণ শিক্ষা পরিবার সহযোগিতা করে।

মিডিয়া সহযোগী হিসেবে ছিল দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, কালের কণ্ঠ, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।

বাংলায়শিখির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য-সাক্ষরতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা ও সংযোগ আরো শক্তিশালী করতেও সংগঠনটি কাজ করছে।

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় আগামী ১৫ জুলাই পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি রেখে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১৫ জুলাই (বুধবার) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ বিতরণ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন। এ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই দিনে নির্ধারিত সময়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি-এই তিন শ্রেণির সমন্বয়ে মোট পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণ করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় উপ পরিচালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।