• ই-পেপার

সালমানের পক্ষে আদালতের নির্দেশ, সরাতে হবে ‘কালা হিরণ’-এর টিজার

‘দ্য মামি ৪’-এ যুক্ত হতে পারেন ‘অবসেশন’খ্যাত জনস্টন

অনলাইন ডেস্ক
‘দ্য মামি ৪’-এ যুক্ত হতে পারেন ‘অবসেশন’খ্যাত জনস্টন

হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাডভেঞ্চার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য মামি’র চতুর্থ পর্বে যুক্ত হতে পারেন ‘অবসেশন’খ্যাত তারকা মাইকেল জনস্টন। বিনোদন সাময়িকী ভ্যারাইটি জানিয়েছে, মেগাবাজেটের এই নতুন কিস্তিতে অভিনয়ের জন্য বর্তমানে প্রাথমিক আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেতা।

সম্প্রতি হরর ছবি ‘অবসেশন’-এর বিশাল বক্স অফিস সাফল্যের পর নজরে আসেন জনস্টন। ‘টিন উলফ’ সিরিজের এই প্রাক্তন তারকাকে এবার দেখা যেতে পারে ‘দ্য মামি’-র অতিপ্রাকৃত রহস্যের জগতে। দর্শকদের জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের খবর হলো, ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল দুই তারকা ব্রেন্ডন ফ্রেজার ও র‍্যাচেল ওয়াইজ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তারা আবারও তাদের আইকনিক চরিত্র—অ্যাডভেঞ্চারার ‘রিক ও’কনেল’ ও মিশরবিদ ‘ইভলিন ও’কনেল’ রূপে পর্দায় ফিরছেন। ২০০৮ সালের তৃতীয় পর্বে র‍্যাচেল না থাকলেও, দীর্ঘ সময় পর এই জুটির প্রত্যাবর্তন ভক্তদের মাঝে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। এ ছাড়া জন হানাও এই কিস্তিতে ফিরছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০০৮ সালের সিনেমাটির তৃতীয় পর্ব ‘দ্য মামি : টুম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পেরর’ মুক্তি পেয়েছিল।

ইউনিভার্সাল পিকচার্স পরিচালিত সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ১৫ অক্টোবর। ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ‘রেডিও সাইলেন্স’-এর জনপ্রিয় পরিচালক জুটি ম্যাট বেটিনেলি-ওলপিন এবং টাইলার গিলেট। তবে বরাবরের মতোই সিনেমার মূল গল্প এখনো গোপন রাখা হয়েছে।

একজন গুপ্তধন শিকারি ভুলবশত অভিশপ্ত প্রাচীন মিসরীয় পুরোহিতকে জাগিয়ে তোলার গল্প নিয়ে ১৯৯৯ সালে শুরু হয়েছিল ‘দ্য মামি’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। এরপর ২০০১ সালের সিক্যুয়েল ‘দ্য মামি রিটার্নস’ আন্তর্জাতিক বক্স অফিসে ব্যাপক ঝড় তোলে এবং ব্রেন্ডন ফ্রেজারকে অ্যাকশন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

নতুন সিরিজ ‘রাখ’ নিয়ে যা বললেন আলী ফজল

বিনোদন ডেস্ক
নতুন সিরিজ ‘রাখ’ নিয়ে যা বললেন আলী ফজল
অভিনেতা আলী ফজল

বলিউডে প্রচলিত অ্যাকশনধর্মী নায়কের বাইরে গিয়ে বরাবরই ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন অভিনেতা আলী ফজল। এবার প্রাইম ভিডিওর নতুন ক্রাইম থ্রিলার ‘রাখ’-এ সংযত ও দৃঢ়চেতা এক পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সম্প্রতি গালফ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নতুন সিরিজ, অভিনয়জীবন ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেতা।

আলী ফজলের মতে, তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের গল্প বলতে আগ্রহী। সমাজে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে বলেই এখন সেই ধরনের চরিত্রই বেশি বেছে নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। এখন যদি সেই মানুষটা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়, তাহলে সেটাই পর্দায় তুলে ধরব। বাস্তবতা এখন এমনই।

LKK

‘মির্জাপুর’ থেকে একেবারে ভিন্ন

‘মির্জাপুর’ সিরিজে গুড্ডু পণ্ডিত চরিত্রে জনপ্রিয়তা পাওয়া আলী ফজল বলেন, ‘রাখ’ সেই চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

তার ভাষায়, এটি আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও খুব ভালো। সিরিজটি দেখে আমি নিজেও সন্তুষ্ট। সবাই দারুণ অভিনয় করেছেন।

বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত

‘রাখ’ সিরিজটি ১৯৭৮ সালের আলোচিত রাঙ্গা-বিল্লা হত্যা মামলার অনুপ্রেরণায় নির্মিত। যদিও এতে চরিত্র ও ঘটনার উপস্থাপন কাল্পনিক, তবে মূল কাহিনির আবেগ ও প্রেক্ষাপট বাস্তব ঘটনাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে।

সিরিজে আলী ফজলের চরিত্র একজন পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি নিজের মেধা ও পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত হলেও সমাজের নানা বৈষম্য ও প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যে একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করেন।

এ প্রসঙ্গে আলী বলেন, ‘চরিত্রটি খুবই সাধারণ একজন মানুষের। নিজের যোগ্যতায় সে এখানে এসেছে। কিন্তু সমাজ ও ব্যবস্থার নানা বাধার মধ্য দিয়েই তাকে এগোতে হয়।’

্‌্

সংযমই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

সিরিজে তার চরিত্র প্রয়োজনে সহিংস হতে পারলেও বেশির ভাগ সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

আলী বলেন, সে চাইলে আঘাত করতে পারে, কিন্তু করে না। চরিত্রটির ভেতরে অনেক দ্বন্দ্ব কাজ করে। গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবর্তনও দেখা যায়।

পরিবারই এখন অগ্রাধিকার

বর্তমানে বলিউড ও হলিউড—দুই জায়গাতেই নিয়মিত কাজ করছেন আলী ফজল। তবে কাজের ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে সময় দেওয়াকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিনেতাদের জীবন অনিশ্চিত। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় না কাটাতে পারলে অপরাধবোধ কাজ করে। সেই অনুভূতি সত্যিই বাস্তব।’

ভালো গল্পই টানে

আলী ফজলের মতে, বর্তমানে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সিনেমার মধ্যে পার্থক্য ধীরে ধীরে কমে আসছে। তবে ভারতীয় সিনেমার গান-নাচের ঐতিহ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘ভালো চিত্রনাট্যই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুধু ভালো গল্পের অংশ হতে চাই। এই দেশের গল্প বলার অনেক কিছুই এখনো বাকি।’

জেন-জি’দের ধুয়ে দিলেন কঙ্গনা

অনলাইন ডেস্ক
জেন-জি’দের ধুয়ে দিলেন কঙ্গনা
সংগৃহীত ছবি

ঠোটকাটা স্বভাবের জন্য দুর্নাম আছে বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউতের। পরিণতি কী হবে, না ভেবেই, যা বিশ্বাস করেন তা বলে দেন অবলীলায়। রাজনীতিতে নামার আগে বিভিন্ন সময়ে তার মন্তব্য ঝড় তুলেছে বলিউডে। রাজনীতিও থামাতে পারেনি তাকে। বরং তার কথার ধার যেন আরো বেড়েছে। কথার কারণে ঝক্কিও কম পোহাতে হয়নি তাকে। মামলা-মোকদ্দমা তো আছেই, কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিমানবন্দরে এক নিরাপত্তা রক্ষীর চড় খেতে হয়েছিল চারবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই অভিনেত্রীকে। এবার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করা জেন-জি'দের ধুয়ে দিয়েছেন কঙ্গনা।

দিল্লির যন্তর মন্তরে তরুণ প্রজন্মের টানা ৩৭ দিনের আন্দোলনে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এ আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মের বিভিন্ন সৃজনশীল ও মজার স্লোগান, ফেস্টুন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আবার কিছু স্লোগান ও পোস্ট নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। কঙ্গনা রানাউত জেন-জি প্রজন্মের অশালীন ভাষার ব্যবহারেই ক্ষেপেছেন। তিনি এসব ভাষাকে 'বমি আসার মত' বলে অভিহিত করেছেন। ক্ষুব্ধ কঙ্গনা বলেন, 'আমি আমার জীবনে এক জায়গায় এত নোংরামি কখনো দেখিনি। জেন জি আন্দোলনের এই রিলগুলো বমি আসার মতো। তারা যেভাবে কথা বলে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে, সবকিছু একসাথে এত দৃষ্টিকটু এবং এত কুরুচিপূর্ণ, আমার জীবনে কখনো দেখিনি।' তিনি বলেন, 'ইশশ, কে যে এদের জন্ম দিয়েছে আর বড় করছে?'

আন্দোলনকারীরা নিজেদের 'তেলাপোকা' হিসেবে চিহ্নিত করারও তীব্র সমালোচনা করেন কঙ্গনা, :ভারত বৈচিত্র্যময় ও সুন্দর মানুষের দেশ, যারা মার্জিত পোশাকে আবৃত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে মগ্ন। তোমরা নিজেদের তেলাপোকা বলছ এবং তোমাদের চেহারা ও আচরণও তাদের মতোই। এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য বা নতুনত্ব নেই। তোমরা কেবল পুরো পৃথিবীকে তোমাদের নোংরামি, আবর্জনা আর কুৎসিত রূপ দেখাচ্ছ। আমি এই রিলগুলো দেখে মানসিক আঘাত পেয়েছি। আমার এখন কিছু নিরাময় এবং ডিজিটাল ডিটক্স প্রয়োজন।'

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণীদের 'তথাকথিত পশ্চিমা সংস্কৃতির ভারতীয় নারী' আখ্যা দিয়ে কঙ্গনা বলেন, 'তারা এতটাই কলুষিত ও কুৎসিত যে তারা গৃহিণী হওয়ারও যোগ্য নয়। তারা ড্রাগস নেওয়া, মদ্যপান করা এবং নির্লজ্জের মতো মা-বাবার উপার্জনে বেঁচে থাকার স্বাধীনতা নিয়ে গর্ববোধ করে।' জেনারেশন-জি'কে 'জেনারেশন গাটার' বা 'নর্দমার প্রজন্ম' বলে আখ্যা দিয়ে কঙ্গনা বলেন, 'তাদের অনেকেরই সমাজ বা ব্যবস্থাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তারা পড়াশোনাতেও ভালো নয়। তারা এতটাই কুৎসিত ও কলুষিত যে তারা সংসারীও হতে পারবে না।'

তবে কঙ্গনার এই মন্তব্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কংগ্রেস নেতা ভাই জগতাপ উল্টো কঙ্গনার দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন, 'এই আন্দোলনের সময় আমাদের মেয়ে ও সন্তানদের যেভাবে হেনস্থা, মারধর এবং দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, নিজে একজন নারী হয়েও তার মনে একটুও অনুশোচনা জাগল না; এটা সত্যিই আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়।'

এআইএমআইএম নেতা ওয়ারিস পাঠানও কঙ্গনার ভাষার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উচিত তাঁর সাংসদের এই ভাষার দিকে নজর দেওয়া। পাঠান বলেন, "কঙ্গনা রানাউত যদি এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে থাকেন, তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁকে জিজ্ঞেস করুন তিনি নিট-এর পূর্ণরূপ জানেন কি না। তিনি জানবেন না। পুরো জেন জি প্রজন্মের কাছে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী মোদীর খেয়াল রাখা উচিত যে তাঁর সাংসদরা জেন জি-র প্রতি কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন।'

‘খুব বেশি সুন্দর’ হওয়ায় চরিত্র থেকে বাদ পড়েছিলেন কৃতি শ্যানন

অনলাইন ডেস্ক
‘খুব বেশি সুন্দর’ হওয়ায় চরিত্র থেকে বাদ পড়েছিলেন কৃতি শ্যানন

বলিউডের বর্তমান সময়ের শীর্ষ তারকা কৃতি শ্যানন। সাফল্য আজ তাকে হাতছানি দিলেও, ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল চরম প্রত্যাখ্যান ও অদ্ভুত সব তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরা। সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কৃতি জানান, এক পরিচালক তাকে রূপের কারণেই চরিত্র থেকে বাদ দিয়েছিলেন।

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়া শেষ করে হাতে চাকরির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রূপালী পর্দার টানে মুম্বাই পাড়ি দিয়েছিলেন কৃতি। কিন্তু কোনো ফিল্মি ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকায় পদে পদে প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। কাজ না পেয়ে হতাশায় কেঁদে ফেলার স্মৃতিচারণ করে কৃতি বলেন, অনেকেই বলতেন আমার মধ্যে নাকি কোনো একটা খামতি আছে। একজন তো সরাসরি বলেছিলেন— ‘তুমি খুব বেশি সুন্দর। পর্দায় চরিত্রকে বাস্তব করে তুলতে গেলে চেহারায় কিছুটা অপূর্ণতা থাকা দরকার।’

এই ধরনের মন্তব্য তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেললেও দমে যাননি কৃতি। চরম হতাশার মাঝেও পরিবার ও কাছের কিছু মানুষের অটুট বিশ্বাস তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছিল। সেই জেদ থেকেই একে একে কাজ করেন ‘মিমি’ ‘হিরোপান্তি’, ‘দিলওয়ালে’, ‘বারেলী কি বরফি’র মতো ছবিতে। যে কৃতিকে একসময় অযোগ্য ভেবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ২০২১ সালে ‘মিমি’ ছবিতে সারোগেট মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে তিনিই জিতে নেন সেরা অভিনেত্রী হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। বর্তমানে অভিনয় ও ব্যবসা মিলিয়ে ১০০ কোটি টাকারও বেশি সম্পদের মালিক এই অভিনেত্রী।