• ই-পেপার

জবির ছাত্রী হলের ৯ ছাত্রলীগ কর্মীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হলেন ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন

বাকৃবি প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হলেন ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনকে চার বছরের জন্য উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ মেয়াদের মধ্যে তার চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমা পূর্ণ হলে সে সময় পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি-বিধান অনুসারে এবং উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য যে কোনো সময় এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র কৃষি অর্থনীতি, এগ্রিবিজনেস ও কৃষি বিপণন। তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন। এ ছাড়া দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য সাময়িকীতে তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

তার এ নিয়োগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রুয়েটের উপউপাচার্য হলেন ড. আখতার হোসেন

অনলাইন ডেস্ক
রুয়েটের উপউপাচার্য হলেন ড. আখতার হোসেন
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নতুন উপউপাচার্য (প্রো-ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ‘রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩’-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেনকে উপউপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও সংবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবেন এবং উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কাজী নুরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।

দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী শূন্য

১৫ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাইল অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক
১৫ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাইল অধিদপ্তর

দেশের ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় ব্যাখ্যা তলব করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনবলের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে শিক্ষার্থী শূন্যতার কারণ ব্যাখ্যা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের কাজের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ১৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বর্তমানে দ্বিতীয় শিফটে কোনো শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত নেই। দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী না থাকার কারণ উদঘাটন করে সমাধান এবং জনবলসহ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

পরিস্থিতির সমাধান ও সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদের তিনটি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার কারণ এবং এর সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা; শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার বিস্তারিত প্রমাণসহ তথ্য; দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্তমানে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন তার প্রমাণসহ বিবরণ।

চিঠি পাওয়ার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এসব বিষয়ে মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যাদি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তলব করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো–মাদারীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, গোপালগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, শরীয়তপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ভোলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পটুয়াখালী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বরগুনা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নড়াইল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নওগাঁ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, নাটোর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং জয়পুরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ করার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ করার নির্দেশ

মহানগরসহ দেশের গ্রামীণ জনপদে খেলার মাঠের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি খেলার মাঠে রূপান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে এ কথা বলা হয়।

অধিদপ্তরের অধীন টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রধানদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের কোনো অব্যবহৃত জমি থাকলে তা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্দিষ্ট ডিজাইন অনুসরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে খেলার মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে।

একই সঙ্গে খেলার মাঠ তৈরির উপযোগী জমির পরিমাণ, তফসিল ও মৌজা ম্যাপে অবস্থান চিহ্নিত করে তা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, প্রতিষ্ঠানসমূহের বর্তমানে ব্যবহৃত মাঠগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর মাধ্যমে সংস্কার করে ক্রীড়ার অনুপযোগী মাঠকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়।

আদেশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন ই-মেইলে ([email protected]) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

জবির ছাত্রী হলের ৯ ছাত্রলীগ কর্মীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা | কালের কণ্ঠ